ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা
ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক
ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
খালেদ মুহিউদ্দীন: ক্ষমতায় গিয়ে ইউনূসও অন্য রাজনীতিবিদদের ধারা অনুসরণ করলেন
বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেছেন। এই পদত্যাগ ঘটে ঠিক সেই সময়, যখন সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাবেক উপদেষ্টাদের একটি ইফতার ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।ইউনূস জীবনী
সেই ইফতার ও নৈশভোজে থাকা গভর্নর আনসান এইচ মুনসুরকেও তার দুদিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়।
এসব ঘটনার পরপরই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বিএনপির হস্তক্ষেপে ঘটছে বলে আওয়াজ তুলতে শুরু করেছে মার্কিনপন্থী হিসেবে পরিচিত নাগরিক সমাজ।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান পদত্যাগের ঘটনা “হতাশাজনক” বলে মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ)
রাতে তিনি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, “দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ হতাশাজনক হলেও তা অপ্রত্যাশিত নয়। দেশের রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সংস্থাগুলোকে পছন্দের নেতৃত্বের আওতায় রাখার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। দুদকের মতো প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত রাখার বাস্তব অনুশীলন এখনও ক্ষমতার কাঠামোর কাছে অগ্রহণযোগ্য।” তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, স্বল্পমেয়াদী সুবিধার জন্য এমন প্রভাব ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল আত্মঘাতী হতে পারে। লেখক জিয়া হাসান তার ফেসবুকে লিখেছেন, বিএনপি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস্ব করে ফেলছে। পদত্যাগের সময়টি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও তার আশেপাশের উপদেষ্টা দলে থাকা সদস্যদের একটি ইফতার ও নৈশভোজে অংশগ্রহণ, সাংবাদিকদের সামনে পুনর্মিলন এবং “কিচেন কেবিনেট”
নিয়ে প্রকাশিত অভিযোগ—এই সব মিলিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন পদত্যাগ কেবল প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবও থাকতে পারে।সরকারি নীতি সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে সরকারপ্রধানের আস্থাভাজন কয়েকজন সদস্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেন একটি অনানুষ্ঠানিক “কিচেন কেবিনেটে”, যা সব সদস্যের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন: সাবেক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এরমধ্যে নেপালে যাওয়ার পথে সাবেক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র স্বাভাবিক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেও সেটাকে ‘হাসিনা আমলের মতো নিপীড়ন’ বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে মার্কিন ও ডানপন্থী গণমাধ্যম
দৈনিক আমার দেশ। এদিকে দুদক বা সংশ্লিষ্ট কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কারণ জানাননি। সরকারও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিদায়ী সরকারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিছু ব্যক্তির ওপর প্রকাশ্য পুনর্মিলন ও অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া বিষয়ক বিতর্ক এই পদত্যাগকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ড. ইফতেখারুজ্জামান সতর্ক করে বলেন, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং দুদকের স্বাধীনতা কতটা বজায় রাখা হচ্ছে, তা আগামী সময়ে বিচার করা হবে।
রাতে তিনি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, “দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ হতাশাজনক হলেও তা অপ্রত্যাশিত নয়। দেশের রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সংস্থাগুলোকে পছন্দের নেতৃত্বের আওতায় রাখার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। দুদকের মতো প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত রাখার বাস্তব অনুশীলন এখনও ক্ষমতার কাঠামোর কাছে অগ্রহণযোগ্য।” তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, স্বল্পমেয়াদী সুবিধার জন্য এমন প্রভাব ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল আত্মঘাতী হতে পারে। লেখক জিয়া হাসান তার ফেসবুকে লিখেছেন, বিএনপি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস্ব করে ফেলছে। পদত্যাগের সময়টি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও তার আশেপাশের উপদেষ্টা দলে থাকা সদস্যদের একটি ইফতার ও নৈশভোজে অংশগ্রহণ, সাংবাদিকদের সামনে পুনর্মিলন এবং “কিচেন কেবিনেট”
নিয়ে প্রকাশিত অভিযোগ—এই সব মিলিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন পদত্যাগ কেবল প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবও থাকতে পারে।সরকারি নীতি সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে সরকারপ্রধানের আস্থাভাজন কয়েকজন সদস্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেন একটি অনানুষ্ঠানিক “কিচেন কেবিনেটে”, যা সব সদস্যের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন: সাবেক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এরমধ্যে নেপালে যাওয়ার পথে সাবেক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র স্বাভাবিক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেও সেটাকে ‘হাসিনা আমলের মতো নিপীড়ন’ বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে মার্কিন ও ডানপন্থী গণমাধ্যম
দৈনিক আমার দেশ। এদিকে দুদক বা সংশ্লিষ্ট কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কারণ জানাননি। সরকারও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিদায়ী সরকারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিছু ব্যক্তির ওপর প্রকাশ্য পুনর্মিলন ও অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া বিষয়ক বিতর্ক এই পদত্যাগকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ড. ইফতেখারুজ্জামান সতর্ক করে বলেন, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং দুদকের স্বাধীনতা কতটা বজায় রাখা হচ্ছে, তা আগামী সময়ে বিচার করা হবে।



