ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজাকার পাঠ্যমঞ্চ নাটকে বাধা জামায়াত নেতার
দেশের প্রশংসনীয় অগ্রগতি রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের ফল’: মাহফুজ আনাম
রাজধানীতে সিআইডির ট্রেনিং স্কুল থেকে এসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মানিকগঞ্জে বাউল শিল্পীদের নির্যাতন: উগ্রবাদের উত্থানে সংকটে সংস্কৃতিচর্চা, দায় এড়াতে পারে না ইউনূস সরকার
শাটডাউনকে ঘিরে উদ্বেগ: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় অনলাইন ক্লাসের পথে হাঁটছে স্কুলগুলো
আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
১০ মাসে পাঁচ লাখ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে
ভাঙ্গুড়ায় দেশী প্রজাতির মাছ সংকটে শুঁটকি চাতালে স্থবিরতা
প্রাকৃতিক জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া এবং নির্বিচারে মাছ নিধনের ফলে ক্রমেই সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে দেশি মাছ।পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলাসহ চলনবিল অঞ্চলে সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি চাতাল শিল্পে।
একসময় বর্ষা শেষে যে শুঁটকি চাতালগুলো কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকত, এখন সেখানে নেমে এসেছে নীরবতা। দেশি মাছের তীব্র সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে অধিকাংশ শুঁটকি চাতাল।
শুঁটকি ব্যবসায়ীদের সাথে কথাকথনে উঠে এসেছে, এ শিল্পের এ কাল সে কাল।দেশের নদী-নালা ও খাল-বিলের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জলাশয় গুলোতে পানি ধারণক্ষমতা কমে গেছে। অপরিকল্পিত বাঁধ, সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে অনেক ঐহিত্যবাহী খাল-বিল বর্ষা মৌসুমেও পুরোপুরি পানিতে ভরে না।দেশে দু'সহস্রযুগ থেকে যুক্ত হয়েছে চায়না দুয়ারি, বাদাই জালসহ
নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবাধ মাছ শিকার। এতে মা মাছের পাশাপাশি রেণু ও পোনা মাছও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মৎস্য সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ভাঙ্গুড়ার মুক্ত জলাশয় ও চলনবিল এলাকায় একসময় মাগুর, শিং, পাবদা, টাকি, চিতল, আইড়, বোয়াল, কৈ, গজার, বাইম, শোল, বাঘাইড়, গুলশা, টেংড়াসহ ৩০ থেকে ৪০ প্রজাতির দেশি মাছ পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব মাছ বিলুপ্তির পথে।বর্তমান বাজারে বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষের মাছ ছাড়া দেশি প্রজাতির মাছ নেই বললেই চলে। গুমানী নদীপাড়ের কৌডাঙ্গার বাসিন্দা নারায়ন চন্দ্র হালদার ও রুহিদাস চৌধুরী জানান,এক সময় বর্ষা মৌসুমে ঐহিত্যবাহী চলনবিলসহ ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের সকল নদী-নালা,খাল-বিলে বছরের ছয় মাস পানিতে থইথই করত।সে সময় উঁচু জমিতে
ফসল আবাদ হতো, আর নদী-খালে চলত মাছ শিকার। সেই মাছ দিয়েই সচল থাকত শুঁটকি চাতালগুলো।ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের শুঁটকি শিল্প এক সময় দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের অন্তত ২০টি দেশে রপ্তানি হতো। এখন জলাশয়ে পানি ও মাছ কমে যাওয়ায় সেই রপ্তানি কার্যক্রমেও ভাটা পড়েছে। সম্প্রতি ভাঙ্গুড়া উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, দু'শতাধিক শুঁটকি চাতালের মধ্যে অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে।হাতে গোনা কয়েকটি চাতাল চালু থাকলেও শুঁটকি উপকরণ মাছের অভাবে উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত।ফলে আয় হারিয়ে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। শুঁটকি চাতালের শ্রমিক আকলিমা খাতুন বলেন, “আগে নিয়মিত কাজ ছিল, প্রতিদিন ৩০০–৪০০ টাকা আয় হতো। এখন মাছ না থাকায় বেশিরভাগ দিন চাতালে কাজই থাকে না। সংসার
চালানো খুব কষ্ট হয়ে গেছে।” শুঁটকি ব্যবসায়ী জেলে মদ্দিন জানান, আগে নিয়মিত মাছ পাওয়া গেলেও এ মৌসুমে অনেকেই টানা দুই সপ্তাহেও মাছ পাননি। বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী চাতাল বন্ধ রেখেছেন। তাদের অভিযোগ, চলনবিল এলাকায় অপরিকল্পিত পুকুর খনন ও অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। ভাঙ্গুড়া সদর ইউপি'র কলকতি গুমানী নদীপাড়ের শুঁটকি চাতালের মালিক দুলাল হোসেন বলেন,বড়াল,করতোয়া,গুমানী নদীর অববাহিকার সমতল জলাভ‚মি বরমপুর, চিনাভাতকুর,সমাজ-শীতলাই, দিলপাশার, পুঁইবিল, চকল²ীকোল,আদাবাড়িয়া, বাঁশবাড়িয়া,ডেঙ্গাপাড়া,ধলাগাড়ী,রুপসী, বাওইহাট,উধুনিয়া-,হাটউধুনিয়া, পুংখারুয়া দত্তখারুয়া বিলে একসময় প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। এখন চায়না দুয়ারি জালে মা মাছসহ সব ধ্বংস করা হচ্ছে। এতে শুঁটকি উৎপাদন টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা
মৎস্য কর্মকর্তা আলী আযম(চঃদঃ)বলেন, নিষিদ্ধ জাল দিয়ে নির্বিচারে মাছ নিধন এবং আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় জলাশয় গুলোতে দীর্ঘ মেয়াদে পানি ও মাছ দুটোই কমেছে।অন্যান্য বছর ভাঙ্গুড়া অঞ্চলে অর্ধশত শুঁটকি চাতাল ছিল, সেখানে এবার রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি।গত বছর প্রায়৫০ টন শুঁটকি উৎপাদন হলেও এ বছর ৮থেকে ১০ টনের বেশি উৎপাদন হওয়া কঠিন।
নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবাধ মাছ শিকার। এতে মা মাছের পাশাপাশি রেণু ও পোনা মাছও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মৎস্য সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ভাঙ্গুড়ার মুক্ত জলাশয় ও চলনবিল এলাকায় একসময় মাগুর, শিং, পাবদা, টাকি, চিতল, আইড়, বোয়াল, কৈ, গজার, বাইম, শোল, বাঘাইড়, গুলশা, টেংড়াসহ ৩০ থেকে ৪০ প্রজাতির দেশি মাছ পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব মাছ বিলুপ্তির পথে।বর্তমান বাজারে বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষের মাছ ছাড়া দেশি প্রজাতির মাছ নেই বললেই চলে। গুমানী নদীপাড়ের কৌডাঙ্গার বাসিন্দা নারায়ন চন্দ্র হালদার ও রুহিদাস চৌধুরী জানান,এক সময় বর্ষা মৌসুমে ঐহিত্যবাহী চলনবিলসহ ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের সকল নদী-নালা,খাল-বিলে বছরের ছয় মাস পানিতে থইথই করত।সে সময় উঁচু জমিতে
ফসল আবাদ হতো, আর নদী-খালে চলত মাছ শিকার। সেই মাছ দিয়েই সচল থাকত শুঁটকি চাতালগুলো।ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের শুঁটকি শিল্প এক সময় দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের অন্তত ২০টি দেশে রপ্তানি হতো। এখন জলাশয়ে পানি ও মাছ কমে যাওয়ায় সেই রপ্তানি কার্যক্রমেও ভাটা পড়েছে। সম্প্রতি ভাঙ্গুড়া উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, দু'শতাধিক শুঁটকি চাতালের মধ্যে অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে।হাতে গোনা কয়েকটি চাতাল চালু থাকলেও শুঁটকি উপকরণ মাছের অভাবে উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত।ফলে আয় হারিয়ে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। শুঁটকি চাতালের শ্রমিক আকলিমা খাতুন বলেন, “আগে নিয়মিত কাজ ছিল, প্রতিদিন ৩০০–৪০০ টাকা আয় হতো। এখন মাছ না থাকায় বেশিরভাগ দিন চাতালে কাজই থাকে না। সংসার
চালানো খুব কষ্ট হয়ে গেছে।” শুঁটকি ব্যবসায়ী জেলে মদ্দিন জানান, আগে নিয়মিত মাছ পাওয়া গেলেও এ মৌসুমে অনেকেই টানা দুই সপ্তাহেও মাছ পাননি। বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী চাতাল বন্ধ রেখেছেন। তাদের অভিযোগ, চলনবিল এলাকায় অপরিকল্পিত পুকুর খনন ও অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। ভাঙ্গুড়া সদর ইউপি'র কলকতি গুমানী নদীপাড়ের শুঁটকি চাতালের মালিক দুলাল হোসেন বলেন,বড়াল,করতোয়া,গুমানী নদীর অববাহিকার সমতল জলাভ‚মি বরমপুর, চিনাভাতকুর,সমাজ-শীতলাই, দিলপাশার, পুঁইবিল, চকল²ীকোল,আদাবাড়িয়া, বাঁশবাড়িয়া,ডেঙ্গাপাড়া,ধলাগাড়ী,রুপসী, বাওইহাট,উধুনিয়া-,হাটউধুনিয়া, পুংখারুয়া দত্তখারুয়া বিলে একসময় প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। এখন চায়না দুয়ারি জালে মা মাছসহ সব ধ্বংস করা হচ্ছে। এতে শুঁটকি উৎপাদন টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা
মৎস্য কর্মকর্তা আলী আযম(চঃদঃ)বলেন, নিষিদ্ধ জাল দিয়ে নির্বিচারে মাছ নিধন এবং আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় জলাশয় গুলোতে দীর্ঘ মেয়াদে পানি ও মাছ দুটোই কমেছে।অন্যান্য বছর ভাঙ্গুড়া অঞ্চলে অর্ধশত শুঁটকি চাতাল ছিল, সেখানে এবার রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি।গত বছর প্রায়৫০ টন শুঁটকি উৎপাদন হলেও এ বছর ৮থেকে ১০ টনের বেশি উৎপাদন হওয়া কঠিন।



