ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে ছুরিকাঘাতে ৪ জন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চাজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। খবর এবিসি নিউজের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাকোমার উত্তর-পশ্চিমে কী পেনিনসুলা এলাকায় একটি বাড়ির বাইরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা অফিস জানায়, সকাল ৮টা ৪১ মিনিটের দিকে তারা খবর পায় এবং ঘটনাস্থলে রওনা হয়।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কিন্তু কর্মকর্তারা পৌঁছানোর আগেই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই ব্যক্তি বাড়ির বাইরে কয়েকজনের ওপর ছুরিকাঘাত শুরু করেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা হামলার দৃশ্য দেখেন। প্রথম ডেপুটি পৌঁছাতে প্রায় তিন মিনিট সময় লাগে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ভিডিও বিবৃতি অনুযায়ী,
সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে গুলি চালানো হয় এবং ঘটনাস্থলেই সন্দেহভাজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ছুরিকাঘাতে তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরেকজনকে হাসপাতালে নেওয়র পরে মারা যান। ঘটনার তদন্ত করছে পিয়ার্স কাউন্টি ফোর্স ইনভেস্টিগেশন টিম। যে বাড়ির সামনে হামলার ঘটনা ঘটেছে সেটি এমন এক নারীর বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি তার ছেলের বিরুদ্ধে এক বছরের সুরক্ষা আদেশের আবেদন করেছিলেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ করেন তার ছেলে তাকে হুমকি দিতেন এবং মাদকাসক্তির সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ছেলে তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করেছেন এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নষ্ট করেছেন। এখনো পর্যন্ত সন্দেহভাজন ও নিহতদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে গুলি চালানো হয় এবং ঘটনাস্থলেই সন্দেহভাজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ছুরিকাঘাতে তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরেকজনকে হাসপাতালে নেওয়র পরে মারা যান। ঘটনার তদন্ত করছে পিয়ার্স কাউন্টি ফোর্স ইনভেস্টিগেশন টিম। যে বাড়ির সামনে হামলার ঘটনা ঘটেছে সেটি এমন এক নারীর বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি তার ছেলের বিরুদ্ধে এক বছরের সুরক্ষা আদেশের আবেদন করেছিলেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ করেন তার ছেলে তাকে হুমকি দিতেন এবং মাদকাসক্তির সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ছেলে তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করেছেন এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নষ্ট করেছেন। এখনো পর্যন্ত সন্দেহভাজন ও নিহতদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।



