ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বৈদেশিক ঋণে জর্জরিত পাকিস্তান, ৯ মাসে বৃদ্ধি ২০ শতাংশ: বাড়ছে দাতা সংস্থার চাপও
চালু হচ্ছে ‘ই-লোন’ সেবা, ঘরে বসেই মিলবে ব্যাংক ঋণ
ভারতে শেয়ারবাজার ও রুপির বড় পতন
ঈদের আগেই বিদ্যুৎ সংকটে চামড়া শিল্পনগরী: রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কায় ট্যানারি মালিকরা
আকুর বড় অঙ্কের বিল দিয়েও ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ
বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
অনভিজ্ঞ পর্ষদে বড় ক্ষতি
প্রতি সিগারেট সর্বনিম্ন ১৭, সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব
তরুণ প্রজন্মকে ধূমপান থেকে দূরে রাখা, অকালমৃত্যু ঠেকানো এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৭ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল্য ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে দুটি বিশিষ্ট স্বাস্থ্য সংগঠন।
আজ ১১ই মে, সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো যৌথভাবে এই প্রস্তাব তুলে ধরে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিমিয়াম, উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন — এই চারটি স্তরে সিগারেটের দাম পুনর্নির্ধারণের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।
প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ২০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে শুল্ক ও করসহ প্রতিটি সিগারেটের খুচরা মূল্য দাঁড়াবে ৩৫ টাকা। উচ্চ স্তরে প্রতি ১০ শলাকার
প্যাকেট ১৫০ টাকা ধার্য করার প্রস্তাব রয়েছে, এতে শুল্কসহ প্রতিটি সিগারেটের দাম পড়বে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা। আর বর্তমানে বাজারে ৮০ ও ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া নিম্ন ও মধ্যম স্তরের প্যাকেটের দাম বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি সিগারেটের দাম গিয়ে দাঁড়াবে ১৭ টাকা ১ পয়সায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই মূল্য কাঠামো চালু করা হলে দেশে তিনটি বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রথমত, দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছেড়ে দেবেন এবং প্রায় ৩ লাখ ৭২ হাজার তরুণ নতুন করে ধূমপানে আসক্ত হবে না। তৃতীয়ত, তামাক খাত থেকে সরকারের রাজস্ব
আয় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে মোট ৮৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, “সব পণ্যের দাম বাড়লেও সিগারেটের দাম কেন বাড়বে না? দাম বাড়লে অর্থনৈতিক কারণেই তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবে।” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সুফিয়ান নাহিন শিমুল এনবিআরের নীতির সমালোচনা করে বলেন, সিগারেটের প্রায় ৯০ শতাংশ বাজার দখল করে রাখা নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দাম বাড়ানো সবচেয়ে জরুরি। কারণ এই স্তরের ভোক্তারা দামের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং মূল্যবৃদ্ধির ফলে তাদের ধূমপান ছাড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির ভয়াবহতা তুলে ধরেন জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা.
মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন। তিনি সতর্ক করে জানান, দেশে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তদের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই ধূমপায়ী এবং প্রতি বছর শুধু এই একটি রোগেই প্রাণ হারাচ্ছেন ১২ হাজার মানুষ। সংগঠন দুটির এই প্রস্তাব আসন্ন বাজেটের আগে সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্যাকেট ১৫০ টাকা ধার্য করার প্রস্তাব রয়েছে, এতে শুল্কসহ প্রতিটি সিগারেটের দাম পড়বে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা। আর বর্তমানে বাজারে ৮০ ও ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া নিম্ন ও মধ্যম স্তরের প্যাকেটের দাম বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি সিগারেটের দাম গিয়ে দাঁড়াবে ১৭ টাকা ১ পয়সায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই মূল্য কাঠামো চালু করা হলে দেশে তিনটি বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রথমত, দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছেড়ে দেবেন এবং প্রায় ৩ লাখ ৭২ হাজার তরুণ নতুন করে ধূমপানে আসক্ত হবে না। তৃতীয়ত, তামাক খাত থেকে সরকারের রাজস্ব
আয় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে মোট ৮৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, “সব পণ্যের দাম বাড়লেও সিগারেটের দাম কেন বাড়বে না? দাম বাড়লে অর্থনৈতিক কারণেই তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবে।” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সুফিয়ান নাহিন শিমুল এনবিআরের নীতির সমালোচনা করে বলেন, সিগারেটের প্রায় ৯০ শতাংশ বাজার দখল করে রাখা নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দাম বাড়ানো সবচেয়ে জরুরি। কারণ এই স্তরের ভোক্তারা দামের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং মূল্যবৃদ্ধির ফলে তাদের ধূমপান ছাড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির ভয়াবহতা তুলে ধরেন জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা.
মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন। তিনি সতর্ক করে জানান, দেশে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তদের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই ধূমপায়ী এবং প্রতি বছর শুধু এই একটি রোগেই প্রাণ হারাচ্ছেন ১২ হাজার মানুষ। সংগঠন দুটির এই প্রস্তাব আসন্ন বাজেটের আগে সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



