ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শুরু
মলদ্বারের ভিতর মোবাইল লুকিয়ে রেখেছেন বন্দি! এক্স-রে রিপোর্টে ধরা
মলদ্বারের ভিতর মোবাইল লুকিয়ে রেখেছিলেন বন্দি। জেলে মোবাইল আছে, বুঝতে পেরেছিলেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কিছুতেই তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ওই ব্যক্তির এক্স রে পরীক্ষা করানো হয়। তাতেই ধরা পড়ে মোবাইলটি।
ঘটনাটি গুজরাতের ভাবনগর জেলের। পকসো মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল ওই বন্দিকে। গত ১৯ অক্টোবর তাঁকে ভাবনগর জেলে নিয়ে আসা হয়। ৩৩ বছরের যুবকের মলদ্বার থেকে মোবাইল উদ্ধারের পর জেল কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই জেলের ইন-চার্জ বিষ্ণুজি বাগেলা জানিয়েছেন, ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভাবনগর জেলে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। স্থানীয় তদন্তকারী দল ওই অভিযানের সময়ে জেলের মধ্যে একটি মোবাইলের চার্জার খুঁজে পান। কিন্তু মোবাইলটি পাওয়া যায়নি।
এর পর
জেলের আনাচে কানাচে তন্ন তন্ন করে মোবাইল খোঁজেন তদন্তকারীরা। কয়েদিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এই সময়ে এক বন্দির আচরণ এবং উত্তরে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাঁর কাছ থেকে মোবাইল না পাওয়া গেলে তাঁকে জেলের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যুবকের মলদ্বারের এক্স-রে করে দেখেন জেল কর্তৃপক্ষ। দেখা যায়, মলদ্বারে রয়েছে মোবাইল ফোনটি। সেটি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কী ভাবে জেলের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করলেন অভিযুক্ত, মোবাইলের চার্জারটিই বা কী ভাবে তাঁর কাছে এল, সেই প্রশ্ন উঠেছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযুক্ত কত দিন ধরে, কী কাজে মোবাইলটি ব্যবহার করছেন, তা-ও খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।
জেলের আনাচে কানাচে তন্ন তন্ন করে মোবাইল খোঁজেন তদন্তকারীরা। কয়েদিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এই সময়ে এক বন্দির আচরণ এবং উত্তরে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাঁর কাছ থেকে মোবাইল না পাওয়া গেলে তাঁকে জেলের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যুবকের মলদ্বারের এক্স-রে করে দেখেন জেল কর্তৃপক্ষ। দেখা যায়, মলদ্বারে রয়েছে মোবাইল ফোনটি। সেটি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কী ভাবে জেলের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করলেন অভিযুক্ত, মোবাইলের চার্জারটিই বা কী ভাবে তাঁর কাছে এল, সেই প্রশ্ন উঠেছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযুক্ত কত দিন ধরে, কী কাজে মোবাইলটি ব্যবহার করছেন, তা-ও খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।



