ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
এ মুহূর্তে মার্কিন নাগরিকদের ইরাক ছাড়ার নির্দেশনা
আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলা
পরাজয় অথবা আরও আক্রমণের দোটানায় পড়েছেন ট্রাম্প
চারদিনে যুক্তরাষ্ট্রের কত ক্ষতি হলো, কাতারে কেন বেশি
তুরস্কমুখী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থামাল ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
ভারত মহাসাগরে ইরানি জাহাজে হামলা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন
সস্তা ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র: ক্ষয়যুদ্ধের মুখে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত কয়েক দিনের মধ্যেই ক্ষয়যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এবং যে পক্ষ দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারবে, তারাই কৌশলগতভাবে বড় সুবিধা পাবে।
ইরান ধারাবাহিকভাবে ‘শাহেদ–১৩৬’ একমুখী আক্রমণ ড্রোন এবং স্বল্পপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। বাহরাইন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত পর্যন্ত মার্কিন ঘাঁটি, তেল স্থাপনা ও বেসামরিক ভবন এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর থেকেই এই ড্রোন আক্রমণ জোরদার হয়েছে।
মার্কিন নির্মিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে বলে আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে। তবে এখানে
বড় সমস্যা হলো ব্যয়ের অসামঞ্জস্যতা। প্রায় ২০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের একটি ড্রোন ভূপাতিত করতে প্রায় ৪০ লাখ ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে। ফলে স্বল্পমূল্যের অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত ক্ষয় করার কৌশল সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান হারে হামলা অব্যাহত থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। কাতারের অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণেও একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। গত বছরের সংঘাতের পর ইরানের কাছে আনুমানিক দুই হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল বলে ধারণা করা হয়। তবে ‘শাহেদ’ ড্রোনের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। রাশিয়াও এই ধরনের ড্রোন বিপুল পরিমাণে উৎপাদন করেছে, যা আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের
কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়েছে। এ বছরের শুরু থেকে ইরান এক হাজারের বেশি প্রক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার বড় অংশই ড্রোন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান হয়তো তাদের অধিক বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সামরিক বাহিনী আগাম নির্দেশনার ভিত্তিতে কাজ করছে এবং বেসামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে ঘন ঘন সমন্বয় ছাড়াই অভিযান পরিচালনা করছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই যুদ্ধ এক মাস বা তারও বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, এটি কোনো দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ নয়। যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। রুশ নির্মিত এস–৩০০ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে
হামলা চালানো হয়, যার পর থেকে মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তুলনামূলক বাধাহীনভাবে ইরানের আকাশসীমায় অভিযান চালাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা প্রধানত প্যাট্রিয়ট এবং থাড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে। থাড ক্ষেপণাস্ত্র আরও উন্নত ও দ্রুতগতির হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম, তবে প্রতিটির মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ডলার। এছাড়া যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য উন্নত নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ব্যয়ও তুলনামূলক বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, লেজারভিত্তিক প্রতিরক্ষা, স্বয়ংক্রিয় কামান কিংবা ড্রোনবিরোধী ড্রোনের মতো তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বেশি কার্যকর হতে পারে। ইসরায়েলের উন্নয়নাধীন লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো এই সংঘাতে ব্যবহার করা হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে উভয় পক্ষের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র
দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে এবং তখন অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের প্রথম ৬০ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এটি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যেখানে টিকে থাকার সক্ষমতাই হবে মূল নির্ধারক।
বড় সমস্যা হলো ব্যয়ের অসামঞ্জস্যতা। প্রায় ২০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের একটি ড্রোন ভূপাতিত করতে প্রায় ৪০ লাখ ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে। ফলে স্বল্পমূল্যের অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত ক্ষয় করার কৌশল সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান হারে হামলা অব্যাহত থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। কাতারের অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণেও একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। গত বছরের সংঘাতের পর ইরানের কাছে আনুমানিক দুই হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল বলে ধারণা করা হয়। তবে ‘শাহেদ’ ড্রোনের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। রাশিয়াও এই ধরনের ড্রোন বিপুল পরিমাণে উৎপাদন করেছে, যা আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের
কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়েছে। এ বছরের শুরু থেকে ইরান এক হাজারের বেশি প্রক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার বড় অংশই ড্রোন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান হয়তো তাদের অধিক বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সামরিক বাহিনী আগাম নির্দেশনার ভিত্তিতে কাজ করছে এবং বেসামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে ঘন ঘন সমন্বয় ছাড়াই অভিযান পরিচালনা করছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই যুদ্ধ এক মাস বা তারও বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, এটি কোনো দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ নয়। যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। রুশ নির্মিত এস–৩০০ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে
হামলা চালানো হয়, যার পর থেকে মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তুলনামূলক বাধাহীনভাবে ইরানের আকাশসীমায় অভিযান চালাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা প্রধানত প্যাট্রিয়ট এবং থাড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে। থাড ক্ষেপণাস্ত্র আরও উন্নত ও দ্রুতগতির হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম, তবে প্রতিটির মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ডলার। এছাড়া যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য উন্নত নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ব্যয়ও তুলনামূলক বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, লেজারভিত্তিক প্রতিরক্ষা, স্বয়ংক্রিয় কামান কিংবা ড্রোনবিরোধী ড্রোনের মতো তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বেশি কার্যকর হতে পারে। ইসরায়েলের উন্নয়নাধীন লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো এই সংঘাতে ব্যবহার করা হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে উভয় পক্ষের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র
দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে এবং তখন অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের প্রথম ৬০ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এটি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যেখানে টিকে থাকার সক্ষমতাই হবে মূল নির্ধারক।



