ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
আমিরের ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিলেন ওয়াকার?
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোহাম্মদ আমিরের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। গতি আর সুইংয়ে মন কেড়ে নিয়েছিলেন ক্রিকেট প্রেমীদের। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই মুদ্রার উলটো পিঠও দেখতে হয়েছিল তাকে। অনিয়ম আর দুর্নীতিতে জড়িয়ে ক্যারিয়ার খুব বেশি লম্বা হয়নি। তবে তার ক্যারিয়ারের দুর্দশার পেছনে শুধু নিজের অপকরমই নয়, বরং পাকিস্তানের সাবেক এক ক্রিকেটারের কাঁধেও দোষ চাপিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘নব্বইয়ের দশকের একজন সাবেক ক্রিকেটার আমার ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। পাকিস্তান দল কোভিডের সময় নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়েছিল। সফরের জন্য ৪০ জন খেলোয়াড় বাছাই করা হয়েছিল। অথচ সেখানে আমার নাম ছিল না।’
ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার এবং সাবেক হেড কোচ ওয়াকার
ইউনুসের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন আমির। ওয়াকার দুই মেয়াদে পাকিস্তান জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্বপালন করেছেন। প্রথমবার ২০১০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে। তখনই স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে শাস্তি পান আমির। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০১৬ সালে যখন আবার জাতীয় দলে ফেরেন আমির, তখনও পাকিস্তানের কোচ ছিলেন ওয়াকার। তবে সেই বছরই কোচের পদ ছেড়ে পিসিবির অন্য দায়িত্বে যান তিনি। আমির বলেন, ‘একবার তো পিএসএল শুরুর আগেই জাতীয় দল ঘোষণা করা হলো যেন আমি ও শোয়েব মালিক সেই টুর্নামেন্টে ভালো পারফর্ম করলেও জাতীয় দলে নিতে না হয়।’ ‘আমাকে পাকিস্তান দলে না দেখে সবাই তাকে (ওয়াকার) জিজ্ঞাসা করেছিল, আমির ভালো খেললেও কেন তাকে নিউজিল্যান্ড সফরের দলে রাখা হলো না?
এমন প্রশ্নে ওয়াকারের উত্তর ছিল অস্পষ্ট, আমরা ওকে পরিকল্পনায় রেখেছি। কিন্তু এখন ওকে একটু চাপে রাখতে হবে। পরে দেখা যাবে।’-যোগ করেন আমির। আমিরের এই গুরুতর অভিযোগ নিয়ে অবশ্য এখনো মুখ খোলেননি ওয়াকার।
ইউনুসের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন আমির। ওয়াকার দুই মেয়াদে পাকিস্তান জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্বপালন করেছেন। প্রথমবার ২০১০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে। তখনই স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে শাস্তি পান আমির। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০১৬ সালে যখন আবার জাতীয় দলে ফেরেন আমির, তখনও পাকিস্তানের কোচ ছিলেন ওয়াকার। তবে সেই বছরই কোচের পদ ছেড়ে পিসিবির অন্য দায়িত্বে যান তিনি। আমির বলেন, ‘একবার তো পিএসএল শুরুর আগেই জাতীয় দল ঘোষণা করা হলো যেন আমি ও শোয়েব মালিক সেই টুর্নামেন্টে ভালো পারফর্ম করলেও জাতীয় দলে নিতে না হয়।’ ‘আমাকে পাকিস্তান দলে না দেখে সবাই তাকে (ওয়াকার) জিজ্ঞাসা করেছিল, আমির ভালো খেললেও কেন তাকে নিউজিল্যান্ড সফরের দলে রাখা হলো না?
এমন প্রশ্নে ওয়াকারের উত্তর ছিল অস্পষ্ট, আমরা ওকে পরিকল্পনায় রেখেছি। কিন্তু এখন ওকে একটু চাপে রাখতে হবে। পরে দেখা যাবে।’-যোগ করেন আমির। আমিরের এই গুরুতর অভিযোগ নিয়ে অবশ্য এখনো মুখ খোলেননি ওয়াকার।



