ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সামনে মানববন্ধন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি
ইরানে বিক্ষোভে নিহতদের তালিকা প্রকাশ, চরম বিতর্ক
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
চীনের বিরুদ্ধে পারমাণবিক পরীক্ষার মার্কিন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক। ২০২০ সালে চীন গোপনে একাধিক পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে বলে মার্কিন এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন। তবে তার পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে গত শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট (আর্মস কন্ট্রোল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি) থমাস ডি ন্যানো অভিযোগ করেন, চীন ২০২০ সালে গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় এবং তা আড়াল করার চেষ্টা করে। রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ স্টার্ট পারমাণবিক চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই এমন বক্তব্য এসেছে।
সম্মেলনে ডি ন্যানো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার জানে যে
চীন পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষা চালিয়েছে, এমনকি শত শত টন শক্তির নির্দিষ্ট মাত্রার পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, চীনের সামরিক বাহিনী পরীক্ষাগুলো গোপন রাখার চেষ্টা করেছে, কারণ তারা জানত এসব পরীক্ষা পারমাণবিক পরীক্ষা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে। ২০২০ সালের ২২ জুন তারা একটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব অভিযোগ করেন ডি ন্যানো। তিনি বলেন, ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত নিউ স্টার্ট চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলো ২০২৬ সালের বাস্তবতায় আর কার্যকর নয়, যখন একটি দেশ দ্রুত গতিতে পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার সম্প্রসারণ করছে এবং আরেকটি দেশ চুক্তির বাইরে থেকে বিভিন্ন
পারমাণবিক ব্যবস্থা উন্নয়ন করছে। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করেছে কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার-টেস্ট-ব্যান ট্রিটি অর্গানাইজেশন (সিটিবিটিও)। সংস্থাটির নির্বাহী সচিব রবার্ট ফ্লয়েড এক বিবৃতিতে বলেন, তাদের বৈশ্বিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় অভিযোগকৃত সময়ের মধ্যে ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বৈশিষ্ট্যযুক্ত কোনো ঘটনা শনাক্ত হয়নি’। বিস্তারিত পুনঃবিশ্লেষণের পরও এই মূল্যায়ন অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান তিনি। সম্মেলনে চীনের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক রাষ্ট্রদূত শেন জিয়ান সরাসরি অভিযোগের জবাব না দিলেও বলেন, চীন সবসময় পারমাণবিক ইস্যুতে দায়িত্বশীল ও সংযত ভূমিকা পালন করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। শেন জিয়ান বলেন, আমরা এই মিথ্যা বর্ণনার তীব্র বিরোধিতা করছি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডই আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শেন জিয়ান বলেন, “চীন সবসময় পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি সম্মান করেছে।” সম্মেলনে উপস্থিত কূটনীতিকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযোগ নতুন এবং উদ্বেগজনক। উল্লেখ্য, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটিতে (সিটিবিটি) স্বাক্ষর করলেও তা এখনো অনুমোদন (র্যাটিফিকেশন) করেনি। অন্যদিকে রাশিয়া চুক্তিটি স্বাক্ষর ও অনুমোদন করলেও ২০২৩ সালে অনুমোদন প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সামরিক বাহিনীকে পারমাণবিক পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, অন্য দেশগুলো ইতোমধ্যে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি।
চীন পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষা চালিয়েছে, এমনকি শত শত টন শক্তির নির্দিষ্ট মাত্রার পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, চীনের সামরিক বাহিনী পরীক্ষাগুলো গোপন রাখার চেষ্টা করেছে, কারণ তারা জানত এসব পরীক্ষা পারমাণবিক পরীক্ষা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে। ২০২০ সালের ২২ জুন তারা একটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব অভিযোগ করেন ডি ন্যানো। তিনি বলেন, ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত নিউ স্টার্ট চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলো ২০২৬ সালের বাস্তবতায় আর কার্যকর নয়, যখন একটি দেশ দ্রুত গতিতে পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার সম্প্রসারণ করছে এবং আরেকটি দেশ চুক্তির বাইরে থেকে বিভিন্ন
পারমাণবিক ব্যবস্থা উন্নয়ন করছে। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করেছে কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার-টেস্ট-ব্যান ট্রিটি অর্গানাইজেশন (সিটিবিটিও)। সংস্থাটির নির্বাহী সচিব রবার্ট ফ্লয়েড এক বিবৃতিতে বলেন, তাদের বৈশ্বিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় অভিযোগকৃত সময়ের মধ্যে ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বৈশিষ্ট্যযুক্ত কোনো ঘটনা শনাক্ত হয়নি’। বিস্তারিত পুনঃবিশ্লেষণের পরও এই মূল্যায়ন অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান তিনি। সম্মেলনে চীনের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক রাষ্ট্রদূত শেন জিয়ান সরাসরি অভিযোগের জবাব না দিলেও বলেন, চীন সবসময় পারমাণবিক ইস্যুতে দায়িত্বশীল ও সংযত ভূমিকা পালন করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। শেন জিয়ান বলেন, আমরা এই মিথ্যা বর্ণনার তীব্র বিরোধিতা করছি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডই আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শেন জিয়ান বলেন, “চীন সবসময় পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি সম্মান করেছে।” সম্মেলনে উপস্থিত কূটনীতিকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযোগ নতুন এবং উদ্বেগজনক। উল্লেখ্য, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটিতে (সিটিবিটি) স্বাক্ষর করলেও তা এখনো অনুমোদন (র্যাটিফিকেশন) করেনি। অন্যদিকে রাশিয়া চুক্তিটি স্বাক্ষর ও অনুমোদন করলেও ২০২৩ সালে অনুমোদন প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সামরিক বাহিনীকে পারমাণবিক পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, অন্য দেশগুলো ইতোমধ্যে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি।



