ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা
অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর
গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে দেশের শিক্ষাঙ্গন চরম অরাজকতা, প্রতিহিংসা, মব সন্ত্রাস ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। তারা একাডেমিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য নতুন সরকারের কাছে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. অহিদুজ্জামানসহ বক্তারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা মহান স্বাধীনতার মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, ত্রিশ লক্ষ শহীদ, সম্ভ্রমহানি দুই লক্ষ মা-বোন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে ভারতসহ রাশিয়া ও অন্যান্য
বন্ধু রাষ্ট্রের ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ রাজনীতি ও টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রসহ গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর গঠনমূলক ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। বক্তারা বলেন, গত ১৮ মাসে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার, সাময়িক ও স্থায়ী বহিষ্কার, একাডেমিক বয়কট, পদাবনমন, বাধ্যতামূলক অবসর এবং প্রশাসনিক পদ থেকে অপসারণের অভিযোগ উঠেছে। অসংখ্য শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল, ডিগ্রিপ্রাপ্তদের সনদ বাতিল, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতি এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা ঘটেছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধও একই সময়ে ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নতুন সরকারের কাছে ১৪ দফা দাবি
উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ১। বহিষ্কৃত শিক্ষকদের দ্রুত বহিষ্কারাদেশ ও সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে হবে। ২। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ৩। কারাবন্দি শিক্ষক, সাংবাদিক, ডাক্তার, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রকৌশলী পেশাজীবী সকলকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ৪। মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষকদের একাডেমিক কার্যক্রমসহ সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার ও তাদের বিরুদ্ধে তথাকথিত তদন্ত পরিচালনার আদেশ প্রত্যাহার এবং একাডেমিক বয়কট প্রত্যাহার করতে হবে। ৫। পদ অবনমন, বাধ্যতামূলক অবসর আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং একাডেমিক পদোন্নতি বঞ্চনা অবসান করতে হবে। ৬। বেআইনীভাবে প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা পদত্যাগে বাধ্য শিক্ষকদের স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে। ৮। শিক্ষকদের বন্ধ রাখা বেতন ভাতা বকেয়াসহ
চালু করতে হবে। ৯। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, মব সন্ত্রাসের কারণে শ্রেণি কক্ষের বাইরে থাকা হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের অতিদ্রুত শ্রেণি কক্ষে ফেরাতে হবে। ১০। ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট বাতিল আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। ১১। বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে। ১২। সাংবাদিক, ডাক্তার, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ চাকরিচ্যুত পেশাজীবীদের পুনর্বহাল করতে হবে। সেই সাথে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল করতে হবে। ১৩। সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়(স্কুল, ইফতেদায়ী মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন,..) থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যে সকল অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল, তাদেরকে চাকরিতে পুনঃনিয়োগ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ১৪। শিল্প-কলকারখানা থেকে চাকরিচ্যুত হওয়া সকল শ্রমিককে কাজে পুনর্বহাল করতে
হবে। ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে হবে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা জনচেতনার ভিত্তি এবং রাষ্ট্রের পবিত্র প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাঙ্গনে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশা প্রকাশ করেন। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান (সভাপতি) অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক সমিতি। অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (সহসভাপতি, সাবেক মহাপরিচালক, পি আই বি; অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, সাংবাদিকতা) অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন (আহ্বায়ক, নীল দল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড.ম. মনিরুজ্জামান শাহিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুর
রহমান (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. শবনম জাহান(কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আক্তার(কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন (অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, JNU অধ্যাপক কামরুন নাহার লিপি, JNU মো: বাদশা মিয়া (সহযোগী অধ্যাপক, NSTU) জাকিয়া সুলতানা মুক্তা (সহযোগী অধ্যাপক, গোপালগঞ্জ) জয়নব বিনতে হোসেন (সহকারী অধ্যাপক, গোপালগঞ্জ) ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (সহযোগী অধ্যাপক, কুমিল্লা) বেদার উদ্দিন আহমেদ, অধ্যক্ষ, সিটি কলেজ, ঢাকা আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদার, অধ্যক্ষ, সুযাপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজ শরীফ আহমেদ সাদী, অধ্যক্ষ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর কলেজ, কিশোরগঞ্জ মো: নাজিমুদ্দিন, উপাধ্যক্ষ, হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ
বন্ধু রাষ্ট্রের ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ রাজনীতি ও টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রসহ গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর গঠনমূলক ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। বক্তারা বলেন, গত ১৮ মাসে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার, সাময়িক ও স্থায়ী বহিষ্কার, একাডেমিক বয়কট, পদাবনমন, বাধ্যতামূলক অবসর এবং প্রশাসনিক পদ থেকে অপসারণের অভিযোগ উঠেছে। অসংখ্য শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল, ডিগ্রিপ্রাপ্তদের সনদ বাতিল, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতি এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা ঘটেছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধও একই সময়ে ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নতুন সরকারের কাছে ১৪ দফা দাবি
উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ১। বহিষ্কৃত শিক্ষকদের দ্রুত বহিষ্কারাদেশ ও সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে হবে। ২। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ৩। কারাবন্দি শিক্ষক, সাংবাদিক, ডাক্তার, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রকৌশলী পেশাজীবী সকলকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ৪। মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষকদের একাডেমিক কার্যক্রমসহ সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার ও তাদের বিরুদ্ধে তথাকথিত তদন্ত পরিচালনার আদেশ প্রত্যাহার এবং একাডেমিক বয়কট প্রত্যাহার করতে হবে। ৫। পদ অবনমন, বাধ্যতামূলক অবসর আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং একাডেমিক পদোন্নতি বঞ্চনা অবসান করতে হবে। ৬। বেআইনীভাবে প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা পদত্যাগে বাধ্য শিক্ষকদের স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে। ৮। শিক্ষকদের বন্ধ রাখা বেতন ভাতা বকেয়াসহ
চালু করতে হবে। ৯। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, মব সন্ত্রাসের কারণে শ্রেণি কক্ষের বাইরে থাকা হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের অতিদ্রুত শ্রেণি কক্ষে ফেরাতে হবে। ১০। ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট বাতিল আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। ১১। বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে। ১২। সাংবাদিক, ডাক্তার, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ চাকরিচ্যুত পেশাজীবীদের পুনর্বহাল করতে হবে। সেই সাথে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল করতে হবে। ১৩। সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়(স্কুল, ইফতেদায়ী মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন,..) থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যে সকল অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল, তাদেরকে চাকরিতে পুনঃনিয়োগ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ১৪। শিল্প-কলকারখানা থেকে চাকরিচ্যুত হওয়া সকল শ্রমিককে কাজে পুনর্বহাল করতে
হবে। ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে হবে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা জনচেতনার ভিত্তি এবং রাষ্ট্রের পবিত্র প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাঙ্গনে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশা প্রকাশ করেন। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান (সভাপতি) অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক সমিতি। অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (সহসভাপতি, সাবেক মহাপরিচালক, পি আই বি; অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, সাংবাদিকতা) অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন (আহ্বায়ক, নীল দল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড.ম. মনিরুজ্জামান শাহিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুর
রহমান (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. শবনম জাহান(কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আক্তার(কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী (কো-কনভেনর, নীল দল) অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন (অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, JNU অধ্যাপক কামরুন নাহার লিপি, JNU মো: বাদশা মিয়া (সহযোগী অধ্যাপক, NSTU) জাকিয়া সুলতানা মুক্তা (সহযোগী অধ্যাপক, গোপালগঞ্জ) জয়নব বিনতে হোসেন (সহকারী অধ্যাপক, গোপালগঞ্জ) ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (সহযোগী অধ্যাপক, কুমিল্লা) বেদার উদ্দিন আহমেদ, অধ্যক্ষ, সিটি কলেজ, ঢাকা আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদার, অধ্যক্ষ, সুযাপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজ শরীফ আহমেদ সাদী, অধ্যক্ষ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর কলেজ, কিশোরগঞ্জ মো: নাজিমুদ্দিন, উপাধ্যক্ষ, হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ



