শেষবেলা ইউনূসের হরিলুট, একের পর এক দেশবিক্রির চুক্তি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৭:২০ পূর্বাহ্ণ

শেষবেলা ইউনূসের হরিলুট, একের পর এক দেশবিক্রির চুক্তি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৭:২০ 9 ভিউ
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন বাকি থাকতেই অন্তর্বর্তী সরকারের একের পর এক বড় প্রকল্প অনুমোদন ও আন্তর্জাতিক চুক্তি সইয়ের বিষয়গুলো নিয়ে এখন দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সাধারণত তফসিল ঘোষণার পর বিদায়ী সরকারের কর্মকাণ্ড রুটিন কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও গত ২৫ দিনে প্রায় এক লাখ সাত হাজার কোটি টাকার ৬৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশই সম্পূর্ণ নতুন। সরকারের দেড় বছরের শাসনামলে সব মিলিয়ে অনুমোদিত প্রকল্পের ব্যয় দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এসব বিশাল ব্যয় ও প্রকল্প থেকে বড় ধরনের লুটপাটের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা। অনেকের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এমন তোড়জোড় কেবল প্রশাসনিক শিষ্টাচারবহির্ভূতই নয়, বরং এর

পেছনে রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একই সময়ে বিদেশের সঙ্গে বিভিন্ন স্পর্শকাতর চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সই হতে যাচ্ছে যেখানে বাংলাদেশ বড় অংকের আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বোয়িং থেকে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদিও এগুলোর সরবরাহ শুরু হবে ২০৩১ সালের পর থেকে। অর্থাৎ বর্তমান সরকার চুক্তি করলেও এর বিশাল ঋণের বোঝা টানতে হবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে। এছাড়া চীন ও যুক্তরাজ্য থেকে জাহাজ ও তেল ট্যাংকার কেনার বিষয়গুলোও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বৈদেশিক ঋণের বোঝা ইতোমধ্যে প্রায় ৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে

চরম অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে নবম পে-স্কেল প্রস্তাবের মাধ্যমে বছরে আরও অতিরিক্ত এক লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের পথ তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানের উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও চরম রাজস্ব ঘাটতির সময়ে এই সিদ্ধান্তকে অর্থনীতির জন্য আত্মঘাতী বলছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতিবিদদের মতে, শেষ মুহূর্তে এমন সব বড় ও দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার মূলত নির্বাচিত সরকারের হাত-পা বেঁধে দিচ্ছে। সরকার এসব পদক্ষেপকে উন্নয়নের জন্য জরুরি ও ভবিষ্যৎ সরকারের কাজ সহজ করার উদ্যোগ দাবি করলেও সমালোচকরা একে দেখছেন ভুল সময়ে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে, যা দেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদী সংকটের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য? কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার-পুলিশ মুখোমুখি: ‘শিবির ট্রেনিংপ্রাপ্ত’ ক্যাডারদের আনসার বাহিনীতে ঢুকে পড়ার অভিযোগ স্প্যানিশ এজেন্সিয়া ইএফইকে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: আমি কাউকে হত্যার নির্দেশ দিইনি ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪০০, ভোটদান নিয়ে শঙ্কায় ভোটাররা মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ খরাসহ বিবিধ সংকটে স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য, চরম উদ্বেগে উদ্যোক্তারা ডাবল সুপার ওভারের অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা মতামত || উভলিঙ্গ নির্বাচন ভোট জালিয়াতির সব আয়োজন সম্পন্ন, এবার ভোটকেন্দ্র নিষিদ্ধ মোবাইলফোন ‘নিরীহ উপদেষ্টারা’ কেন আতঙ্কে? আশিক চৌধুরীর ফোপর দালালি আর বাস্তবতার নির্মম ফারাক শেষবেলা ইউনূসের হরিলুট, একের পর এক দেশবিক্রির চুক্তি ⁨নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটকে কেন্দ্র করে টঙ্গীতে বিএনপির কাছে গণতন্ত্র মানেই সন্ত্রাস ভোটের নামে মব, নির্বাচনের নামে নৈরাজ্য ⁨প্রচারণা চালানোর সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপির হামলার শিকার ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী; নির্বাচনের নামে মৎস্যন্যায়ের সাক্ষী হলো গোটা দেশ! ভোট দিতে না যাওয়াও আপনার আমার গণতান্ত্রিক অধিকার জামায়াতে ইসলামী বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার চোখ উপড়ে ফেলছে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ নির্বাচন নির্বাচন খেলায় পিছিয়ে নেই পীরসাহেব চরমোনাইয়ের দলও মিডিয়া থেকে নিউজ গায়েব কেন? ঘটনার সত্যতা কি? মিডিয়া কি নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে?