খুনখারাপির বাংলাদেশ, জঙ্গিদের বাংলাদেশ, অবৈধ শাসনের বাংলাদেশ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৮:১৭ অপরাহ্ণ

খুনখারাপির বাংলাদেশ, জঙ্গিদের বাংলাদেশ, অবৈধ শাসনের বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৮:১৭ 15 ভিউ
স্টাফ রিপোর্টার । দেশের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার অভাব ভোট প্রক্রিয়াকে গভীরভাবে শঙ্কাজনক করে তুলেছে। প্রার্থীরা জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত, জনসভায় আসছেন না, আর ভোটাররা ভয়ে বুথের পথে যেতে পারছেন না। এমন বাস্তবতায় গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ ভোট আজ চরম ঝুঁকির মধ্যে। এটি কেবল একটি নির্বাচন নয় এটি রাষ্ট্র, সমাজ এবং জনগণের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের প্রশ্ন। রাজনৈতিক নেতৃত্ব মাঠে অনুপস্থিত। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা দৃশ্যমান নন, এনসিপির নেতা জনসমক্ষে নেই, আর জামায়াতের নেতারা ভোট চাইতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা ও সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন। নেতারা যখন নিজেরা নিরাপত্তার কথা ভাবছেন, সাধারণ ভোটার কোথায় নিরাপত্তা পাবে? এই শূন্যতা ও অনিশ্চয়তা জনগণের আস্থাকে ধীরে ধীরে ভেঙে দিচ্ছে। নির্বাচন কাগজে-কলমে চলছে, কিন্তু

বাস্তবে ভোটারদের অংশগ্রহণ ক্রমেই দুরূহ হয়ে উঠছে। ভোটাররা এখন প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন তারা কি নিরাপদে বুথে যেতে পারবেন, নাকি ভোট দেওয়ার নামে নির্বাচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রিত নাটকের অংশ হতে হবে? এই পরিস্থিতি ভোটকে জনগণের অধিকার থেকে সরিয়ে ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রিত আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন করছেন এই ভোট কি গণতন্ত্রের অনুশীলন, নাকি অবৈধ শাসন টিকিয়ে রাখার কৌশল? জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও অবিশ্বাস। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভুয়া ও জাল ভোট ছাড়া এই ব্যবস্থায় প্রকৃত ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যেন পরিকল্পিতভাবেই ভোটারকে পাশ কাটিয়ে ভোটের বাক্স পূরণ করতে চায়। এই বাস্তবতা থেকেই জন্ম নিচ্ছে অবৈধ

ভোটবিরোধী জনরোষ। মানুষ বুঝে গেছে, একতরফা ও সাজানো নির্বাচন মানেই গণতন্ত্রের প্রকাশ্য হত্যা। অবৈধ ও অযোগ্য শাসক ইউনুস এবং তার প্রশাসনিক কাঠামো একতরফাভাবে নির্বাচন কার্যক্রম শেষ করতে চায়, কিন্তু জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করছে। ভোটাধিকার হরণ, জাল ব্যালট, প্রশাসনিক প্রভাব এসবের বিরুদ্ধে সমাজে নীরবতা ভাঙছে। জনগণ সচেতন, তারা জানে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরাপদ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে না পারলে দেশ ভোটের নামে এক দীর্ঘস্থায়ী নিপীড়নের দিকে ধাবিত হবে। খুনখারাপি, জঙ্গিবাদ ও অবৈধ শাসনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ভোটপরিবেশ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এখন সময় এসেছে ভুয়া ও জাল ভোটের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার, জনরোষকে ঐক্যবদ্ধ করার, এবং প্রকৃত

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদার করার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফসলি জমি কেটে খাল খনন পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, সশস্ত্র গ্রুপের ৫০ সদস্য আটক এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্বের ভোট চলছে যেভাবেই হোক, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্র দখল করবেই : ট্রাম্প আমেরিকানদের খুব দ্রুত ভেনেজুয়েলা ছাড়ার নির্দেশ ফিলিস্তিনিদের নতুন দেশে পাঠানোর গোপন নীলনকশা ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৬ তেহরানসহ একাধিক জায়গায় ফের জড়ো হচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা বাড়ল স্বর্ণের দাম আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান ইরানে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা সরকারি অনুদানের সিনেমায় রাজ-মিম জুটি নিউজিল্যান্ড সিরিজে কোহলি-রোহিতের ওপর ভরসা রাখছেন গিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নেতাদের হাতে শিক্ষক হেনস্তা সার্চের ফলাফল থেকে বাদ দেওয়া যাবে ইউটিউবের শর্টস