ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে ১১০০ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার তিনটি দোকান ও গুদাম থেকে এক হাজার ১০০টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে সেনা সদস্যরা এগুলো উদ্ধার করেন। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ আর্মি ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সেনাবাহিনী।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বেশ কিছুদিন ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের উৎপাত বেড়েছে। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে এক ধরনের ধারালো সামুরাই ছুরি উদ্ধার হয়েছে। চলতি মাসে আমরা গণমাধ্যমে খবর পাই, কোনো একটি স্থান থেকে এ ধরনের সামুরাই অস্ত্র সন্ত্রাসীদের কাছে ভাড়া ও বিক্রি করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে
এ মাসে গ্রেপ্তার কয়েক সন্ত্রাসীকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারাও এই তথ্য স্বীকার করে। সেনাবাহিনী আরও জানায়, গত দুই দিন ধরে গোয়েন্দা মাঠকর্মীরা নিউমার্কেট এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন দোকানে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দেখতে পান। এগুলোর কোনো গৃহস্থালি ব্যবহার নেই; কেউ কেউ হয়তো শোকেসে সাজানোর জন্য রাখে। কিন্তু বাস্তবে গত কয়েক মাস ধরে এই অস্ত্র দিয়ে একাধিক হত্যা, আহত, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত এক হাজার ১০০টির বেশি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গণনা কার্যক্রম চলমান। যেসব দোকান থেকে এই অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরে তারা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দুষ্কৃতকারীদের কোনো
যোগসাজশ আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন। এ ধরনের সামুরাই চাপাতি বা ধারালো অস্ত্র বিক্রি না করার জন্য ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি অনুরোধ করেছে সেনাবাহিনী।
এ মাসে গ্রেপ্তার কয়েক সন্ত্রাসীকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারাও এই তথ্য স্বীকার করে। সেনাবাহিনী আরও জানায়, গত দুই দিন ধরে গোয়েন্দা মাঠকর্মীরা নিউমার্কেট এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন দোকানে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দেখতে পান। এগুলোর কোনো গৃহস্থালি ব্যবহার নেই; কেউ কেউ হয়তো শোকেসে সাজানোর জন্য রাখে। কিন্তু বাস্তবে গত কয়েক মাস ধরে এই অস্ত্র দিয়ে একাধিক হত্যা, আহত, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত এক হাজার ১০০টির বেশি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গণনা কার্যক্রম চলমান। যেসব দোকান থেকে এই অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরে তারা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দুষ্কৃতকারীদের কোনো
যোগসাজশ আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন। এ ধরনের সামুরাই চাপাতি বা ধারালো অস্ত্র বিক্রি না করার জন্য ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি অনুরোধ করেছে সেনাবাহিনী।



