ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আর নেই
মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের সেই শিশু হুজাইফা আফনান (১২) আর নেই। দীর্ঘ ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর তিনি মারা গেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত শিশুটির চাচা শওকত আলী।
তিনি জানান, হুজাইফার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং তিনি সবার কাছে ভাতিজির জন্য দোয়া কামনা করেন।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয় হুজাইফা আফনান। সে
স্থানীয় জসিম উদ্দিনের কন্যা। ঘটনার পরপরই তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর, ১৩ জানুয়ারি বিকেলে মাথায় বিদ্ধ গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে প্রবেশ করা গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। হুজাইফার মৃত্যুর খবরে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
স্থানীয় জসিম উদ্দিনের কন্যা। ঘটনার পরপরই তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর, ১৩ জানুয়ারি বিকেলে মাথায় বিদ্ধ গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে প্রবেশ করা গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। হুজাইফার মৃত্যুর খবরে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।



