ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা
ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা
বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
খালেদ মুহিউদ্দীন: ক্ষমতায় গিয়ে ইউনূসও অন্য রাজনীতিবিদদের ধারা অনুসরণ করলেন
ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি (Agreement on Reciprocal Trade) নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আজ সফররত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুরের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী চুক্তিটিকে ‘অপরিবর্তনীয়’ বলে মনে না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এতে প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “কোনো চুক্তিই চূড়ান্ত নয়। প্রতিটি চুক্তিতে সংশোধন ও পুনরায় আলোচনার সুযোগ থাকে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আলোচনা করে বাণিজ্যচুক্তিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব।” তিনি আরও যোগ করেন, চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বৈঠকে পৃথক কোনো আলোচনা হয়নি। চুক্তিটি ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি। ফলে এ নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই। চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে দুই পক্ষেরই কিছু দাবি থাকে। কিছু ধারা এক পক্ষের অনুকূলে থাকে, আবার কিছু অন্য পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়। আলোচনার মাধ্যমে উইন-উইন পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়।বাংলাদেশি সংস্কৃতি মন্ত্রী আরও বলেন, এই চুক্তিকে এখনই পুরোপুরি নেতিবাচক বা ইতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে
এর অনেক ধারা কাজে লাগানো যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের ট্যারিফসংক্রান্ত রায়ের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বিষয়টি এখনো বিকাশমান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি নিয়ে আলাদা কোনো আলোচনা হয়নি বলে মন্ত্রী জানান। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় বাণিজ্য ও সামরিক বিষয়সংক্রান্ত কিছু উল্লেখ থাকলেও, তা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। সামরিক বিষয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নয়। এই বৈঠক পল কাপুরের ঢাকা সফরের অংশ, যা নতুন সরকার গঠনের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রথম উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন।
সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বৈঠকে পৃথক কোনো আলোচনা হয়নি। চুক্তিটি ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি। ফলে এ নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই। চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে দুই পক্ষেরই কিছু দাবি থাকে। কিছু ধারা এক পক্ষের অনুকূলে থাকে, আবার কিছু অন্য পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়। আলোচনার মাধ্যমে উইন-উইন পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়।বাংলাদেশি সংস্কৃতি মন্ত্রী আরও বলেন, এই চুক্তিকে এখনই পুরোপুরি নেতিবাচক বা ইতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে
এর অনেক ধারা কাজে লাগানো যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের ট্যারিফসংক্রান্ত রায়ের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বিষয়টি এখনো বিকাশমান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি নিয়ে আলাদা কোনো আলোচনা হয়নি বলে মন্ত্রী জানান। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় বাণিজ্য ও সামরিক বিষয়সংক্রান্ত কিছু উল্লেখ থাকলেও, তা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। সামরিক বিষয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নয়। এই বৈঠক পল কাপুরের ঢাকা সফরের অংশ, যা নতুন সরকার গঠনের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রথম উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন।
সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।



