ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারখানা বন্ধের মিছিল বাড়ছেঃ ক্রুড ওয়েল সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি
ধানমন্ডিতে আদি-চিরায়ত রূপে ফিরল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’- হাজারো বাঙালির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপন
সাগরে ইলিশের প্রাচুর্য হলেও সাধারণের নাগালের বাইরে: গত বছরের চেয়ে দাম বেড়েছে ১৫%
১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার-পুলিশ মুখোমুখি: ‘শিবির ট্রেনিংপ্রাপ্ত’ ক্যাডারদের আনসার বাহিনীতে ঢুকে পড়ার অভিযোগ
জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে আনসার ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিযোগ, আনসারের ভেতরে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিবির-সম্পৃক্ত একটি অংশ পরিকল্পিতভাবে কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জরুরি বৈঠকে বসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, রাজধানীর বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে পুলিশের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আনসারের সহযোগিতায় জামায়াতের লোকজন কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেছে। এতে ভোটকেন্দ্রের নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এক দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা চোখের সামনে দেখেছি কেন্দ্রের গেটেই পুলিশ থাকা সত্ত্বেও আনসারের কিছু সদস্য জামায়াতের লোকজনকে ভেতরে ঢুকতে সহায়তা করেছে। এটা শুধু
শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়, সরাসরি আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি। পুলিশের দাবি, এই সংকট হঠাৎ তৈরি হয়নি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আনসারের একটি অংশের ভেতরে শিবিরপন্থী কর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিকভাবে ঢুকে পড়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং নির্বাচনের দিনগুলোতে কেন্দ্রভিত্তিক দায়িত্বে অবস্থান নিয়েছে। ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এটা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একই ধরনের রিপোর্ট আসছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যেই রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। ভুয়া সনদ ও অর্থের বিনিময়ে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি ডিউটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই অনিয়মের সঙ্গে বিএনপির কিছু কর্মী জড়িত
থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু হয়েছে। একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মনে করেন, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর ভেতরে যদি রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটে, তাহলে নির্বাচন শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, তা সহিংসতার দিকেও যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়হীনতা ও পারস্পরিক অবিশ্বাস নির্বাচনের সামগ্রিক নিরাপত্তাকে বড় ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলেও তিনি সতর্ক করেন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে এই অস্থিরতা ও অনিয়ম নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত কঠোর সিদ্ধান্ত না এলে নির্বাচন ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কাই এখন মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা।
শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়, সরাসরি আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি। পুলিশের দাবি, এই সংকট হঠাৎ তৈরি হয়নি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আনসারের একটি অংশের ভেতরে শিবিরপন্থী কর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিকভাবে ঢুকে পড়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং নির্বাচনের দিনগুলোতে কেন্দ্রভিত্তিক দায়িত্বে অবস্থান নিয়েছে। ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এটা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একই ধরনের রিপোর্ট আসছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যেই রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। ভুয়া সনদ ও অর্থের বিনিময়ে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি ডিউটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই অনিয়মের সঙ্গে বিএনপির কিছু কর্মী জড়িত
থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু হয়েছে। একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মনে করেন, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর ভেতরে যদি রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটে, তাহলে নির্বাচন শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, তা সহিংসতার দিকেও যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়হীনতা ও পারস্পরিক অবিশ্বাস নির্বাচনের সামগ্রিক নিরাপত্তাকে বড় ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলেও তিনি সতর্ক করেন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে এই অস্থিরতা ও অনিয়ম নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত কঠোর সিদ্ধান্ত না এলে নির্বাচন ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কাই এখন মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা।



