ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: পোশাক রপ্তানিতে নতুন চাপ, ঝুঁকিতে এয়ারকার্গো
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী ভোজনই আনলো বিপদ: দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’
ইরানকে সমর্থন জানাল চীন
সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তি
সংঘাতে জড়াতে চায় না যুক্তরাজ্য, চটলেন ট্রাম্প
ইসরায়েলে আবারও হামলা, সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছে: ইরানে ইসরায়েল-মার্কিন হামলা অব্যাহত, মৃতের সংখ্যা ৭৮৭; হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানের চতুর্থ দিনে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে একযোগে বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা (IRIB) ভবন ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ইরানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮৭ জনে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরান ও বৈরুতের উপর একযোগে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে, যাতে ইরানের সামরিক স্থাপনা এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী, যা সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর অংশ বলে দাবি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক অভিযান
(অপারেশন এপিক ফিউরি) প্রায় চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানের মিসাইল ও পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে যা যা দরকার তাই করবে। ট্রাম্পের মতে, এটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ নয়, বরং দ্রুত ও নির্ণায়ক হবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও বলেছেন, এই অভিযান বছরের পর বছর চলবে না। ইরানের প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়েছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে শক্তি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের দাম তীব্রভাবে বেড়েছে। কাতারের রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি দুটি স্থাপনায় হামলার পর এলএনজি উৎপাদন সম্পূর্ণ স্থগিত করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) ঘোষণা করেছে যে, বিশ্বের তেল খরচের এক-পঞ্চমাংশ প্রবাহিত হয় এমন হরমুজ প্রণালী এখন “বন্ধ”। তারা
সতর্ক করে দিয়েছে, প্রণালী দিয়ে যেকোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তা আক্রমণ করা হবে এবং জাহাজগুলোকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে। এই ঘোষণায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, এবং অনেক জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম জেরুসালেম, তেল আবিব ও ইলাতের উপর মিসাইল আটকানো হয়েছে। শনিবার থেকে ইসরায়েলে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। এদিকে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলা হয়েছে, যাতে সীমিত আগুন লাগে এবং সামান্য ক্ষতি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরব ও কুয়েতে দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মকর্তাদের সরিয়ে
নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই যুদ্ধ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার পর শুরু হয়েছে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মিসাইল সক্ষমতা ও প্রক্সি গ্রুপগুলোকে নির্মূল করা, যা অনেক বিশ্লেষক রেজিম চেঞ্জের দিকে ইঙ্গিত করে। বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব ইতিমধ্যে স্পষ্ট—তেলের দামের তীব্র উত্থান, শিপিং বিঘ্নিত এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংঘাতের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে, কিন্তু পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
(অপারেশন এপিক ফিউরি) প্রায় চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানের মিসাইল ও পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে যা যা দরকার তাই করবে। ট্রাম্পের মতে, এটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ নয়, বরং দ্রুত ও নির্ণায়ক হবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও বলেছেন, এই অভিযান বছরের পর বছর চলবে না। ইরানের প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়েছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে শক্তি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের দাম তীব্রভাবে বেড়েছে। কাতারের রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি দুটি স্থাপনায় হামলার পর এলএনজি উৎপাদন সম্পূর্ণ স্থগিত করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) ঘোষণা করেছে যে, বিশ্বের তেল খরচের এক-পঞ্চমাংশ প্রবাহিত হয় এমন হরমুজ প্রণালী এখন “বন্ধ”। তারা
সতর্ক করে দিয়েছে, প্রণালী দিয়ে যেকোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তা আক্রমণ করা হবে এবং জাহাজগুলোকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে। এই ঘোষণায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, এবং অনেক জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম জেরুসালেম, তেল আবিব ও ইলাতের উপর মিসাইল আটকানো হয়েছে। শনিবার থেকে ইসরায়েলে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। এদিকে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলা হয়েছে, যাতে সীমিত আগুন লাগে এবং সামান্য ক্ষতি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরব ও কুয়েতে দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মকর্তাদের সরিয়ে
নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই যুদ্ধ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার পর শুরু হয়েছে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মিসাইল সক্ষমতা ও প্রক্সি গ্রুপগুলোকে নির্মূল করা, যা অনেক বিশ্লেষক রেজিম চেঞ্জের দিকে ইঙ্গিত করে। বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব ইতিমধ্যে স্পষ্ট—তেলের দামের তীব্র উত্থান, শিপিং বিঘ্নিত এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংঘাতের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে, কিন্তু পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।



