ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের দাম কয়েক মাস ধরে দ্রুত কমছে। চলতি সপ্তাহে এটি এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে প্রায় ৬৩ হাজার ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। গত অক্টোবরে যেখানে বিটকয়েনের দাম ১ লাখ ২৭ হাজার ডলারের বেশি ছিল, এখন তা বছর শুরুর পর থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। খবর আল জাজিরার।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক শেয়ারবাজারের অস্থিরতা ও স্বর্ণ-রুপার দামের ওঠানামা এই পতনের অন্যতম কারণ। বড় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যাওয়াও বাজারে চাপ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিটকয়েন এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) থেকে গত কয়েক মাসে বিলিয়ন ডলার বেরিয়ে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রিপ্টো বাজার অনেকটাই ‘হাইপ’ বা অতিরিক্ত
আগ্রহের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে সেই আগ্রহ কমে যাওয়ায় লেনদেনের পরিমাণও কমেছে, ফলে বাজারে তারল্য কমে গিয়ে দাম দ্রুত ওঠানামা করছে। এ ধরনের দীর্ঘ সময়ের মন্দাকে ‘ক্রিপ্টো উইন্টার’ বলা হয়। স্বর্ণ ও রুপার দামের অস্থিরতাও বিনিয়োগকারীদের আচরণে প্রভাব ফেলেছে। ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ডলারের শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনায় অনেক বিনিয়োগকারী বিক্রি বাড়িয়েছেন, যার প্রভাব পড়েছে ক্রিপ্টো বাজারেও। বিটকয়েনের পাশাপাশি দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথারের দামও এ সপ্তাহে প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতির কথা বলেছেন এবং জাতীয় ক্রিপ্টো রিজার্ভ তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তবুও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অতীতেও একাধিকবার ‘ক্রিপ্টো উইন্টার’ দেখা গেছে এবং
সাধারণত এ ধরনের মন্দা প্রায় এক বছর স্থায়ী হয়। তাই অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, বর্তমান পতন সাময়িক এবং ভবিষ্যতে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
আগ্রহের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে সেই আগ্রহ কমে যাওয়ায় লেনদেনের পরিমাণও কমেছে, ফলে বাজারে তারল্য কমে গিয়ে দাম দ্রুত ওঠানামা করছে। এ ধরনের দীর্ঘ সময়ের মন্দাকে ‘ক্রিপ্টো উইন্টার’ বলা হয়। স্বর্ণ ও রুপার দামের অস্থিরতাও বিনিয়োগকারীদের আচরণে প্রভাব ফেলেছে। ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ডলারের শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনায় অনেক বিনিয়োগকারী বিক্রি বাড়িয়েছেন, যার প্রভাব পড়েছে ক্রিপ্টো বাজারেও। বিটকয়েনের পাশাপাশি দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথারের দামও এ সপ্তাহে প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতির কথা বলেছেন এবং জাতীয় ক্রিপ্টো রিজার্ভ তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তবুও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অতীতেও একাধিকবার ‘ক্রিপ্টো উইন্টার’ দেখা গেছে এবং
সাধারণত এ ধরনের মন্দা প্রায় এক বছর স্থায়ী হয়। তাই অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, বর্তমান পতন সাময়িক এবং ভবিষ্যতে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।



