ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮
“কসম কেটে বলছি, খুব নার্ভাস হয়ে গেছি, দুর্বল হয়ে পড়েছি”, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও সাত শিশুর, মোট মৃত্যু ৬২০
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইউনূস-নুরজাহানের বিচারের দাবিতে জনবিক্ষোভ
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা
ঢাকা দক্ষিণের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৪৫
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাজনিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৮৪৫ জন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গতকাল শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ১৬৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯১ জন, ঢাকায় সিটি করপোরেশনের বাইরে ১৬৪ জন, উত্তর সিটিতে ৯৭ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১১২ জন, খুলনা বিভাগে ১০১ জন, ময়মনসিংহে ৩৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫৪ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন এবং সিলেট
বিভাগে ছয়জন রয়েছে। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দুজন ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুজন রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এই বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুরোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১ জন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা
নিতে হবে। প্রসঙ্গত, দেশে এক বছরে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ২০২৩ সালে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।
বিভাগে ছয়জন রয়েছে। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দুজন ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুজন রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এই বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুরোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১ জন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা
নিতে হবে। প্রসঙ্গত, দেশে এক বছরে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ২০২৩ সালে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।



