ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ
দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে
‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউনুস সরকারের স্বাক্ষরিত রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বাণিজ্য চুক্তিকে ‘চরম বৈষম্যমূলক’ ও ‘অন্যায্য’ আখ্যা দিয়ে এটি অবিলম্বে বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে জাপানের সঙ্গে সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাক্ষরিত ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) চুক্তি দেশের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে পারে বলে অভিযোগ তুলে এটি পুনর্বিবেচনার দাবি করেছে সংস্থাটি।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের নীতি-কৌশল এবং করণীয় নিয়ে এসব মতামত তুলে ধরে সিপিডি।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য রাখেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ড. মোয়াজ্জেম বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী
সরকারের শেষ দিকে (ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ চুক্তি অত্যন্ত বৈষম্যমূলক। এতে বাংলাদেশকে মার্কিন পণ্যের ওপর ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করতে পারবে। চুক্তিতে আমদানি লাইসেন্সিং, টেকনিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড, ডিজিটাল ট্রেড, এসপিএস (স্যানিটারি অ্যান্ড ফাইটোস্যানিটারি) মেজার্স, টিবিটি (টেকনিক্যাল ব্যারিয়ার্স টু ট্রেড) ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ওপর একতরফা বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। সম্পর্কিত খবরঃ মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত: শ্রমিকের হাতে কারখানা ও মালিকদের জিম্মি করার বন্দোবস্ত! তিনি আরও বলেন, “অনির্বাচিত ইউনুস সরকার এমন একটি চুক্তি করে গেছে যা নির্বাচিত সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়েছে। এতে আমি হতভম্ব ও স্তম্ভিত।
এ ধরনের চুক্তি দেশের অর্থনৈতিক নীতি স্বাধীনতা খর্ব করবে, তৃতীয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করার ক্ষমতা সীমিত করবে এবং মসৃণ রূপান্তর কৌশল (Smooth Transition Strategy) বাস্তবায়নে বড় জটিলতা সৃষ্টি করবে।” সম্পর্কিত খবরঃ শেখ হাসিনা মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি এড়িয়ে দেশের স্বার্থরক্ষা করলেও বাণিজ্য চুক্তির নামে সবই মেনে নিলেন ইউনূস সিপিডির গবেষণায় দেখা গেছে, চুক্তিতে বাংলাদেশকে ‘নন-মার্কেট’ দেশগুলোর (যেমন চীন, রাশিয়া) সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের বাণিজ্য চুক্তি না করার শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় একতরফা। ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স আরোপে বাধা, ইলেকট্রনিক ট্রান্সমিশনে শুল্ক না দেওয়া এবং ডেটা ফ্লোর স্বাধীনতা ইত্যাদি ধারা বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও রাজস্ব আহরণের সুযোগ কমিয়ে দেবে। সম্পর্কিত খবরঃ মার্কিন চুক্তি পর্যালোচনায় বিসিআই:
একপাক্ষিক এই চুক্তিতে রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ অন্যদিকে, লুৎফে সিদ্দিকী ও আশিক চৌধুরীর নেতৃত্বে জাপানের সঙ্গে ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬-এ স্বাক্ষরিত ইপিএ চুক্তি বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর (Energy Transition) প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে সিপিডি মনে করে। এ চুক্তিতে জাপানি পণ্যের ওপর শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও বিকল্প জ্বালানি রূপান্তরকে ধীরগতির করতে পারে। সিপিডি এ চুক্তির বিস্তারিত পর্যালোচনা ও প্রয়োজনে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। ড. মোয়াজ্জেম বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করা হয়েছে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নতুন সরকারকে এসব চুক্তি পুনর্বিবেচনা করে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।” সিপিডি
সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় কর ব্যবস্থায় সংস্কার, এফডিআই আকর্ষণে নীতি পরিবর্তন, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে। এ ঘটনায় অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকার এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে তদন্ত ও পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সরকারের শেষ দিকে (ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ চুক্তি অত্যন্ত বৈষম্যমূলক। এতে বাংলাদেশকে মার্কিন পণ্যের ওপর ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করতে পারবে। চুক্তিতে আমদানি লাইসেন্সিং, টেকনিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড, ডিজিটাল ট্রেড, এসপিএস (স্যানিটারি অ্যান্ড ফাইটোস্যানিটারি) মেজার্স, টিবিটি (টেকনিক্যাল ব্যারিয়ার্স টু ট্রেড) ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ওপর একতরফা বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। সম্পর্কিত খবরঃ মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত: শ্রমিকের হাতে কারখানা ও মালিকদের জিম্মি করার বন্দোবস্ত! তিনি আরও বলেন, “অনির্বাচিত ইউনুস সরকার এমন একটি চুক্তি করে গেছে যা নির্বাচিত সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়েছে। এতে আমি হতভম্ব ও স্তম্ভিত।
এ ধরনের চুক্তি দেশের অর্থনৈতিক নীতি স্বাধীনতা খর্ব করবে, তৃতীয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করার ক্ষমতা সীমিত করবে এবং মসৃণ রূপান্তর কৌশল (Smooth Transition Strategy) বাস্তবায়নে বড় জটিলতা সৃষ্টি করবে।” সম্পর্কিত খবরঃ শেখ হাসিনা মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি এড়িয়ে দেশের স্বার্থরক্ষা করলেও বাণিজ্য চুক্তির নামে সবই মেনে নিলেন ইউনূস সিপিডির গবেষণায় দেখা গেছে, চুক্তিতে বাংলাদেশকে ‘নন-মার্কেট’ দেশগুলোর (যেমন চীন, রাশিয়া) সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের বাণিজ্য চুক্তি না করার শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় একতরফা। ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স আরোপে বাধা, ইলেকট্রনিক ট্রান্সমিশনে শুল্ক না দেওয়া এবং ডেটা ফ্লোর স্বাধীনতা ইত্যাদি ধারা বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও রাজস্ব আহরণের সুযোগ কমিয়ে দেবে। সম্পর্কিত খবরঃ মার্কিন চুক্তি পর্যালোচনায় বিসিআই:
একপাক্ষিক এই চুক্তিতে রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ অন্যদিকে, লুৎফে সিদ্দিকী ও আশিক চৌধুরীর নেতৃত্বে জাপানের সঙ্গে ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬-এ স্বাক্ষরিত ইপিএ চুক্তি বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তর (Energy Transition) প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে সিপিডি মনে করে। এ চুক্তিতে জাপানি পণ্যের ওপর শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও বিকল্প জ্বালানি রূপান্তরকে ধীরগতির করতে পারে। সিপিডি এ চুক্তির বিস্তারিত পর্যালোচনা ও প্রয়োজনে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। ড. মোয়াজ্জেম বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করা হয়েছে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নতুন সরকারকে এসব চুক্তি পুনর্বিবেচনা করে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।” সিপিডি
সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় কর ব্যবস্থায় সংস্কার, এফডিআই আকর্ষণে নীতি পরিবর্তন, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে। এ ঘটনায় অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকার এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে তদন্ত ও পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।



