ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
খুনখারাপির বাংলাদেশ, জঙ্গিদের বাংলাদেশ, অবৈধ শাসনের বাংলাদেশ
স্টাফ রিপোর্টার ।
দেশের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার অভাব ভোট প্রক্রিয়াকে গভীরভাবে শঙ্কাজনক করে তুলেছে। প্রার্থীরা জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত, জনসভায় আসছেন না, আর ভোটাররা ভয়ে বুথের পথে যেতে পারছেন না। এমন বাস্তবতায় গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ ভোট আজ চরম ঝুঁকির মধ্যে। এটি কেবল একটি নির্বাচন নয় এটি রাষ্ট্র, সমাজ এবং জনগণের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের প্রশ্ন।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব মাঠে অনুপস্থিত। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা দৃশ্যমান নন, এনসিপির নেতা জনসমক্ষে নেই, আর জামায়াতের নেতারা ভোট চাইতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা ও সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন। নেতারা যখন নিজেরা নিরাপত্তার কথা ভাবছেন, সাধারণ ভোটার কোথায় নিরাপত্তা পাবে? এই শূন্যতা ও অনিশ্চয়তা জনগণের আস্থাকে ধীরে ধীরে ভেঙে দিচ্ছে।
নির্বাচন কাগজে-কলমে চলছে, কিন্তু
বাস্তবে ভোটারদের অংশগ্রহণ ক্রমেই দুরূহ হয়ে উঠছে। ভোটাররা এখন প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন তারা কি নিরাপদে বুথে যেতে পারবেন, নাকি ভোট দেওয়ার নামে নির্বাচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রিত নাটকের অংশ হতে হবে? এই পরিস্থিতি ভোটকে জনগণের অধিকার থেকে সরিয়ে ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রিত আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন করছেন এই ভোট কি গণতন্ত্রের অনুশীলন, নাকি অবৈধ শাসন টিকিয়ে রাখার কৌশল? জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও অবিশ্বাস। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভুয়া ও জাল ভোট ছাড়া এই ব্যবস্থায় প্রকৃত ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যেন পরিকল্পিতভাবেই ভোটারকে পাশ কাটিয়ে ভোটের বাক্স পূরণ করতে চায়। এই বাস্তবতা থেকেই জন্ম নিচ্ছে অবৈধ
ভোটবিরোধী জনরোষ। মানুষ বুঝে গেছে, একতরফা ও সাজানো নির্বাচন মানেই গণতন্ত্রের প্রকাশ্য হত্যা। অবৈধ ও অযোগ্য শাসক ইউনুস এবং তার প্রশাসনিক কাঠামো একতরফাভাবে নির্বাচন কার্যক্রম শেষ করতে চায়, কিন্তু জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করছে। ভোটাধিকার হরণ, জাল ব্যালট, প্রশাসনিক প্রভাব এসবের বিরুদ্ধে সমাজে নীরবতা ভাঙছে। জনগণ সচেতন, তারা জানে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরাপদ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে না পারলে দেশ ভোটের নামে এক দীর্ঘস্থায়ী নিপীড়নের দিকে ধাবিত হবে। খুনখারাপি, জঙ্গিবাদ ও অবৈধ শাসনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ভোটপরিবেশ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এখন সময় এসেছে ভুয়া ও জাল ভোটের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার, জনরোষকে ঐক্যবদ্ধ করার, এবং প্রকৃত
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদার করার।
বাস্তবে ভোটারদের অংশগ্রহণ ক্রমেই দুরূহ হয়ে উঠছে। ভোটাররা এখন প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন তারা কি নিরাপদে বুথে যেতে পারবেন, নাকি ভোট দেওয়ার নামে নির্বাচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রিত নাটকের অংশ হতে হবে? এই পরিস্থিতি ভোটকে জনগণের অধিকার থেকে সরিয়ে ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রিত আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন করছেন এই ভোট কি গণতন্ত্রের অনুশীলন, নাকি অবৈধ শাসন টিকিয়ে রাখার কৌশল? জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও অবিশ্বাস। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভুয়া ও জাল ভোট ছাড়া এই ব্যবস্থায় প্রকৃত ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যেন পরিকল্পিতভাবেই ভোটারকে পাশ কাটিয়ে ভোটের বাক্স পূরণ করতে চায়। এই বাস্তবতা থেকেই জন্ম নিচ্ছে অবৈধ
ভোটবিরোধী জনরোষ। মানুষ বুঝে গেছে, একতরফা ও সাজানো নির্বাচন মানেই গণতন্ত্রের প্রকাশ্য হত্যা। অবৈধ ও অযোগ্য শাসক ইউনুস এবং তার প্রশাসনিক কাঠামো একতরফাভাবে নির্বাচন কার্যক্রম শেষ করতে চায়, কিন্তু জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করছে। ভোটাধিকার হরণ, জাল ব্যালট, প্রশাসনিক প্রভাব এসবের বিরুদ্ধে সমাজে নীরবতা ভাঙছে। জনগণ সচেতন, তারা জানে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরাপদ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে না পারলে দেশ ভোটের নামে এক দীর্ঘস্থায়ী নিপীড়নের দিকে ধাবিত হবে। খুনখারাপি, জঙ্গিবাদ ও অবৈধ শাসনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ভোটপরিবেশ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এখন সময় এসেছে ভুয়া ও জাল ভোটের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার, জনরোষকে ঐক্যবদ্ধ করার, এবং প্রকৃত
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদার করার।



