ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন
ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা
‘নির্যাতিত’ যুবলীগ কর্মী রিয়াদের আর্তনাদ: ‘আগামী প্রজন্ম ও দেশকে বাঁচাতে পাতানো নির্বাচন বর্জন করুন’
ণভোট, এপস্টিন, ডিপি ওয়ার্ল্ড, সোমালিল্যান্ড ও গণহত্যা*
‘অবৈধ’ নির্বাচন বর্জন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের ডাক গোলাম রাব্বানীর
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
‘ভুয়া তথ্যে চাকরি, ধরা পড়ে পায়ে ধরে কান্না’: শাহরিয়ার কবিরের জালিয়াতির মুখোশ উন্মোচন করলেন ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরী
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন কথিত আলোচক শাহরিয়ার কবির। তার এই অমার্জনীয় মন্তব্যের পর এবার তার অতীত জীবনের চরম জালিয়াতি ও হীনম্মন্যতার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন তার এক সময়ের সহকর্মী, লন্ডনপ্রবাসী ব্যারিস্টার অ্যান্ড সলিসিটর জিন্নাত আলী চৌধুরী।
এক ভিডিও বার্তায় ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরী শাহরিয়ার কবিরের লন্ডনে থাকাকালীন সময়ে করা প্রতারণার দালিলিক বর্ণনা দেন। তিনি জানান, ২০০২ সালে লন্ডনের চিজউইক এলাকার ‘সেইন্সব্যারি’ সুপারশপে তিনি যখন পার্ট-টাইম কাজ শুরু করেন, তখন শাহরিয়ার কবির সেখানে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন। একজন ছাত্র হয়ে কীভাবে তিনি ফুল-টাইম ম্যানেজারের পদে কাজ করছেন, তা নিয়ে
তখনই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন জিন্নাত আলী। ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরী বলেন, “শাহরিয়ার কবিরের এই জালিয়াতি বেশিদিন টেকেনি। স্টোরের ফাইল আপডেটের সময় পাসপোর্ট চেক করতে গিয়ে ধরা পড়ে তার মিথ্যাচার। পাসপোর্টে স্পষ্ট লেখা ছিল ‘পার্ট টাইম অনলি’, অথচ তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফুল টাইম ম্যানেজারের পদ দখল করে ছিলেন।” ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করে ব্যারিস্টার জিন্নাত বলেন, “চুরি ধরা পড়ার পর স্টোর ম্যানেজার ও এইচআর-এর সামনে এক লজ্জাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হোম অফিসে রিপোর্ট হওয়া এবং বহিষ্কারের ভয়ে তখন শাহরিয়ার কবির আত্মসম্মান খুইয়ে ম্যানেজারদের হাতে-পায়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করেন। নিজের পড়াশোনা ও ভিসা বাঁচাতে তিনি এতটা নিচু হয়ে অনুনয়-বিনয় করেছিলেন যে, কর্তৃপক্ষ দয়াপরবশ হয়ে
তাকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার থেকে ডিমোশন দিয়ে সুপারভাইজার পদে নামিয়ে দেয়।” ব্যারিস্টার জিন্নাত আরও জানান, এই ডিমোশনের পর সুপারশপে হাসাহাসির পাত্রে পরিণত হন শাহরিয়ার। সহকর্মীদের বিদ্রূপ ও লজ্জা থেকে বাঁচতে তিনি দিনের শিফট ছেড়ে রাতের শিফটে পালিয়ে যান এবং লেবারের কাজ হিসেবে লরি থেকে মালপত্র নামানোর কাজ শুরু করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার অ্যান্ড সলিসিটর জিন্নাত আলী চৌধুরী বলেন, “শাহরিয়ার কবিরের মতো প্রতারকদের কারণেই বিদেশে বাংলাদেশি ছাত্রদের ‘লায়্যার’ বা মিথ্যাবাদী অপবাদ শুনতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দেওয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে লন্ডনে গিয়ে ব্যারিস্টার হওয়ার স্বপ্ন দেখা এই ব্যক্তি আজ সেই জাতির পিতাকেই কটূক্তি করার স্পর্ধা দেখাচ্ছেন।” ভিডিওর শেষে ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরী দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতি
আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ইতিহাস ও পড়াশোনা না জানা এমন কুলাঙ্গার ও প্রতারক ব্যক্তিকে টকশোতে এনে মিডিয়াতে জায়গা দেওয়ার কোনো মানে হয় না। এদের বয়কট করা উচিত।”
তখনই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন জিন্নাত আলী। ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরী বলেন, “শাহরিয়ার কবিরের এই জালিয়াতি বেশিদিন টেকেনি। স্টোরের ফাইল আপডেটের সময় পাসপোর্ট চেক করতে গিয়ে ধরা পড়ে তার মিথ্যাচার। পাসপোর্টে স্পষ্ট লেখা ছিল ‘পার্ট টাইম অনলি’, অথচ তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফুল টাইম ম্যানেজারের পদ দখল করে ছিলেন।” ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করে ব্যারিস্টার জিন্নাত বলেন, “চুরি ধরা পড়ার পর স্টোর ম্যানেজার ও এইচআর-এর সামনে এক লজ্জাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হোম অফিসে রিপোর্ট হওয়া এবং বহিষ্কারের ভয়ে তখন শাহরিয়ার কবির আত্মসম্মান খুইয়ে ম্যানেজারদের হাতে-পায়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করেন। নিজের পড়াশোনা ও ভিসা বাঁচাতে তিনি এতটা নিচু হয়ে অনুনয়-বিনয় করেছিলেন যে, কর্তৃপক্ষ দয়াপরবশ হয়ে
তাকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার থেকে ডিমোশন দিয়ে সুপারভাইজার পদে নামিয়ে দেয়।” ব্যারিস্টার জিন্নাত আরও জানান, এই ডিমোশনের পর সুপারশপে হাসাহাসির পাত্রে পরিণত হন শাহরিয়ার। সহকর্মীদের বিদ্রূপ ও লজ্জা থেকে বাঁচতে তিনি দিনের শিফট ছেড়ে রাতের শিফটে পালিয়ে যান এবং লেবারের কাজ হিসেবে লরি থেকে মালপত্র নামানোর কাজ শুরু করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার অ্যান্ড সলিসিটর জিন্নাত আলী চৌধুরী বলেন, “শাহরিয়ার কবিরের মতো প্রতারকদের কারণেই বিদেশে বাংলাদেশি ছাত্রদের ‘লায়্যার’ বা মিথ্যাবাদী অপবাদ শুনতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দেওয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে লন্ডনে গিয়ে ব্যারিস্টার হওয়ার স্বপ্ন দেখা এই ব্যক্তি আজ সেই জাতির পিতাকেই কটূক্তি করার স্পর্ধা দেখাচ্ছেন।” ভিডিওর শেষে ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরী দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতি
আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ইতিহাস ও পড়াশোনা না জানা এমন কুলাঙ্গার ও প্রতারক ব্যক্তিকে টকশোতে এনে মিডিয়াতে জায়গা দেওয়ার কোনো মানে হয় না। এদের বয়কট করা উচিত।”



