‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না

রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩

২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে?

রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা

আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি

শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম

‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত ‘জুলাই সনদ’-এর বিভিন্ন ধারায় লুকায়িত এজেন্ডা এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের আশঙ্কা প্রকাশ করে এর বিপক্ষে ‘না’ ভোটের ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত শিক্ষক ও বক্তা আসিফ মাহতাব উৎসহ। তার দাবি, সনদের ৮৪ নম্বর ধারা এবং মূলনীতিতে ব্যবহৃত শব্দচয়ন বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি সনদের অস্পষ্টতা এবং এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’ ও এলজিবিটি শঙ্কা আসিফ মাহতাব তার বক্তব্যে জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যেখানে বলা হয়েছে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’ (OGP)-এ যোগদান করবে। তিনি স্ক্রিনে নথিপত্র প্রদর্শন করে দাবি

করেন, এই সংস্থার অন্যতম এজেন্ডা হলো বিশ্বব্যাপী এলজিবিটি (LGBT) বা সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "জুলাইয়ে আমরা যারা আন্দোলন করেছি, তারা কি সমকামিতা বা ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপের জন্য রক্ত দিয়েছি?" তার যুক্তি, সনদে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক দোহাই দিয়ে এদেশে সমকামিতা ও পশ্চিমা সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া হবে, যা দেশের সামাজিক কাঠামোর পরিপন্থী। ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ ও ‘ইনক্লুসিভ’ শব্দের আড়ালে কী? আসিফ মাহতাব অভিযোগ করেন, সনদের মূলনীতিতে থাকা ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ (সামাজিক সুবিচার), ‘হিউম্যান ডিগনিটি’ (মানবিক মর্যাদা) এবং শিক্ষা আইনে ব্যবহৃত ‘ইনক্লুসিভ’ (অন্তর্ভুক্তিমূলক) শব্দগুলো শুনতে শ্রুতিমধুর হলেও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এগুলোর অর্থ ভিন্ন। চ্যাটজিপিটি এবং বিভিন্ন তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি দেখান যে, পশ্চিমা বিশ্বে ‘সোশ্যাল

জাস্টিস’ একটি আমব্রেলা টার্ম, যার আওতায় এলজিবিটি রাইটস, জেন্ডার ইকুয়ালিটি এবং র‍্যাডিক্যাল জাস্টিসের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। তিনি শায়খ আহমাদুল্লাহর একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দের আড়ালে মূলত ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ ও সমকামিতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা সাধারণ মানুষ বা অনেক ইসলামী দলও বুঝতে পারছে না। সংবিধান ও আইনের ফাঁদ তার মতে, জুলাই সনদ পাস হলে এর বিষয়বস্তুগুলো সংবিধানের অংশ হয়ে যাবে। যেহেতু সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন (Supreme Law), তাই পরবর্তীতে দেশের প্রচলিত আইন বা ধর্মীয় অনুশাসন দিয়ে এসব এজেন্ডা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সুন্দর সুন্দর শব্দের মোড়কে এমন সব ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, যা

ভবিষ্যতে ইসলাম ও দেশীয় সংস্কৃতি পালনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ইসলামী দলগুলোর প্রতি বার্তা ভিডিওতে আসিফ মাহতাব ইসলামী দলগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, তারা মূলনীতিতে ‘ইসলাম’ শব্দটি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বা চায়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতে যেমন ‘সেক্যুলারিজম’ বা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দীর্ঘ সময় ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করা হয়েছে, ঠিক তেমনি জুলাই সনদের এই শব্দগুলো ব্যবহার করে ভবিষ্যতে ইসলামপন্থীদের কোণঠাসা করা হতে পারে। পরিশেষে, তিনি দেশবাসীকে জুলাই সনদ না পড়ে অন্ধভাবে সমর্থন না করার আহ্বান জানান এবং নিজে ‘না’ ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেন। তার মতে, স্বৈরাচার ঠেকানোর জন্য জুলাই সনদ অপরিহার্য নয়, বরং এর মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিকতা ধ্বংসের একটি

দীর্ঘমেয়াদী নীল নকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ছাত্রলীগ নেতা দেশে ফিরেছেন ভেবে চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে পেটালো পুলিশ দিনাজপুরে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করলেন জামায়াতের গুপ্ত কর্মী তারেক নানা অজুহাতে সাধারণ কৃষকদের ধান ফেরত, প্রভাবশালীদের নিম্নমানের ধান কিনছে সরকার দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩ ২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে? ফায়ার স্টেশনের ভেতরে বহিরাগত নারী এনে আপত্তিকর নাচ-গানের আসর স্টেশন অফিসারের রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম শ্যুটার আসিফের পর ক্রিকেটার নাঈম: বিএনপি আমলে দুই ক্রীড়াবিদকে পুলিশি নির্যাতন ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি শিরোপাহীন দুই যুগ, কোন পথে ব্রাজিল? বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয় যেভাবে বিশ্ব ফ্যাশনের গতিপথ বদলে দিচ্ছে ফুটবল ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেফতার এডিসিকে ২৪ দিনে ৩ বার বদলি, নেপথ্যে কে?