ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না
রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩
২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে?
রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা
আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি
শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম
আন্দোলনে ক্ষতি ছাড়িয়ে গেছে হাজার কোটি টাকা
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে টানা কর্মবিরতিতে বিভিন্ন খাতে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। টাকার অঙ্কে এ ক্ষতি হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। সূত্র জানায়, স্বাভাবিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে আড়াই হাজার কনটেইনারে পণ্য রপ্তানি হয় এবং প্রায় পাঁচ হাজার পণ্যভর্তি কনটেইনার খালাস করা হয়। কিন্তু অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে বন্দর চত্বর, জেটিতে নোঙর করা জাহাজ এবং ২১টি বেসরকারি ডিপোতে আটকে পড়ে প্রায় ১৩ হাজার টিইইউস রপ্তানি কনটেইনার। এসব কনটেইনারে থাকা পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৬৬ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গত
বছর বন্দরটির আয় ছিল ৫ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। সে অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা আয় করে এই সমুদ্রবন্দর। একই সময়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বছরে গড়ে ৭০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে, যার দৈনিক গড় প্রায় ১৯০ কোটি টাকা। টানা কর্মবিরতির কারণে বন্দর ও কাস্টমসের রাজস্ব আদায় ৭০ শতাংশের বেশি কমে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অচলাবস্থার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শিপিং এজেন্ট, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্দর ব্যবহারকারী ডিপো ও পরিবহন খাতে। জেটিতে জাহাজ আসা-যাওয়া বন্ধ থাকায় শিপিং এজেন্টদের কার্যক্রম কমে গেছে প্রায় ৮০ শতাংশ। জাহাজ অলস বসে থাকায় প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২২ লাখ টাকা
ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারদের কার্যক্রম কমেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। প্রতিদিন গড়ে ৮ কোটি টাকা আয় করা বেসরকারি ডিপোগুলোর কার্যক্রম নেমে এসেছে প্রায় ৯০ শতাংশে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে রপ্তানিনির্ভর তৈরি পোশাক খাত। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য জাহাজীকরণ করতে না পারলে বিদেশি ক্রেতারা মূল্যছাড় দাবি করতে পারেন, এমনকি ক্রয়াদেশ বাতিলের আশঙ্কাও রয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এদিকে বন্দর জেটিতে ও ডিপোগুলোয় কনটেইনার জট ক্রমেই বাড়ছে। নতুন জাহাজ নোঙর করতে না পারায় সাগরে অপেক্ষমাণ জাহাজের সংখ্যাও বেড়েছে। বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি ও এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ সালাম বলেন, টানা
পাঁচ দিনের কর্মসূচি আমাদের বড় ক্ষতির মুখে ফেলেছে। প্রতিদিনের ক্ষতি ছাড়িয়ে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকা। রপ্তানি পণ্য ক্রেতার কাছে সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এ অচলাবস্থা দূর করতে সরকার থেকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এ সব বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বছর বন্দরটির আয় ছিল ৫ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। সে অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা আয় করে এই সমুদ্রবন্দর। একই সময়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বছরে গড়ে ৭০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে, যার দৈনিক গড় প্রায় ১৯০ কোটি টাকা। টানা কর্মবিরতির কারণে বন্দর ও কাস্টমসের রাজস্ব আদায় ৭০ শতাংশের বেশি কমে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অচলাবস্থার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শিপিং এজেন্ট, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্দর ব্যবহারকারী ডিপো ও পরিবহন খাতে। জেটিতে জাহাজ আসা-যাওয়া বন্ধ থাকায় শিপিং এজেন্টদের কার্যক্রম কমে গেছে প্রায় ৮০ শতাংশ। জাহাজ অলস বসে থাকায় প্রতিটি জাহাজের জন্য প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২২ লাখ টাকা
ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারদের কার্যক্রম কমেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। প্রতিদিন গড়ে ৮ কোটি টাকা আয় করা বেসরকারি ডিপোগুলোর কার্যক্রম নেমে এসেছে প্রায় ৯০ শতাংশে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে রপ্তানিনির্ভর তৈরি পোশাক খাত। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য জাহাজীকরণ করতে না পারলে বিদেশি ক্রেতারা মূল্যছাড় দাবি করতে পারেন, এমনকি ক্রয়াদেশ বাতিলের আশঙ্কাও রয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এদিকে বন্দর জেটিতে ও ডিপোগুলোয় কনটেইনার জট ক্রমেই বাড়ছে। নতুন জাহাজ নোঙর করতে না পারায় সাগরে অপেক্ষমাণ জাহাজের সংখ্যাও বেড়েছে। বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি ও এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ সালাম বলেন, টানা
পাঁচ দিনের কর্মসূচি আমাদের বড় ক্ষতির মুখে ফেলেছে। প্রতিদিনের ক্ষতি ছাড়িয়ে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকা। রপ্তানি পণ্য ক্রেতার কাছে সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এ অচলাবস্থা দূর করতে সরকার থেকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এ সব বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



