ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানে নতুন সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত: খামেনিপুত্র মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করলেন
ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: পোশাক রপ্তানিতে নতুন চাপ, ঝুঁকিতে এয়ারকার্গো
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছে: ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলা অব্যাহত, মৃতের সংখ্যা ৭৮৭; হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী ভোজনই আনলো বিপদ: দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’
ইরানকে সমর্থন জানাল চীন
ইরানকে সতর্ক করলেন পাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী: এতেই নাকি সৌদি-ওমানে কম হামলা করেছে ইরান!
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে পাকিস্তান তার কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার গতকাল (৩ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি ইরানের সৌদি আরবের প্রতি ‘সীমিত’ প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় এটিকে কম আক্রমণাত্মক বলে উল্লেখ করেছেন।রাজনৈতিক সংবাদ
মন্ত্রী দার বলেন, “যেমন সবাই জানেন, আমাদের সৌদি আরবের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। আমি বারবার বলেছি, ইরান আক্রান্ত হয়েছে, তারা আগ্রাসী নয়। তবে আমরা ইরানকে অনুরোধ করছি যেন এই চুক্তির কথা মনে রাখেন। এরপরও বলতে চাই,
সৌদি আরবের প্রতি ইরানের সীমিত প্রতিক্রিয়ার আমরা প্রশংসা করি, অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় এটি অনেক কম।”পাকিস্তান ও সৌদি আরব ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রিয়াদে Strategic Mutual Defence Agreement (SMDA) স্বাক্ষর করে। এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, যেকোনো এক দেশের ওপর আগ্রাসনকে অন্য দেশের ওপর আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে। এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে এবং যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গঠিত। চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে (সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জর্ডানসহ) প্রতিশোধমূলক ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলা হয়েছে, যাতে সীমিত ক্ষতি হয়।
পাকিস্তান এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং সৌদি আরবসহ ভাই দেশগুলোর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দার জানান, যুদ্ধ শুরুর সময় তিনি সৌদি আরবে ছিলেন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ‘শাটল কূটনীতি’ চালিয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আশ্বাস পৌঁছে দেন যে, সৌদি ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। এর ফলে ইরানের হামলা সৌদি আরব ও ওমানে অনেক কম বা নগণ্য হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। পাকিস্তান সরকার প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে নিন্দা করেছে এবং ইরানের ওপর আক্রমণের সময় কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিক্রিয়াকেও সংযত থাকার অনুরোধ করেছে। এই অবস্থান পাকিস্তানের জটিল ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানকে
প্রতিফলিত করে—ইরানের সঙ্গে ভৌগোলিক সীমান্ত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সৌদি আরবের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান এই সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবদান রাখার চেষ্টা করছে। তবে চুক্তির কারণে সৌদি আরবের ওপর যেকোনো বড় হামলা পাকিস্তানকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি করতে পারে। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।এই সংকটে পাকিস্তান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি অধিবেশনের দাবি জানিয়েছে এবং ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতি ইরানের সীমিত প্রতিক্রিয়ার আমরা প্রশংসা করি, অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় এটি অনেক কম।”পাকিস্তান ও সৌদি আরব ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রিয়াদে Strategic Mutual Defence Agreement (SMDA) স্বাক্ষর করে। এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, যেকোনো এক দেশের ওপর আগ্রাসনকে অন্য দেশের ওপর আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে। এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে এবং যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গঠিত। চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে (সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জর্ডানসহ) প্রতিশোধমূলক ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলা হয়েছে, যাতে সীমিত ক্ষতি হয়।
পাকিস্তান এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং সৌদি আরবসহ ভাই দেশগুলোর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দার জানান, যুদ্ধ শুরুর সময় তিনি সৌদি আরবে ছিলেন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ‘শাটল কূটনীতি’ চালিয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আশ্বাস পৌঁছে দেন যে, সৌদি ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। এর ফলে ইরানের হামলা সৌদি আরব ও ওমানে অনেক কম বা নগণ্য হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। পাকিস্তান সরকার প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে নিন্দা করেছে এবং ইরানের ওপর আক্রমণের সময় কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিক্রিয়াকেও সংযত থাকার অনুরোধ করেছে। এই অবস্থান পাকিস্তানের জটিল ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানকে
প্রতিফলিত করে—ইরানের সঙ্গে ভৌগোলিক সীমান্ত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সৌদি আরবের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান এই সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবদান রাখার চেষ্টা করছে। তবে চুক্তির কারণে সৌদি আরবের ওপর যেকোনো বড় হামলা পাকিস্তানকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি করতে পারে। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।এই সংকটে পাকিস্তান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি অধিবেশনের দাবি জানিয়েছে এবং ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে।



