ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের ৪৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ইউনূস-নুরজাহান জুটির ব্যয় মাত্র ১৭%
শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য সেবা খাতে বরাদ্দ রেখেছিল ৪৫,৫১৭ কোটি টাকা। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহানের নেতৃত্বাধীন জুটি এই বিপুল অর্থের মাত্র ৮,০৯৮ কোটি টাকা (১৭.৭৯ শতাংশ) ব্যয় করেছে। এই চরম কৃচ্ছতা সাধনের কারণে সারাদেশে হামের টিকাসহ জীবনরক্ষাকারী টিকা ও ঔষধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জীবনরক্ষাকারী টিকা ক্রয়, বিনামূল্যে টিকা বিতরণ ও অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ সংগ্রহের জন্য এক টাকাও ব্যয় করা হয়নি। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় হামসহ শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধের
মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের বড় অংশ ছিল উন্নয়ন ও পরিচালন খাতে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যয় হয়েছে মূলত নিম্নলিখিত খাতে: পার্সোনেল ও অপারেশনাল খরচ (বেতন-ভাতা, রক্ষণাবেক্ষণ): ব্যয়ের সিংহভাগ এখানে গেছে। এটি দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখতে সাহায্য করলেও নতুন উন্নয়নমূলক কাজে খুব সামান্য অগ্রগতি হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প (এডিপি): বরাদ্দের উল্লেখযোগ্য অংশ অব্যবহৃত রয়ে গেছে। চলমান হাসপাতাল নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে কমে গেছে। টিকা ও ঔষধ ক্রয়: এ খাতে শূন্য ব্যয়। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এবং বিনামূল্যে অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ সরবরাহে কোনো অর্থ ব্যবহার হয়নি। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মোট ব্যয়ের মধ্যে
পরিচালন ব্যয়ই প্রধান ছিল, যেখানে উন্নয়ন ব্যয়ের হার ছিল নগণ্য। সূত্রগুলো জানায়, শেখ হাসিনা সরকারের সময় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছিল এবং ব্যয়ের হারও তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কয়েক মাসে ব্যয়ের গতি মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং এডিপি বাস্তবায়নের হার নিম্নমুখী হয়।কৃচ্ছতার প্রভাব টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত: হাম, রুবেলা, পোলিওসহ গুরুত্বপূর্ণ টিকার সরবরাহ বন্ধের দ্বারপ্রান্তে। বিনামূল্যে ঔষধ সংকট: সরকারি হাসপাতালে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ায় দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। উন্নয়ন স্থবির: নতুন অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ থেমে গেছে। স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাত্র ১৭.৭৯% ব্যয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য অপর্যাপ্ত। এতে জনগণের স্বাস্থ্য অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে, বিশেষ
করে গ্রামাঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার না করার কারণে জনগণের মৌলিক স্বাস্থ্য অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং বর্তমানে হামে শিশু মৃত্যুর এই সংকট উক্ত কৃচ্ছতা সাধনের কারনেই সৃষ্ট
মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের বড় অংশ ছিল উন্নয়ন ও পরিচালন খাতে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যয় হয়েছে মূলত নিম্নলিখিত খাতে: পার্সোনেল ও অপারেশনাল খরচ (বেতন-ভাতা, রক্ষণাবেক্ষণ): ব্যয়ের সিংহভাগ এখানে গেছে। এটি দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখতে সাহায্য করলেও নতুন উন্নয়নমূলক কাজে খুব সামান্য অগ্রগতি হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প (এডিপি): বরাদ্দের উল্লেখযোগ্য অংশ অব্যবহৃত রয়ে গেছে। চলমান হাসপাতাল নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে কমে গেছে। টিকা ও ঔষধ ক্রয়: এ খাতে শূন্য ব্যয়। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এবং বিনামূল্যে অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ সরবরাহে কোনো অর্থ ব্যবহার হয়নি। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মোট ব্যয়ের মধ্যে
পরিচালন ব্যয়ই প্রধান ছিল, যেখানে উন্নয়ন ব্যয়ের হার ছিল নগণ্য। সূত্রগুলো জানায়, শেখ হাসিনা সরকারের সময় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছিল এবং ব্যয়ের হারও তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কয়েক মাসে ব্যয়ের গতি মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং এডিপি বাস্তবায়নের হার নিম্নমুখী হয়।কৃচ্ছতার প্রভাব টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত: হাম, রুবেলা, পোলিওসহ গুরুত্বপূর্ণ টিকার সরবরাহ বন্ধের দ্বারপ্রান্তে। বিনামূল্যে ঔষধ সংকট: সরকারি হাসপাতালে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ায় দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। উন্নয়ন স্থবির: নতুন অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ থেমে গেছে। স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাত্র ১৭.৭৯% ব্যয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য অপর্যাপ্ত। এতে জনগণের স্বাস্থ্য অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে, বিশেষ
করে গ্রামাঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার না করার কারণে জনগণের মৌলিক স্বাস্থ্য অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং বর্তমানে হামে শিশু মৃত্যুর এই সংকট উক্ত কৃচ্ছতা সাধনের কারনেই সৃষ্ট



