ভবনজুড়ে ক্ষত আর ধ্বংসের চিহ্ন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

আরও খবর

ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর

বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!

আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!

স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

ভবনজুড়ে ক্ষত আর ধ্বংসের চিহ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন এখন কেবলই ধ্বংসস্তূপ। ভবনটিতে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা এই ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভাঙচুর আর লুটপাট হয় ভবনটির ভেতরে থাকা মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ স্মৃতিচিহ্ন। নষ্ট হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিচিহ্নগুলোও। গত মঙ্গলবার ভবনটিতে গিয়ে দেখা গেল, সব প্রবেশপথের লোহার গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সামনের দেয়ালের ওপর কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে দেওয়া। বাইরে থেকে তাকালে তিনতলা ভবনটিতে ধ্বংসের চিহ্ন চোখে পড়ে। ভেতরে থাকা সব গাছে নতুন পাতা গজিয়েছে। ভবনের গা-ঘেঁষে ওপরে উঠে যাওয়া বাগানবিলাস গাছগুলোতেও ফুটেছে নতুন

ফুল। এলাকা ঘুরে দেখা গেল, স্মৃতি জাদুঘরের গেট সংলগ্ন শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিটিও নেই। লেক-সংলগ্ন এলাকায় একটি বড় ভাস্কর্য ছিল, সেটিও আর নেই। প্রতিকৃতি নেই, কোনো রকমে বেদিটি টিকে আছে। বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনের ফুটপাতে একটি বড় লোহার কনটেইনারে প্লাস্টিকের চেয়ারসহ কিছু জিনিসপত্র রেখে দেওয়া হয়েছে। এগুলো হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছিল অথবা লুটের পর ফেরত দিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ভবনটির নিরাপত্তা রক্ষায় সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পালাক্রমে দিনরাত বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ছাড়াও পাশের তিনটি

বাড়ি এবং একটি রেস্টুরেন্টে ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। এই তিনটি বাড়িও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ও আওয়ামী লীগের কাজে ব্যবহার হয়ে আসছিল। একটি বাড়ি অবশ্য নির্মাণাধীন। ধ্বংসযজ্ঞের চার মাস পর মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু ভবনে প্রবেশের সুযোগ মেলেনি। তবে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের বয়ানে ভেতরের চিত্রের কিছু ধারণা পাওয়া গেল। জানা গেল, জাদুঘরের মূল গেট পার হলেই নিচতলা থেকে তিনতলা ভবন পর্যন্ত পুরোটাই এখন ধ্বংসস্তূপ। ভেতরের সিঁড়িতে যেখানে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃতদেহ পড়ে ছিল, সেই স্থানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে সব কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাব। বিভিন্ন কক্ষ আর ভবনের দেয়ালে দেয়ালে টানানো ১৫ আগস্টের নিহতদের ছবি, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় ছবি, ১৫

আগস্টের ঘটনাবলির ওপর রচিত বই আর তথ্যচিত্রের কিছুই অবশিষ্ট নেই। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাপড়, জুতা ও স্যান্ডেল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের এই বাড়িতে থেকেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে এই বাড়িতেই সপরিবারে হত্যা করা হয়। পরে ১৯৯৪ সালে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠনের মাধ্যমে ভবনটিকে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করেন তাঁর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ভবনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাস্ট কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপ বিষয়ে দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য জানা যায়নি। এরই মধ্যে গত সোমবার বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে

অন্যদের পাশাপাশি ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। কারা ট্রাস্টে টাকা দিয়েছেন এবং এই ট্রাস্টের টাকা কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতেই তাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?