ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইনজুরিতে জার্মান ডিফেন্ডারের বিশ্বকাপ শেষ
ইনজুরিতে জার্মান ডিফেন্ডারের বিশ্বকাপ শেষ
‘মেসিকে নিয়ে লিখতে গেলে একটি পুরো বইও যথেষ্ট নয়’
কে এই কেপ ভার্দের ইতিহাস গড়া নায়ক
পেলের ৬৮ বছর আগের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ইয়ামাল
আর্জেন্টিনার কোনো দুর্বলতা নেই, সব পজিশনই শক্তিশালী: অস্ট্রিয়া কোচ
শেষ নাচ নাকি নতুন ভোর
বিশ্বকাপে মেসির সর্বাধিক গোলের রেকর্ড, দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনা
লিওনেল মেসির রেকর্ডের রাতে এবং তার অনবদ্য জোড়া গোলে ২০২৬ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে জয় পেয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করলো বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। শুরুতেই পায় পেনাল্টি। খেলার নবম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। এরপর জ্বলে উঠেন তিনি।
অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ প্রথমার্ধে বেশ ভালো প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ৩৮ মিনিটে সেই প্রতিরোধ ভেঙে দেন অধিনায়ক মেসি। থিয়াগো আলমাদার পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক দর্শনীয় শটে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি। এই গোলের সঙ্গেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করায় জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলেন
তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রিয়া সমতায় ফেরার জন্য বেশ কিছু আক্রমণ চালায়। বিশেষ করে ৭০ মিনিটের পর ডেভিড আলাবা ও পল ওয়ানারকে তুলে নিয়ে মার্কো আরনাউতোভিচ ও আলেকজান্ডার প্রাসকে মাঠে নামালে অস্ট্রিয়ার আক্রমণের ধার কিছুটা বাড়ে। ৬৮ মিনিটে সাবিৎজারের ক্রস থেকে গ্রেগোরিচের হেড বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে নিশ্চিত সমতা ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া হয় ইউরোপের দলটির। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে লাউতারো মার্টিনেজ ও রদ্রিগো ডি পলকে তুলে হুলিয়ান আলভারেজ ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে মাঠে নামান। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে, যখন অস্ট্রিয়া অল-আউট আক্রমণে ব্যস্ত, তখন কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। ৯০+৭ মিনিটে আলভারেজের প্রথম শটটি অস্ট্রিয়ান গোলরক্ষক শ্লাগার ফিরিয়ে
দিলেও ফিরতি বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে নিজের পঞ্চম গোলটি পূর্ণ করলেন মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় নিজের অবস্থানকে আরও সুসংহত করলেন এবং বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি আরও সমৃদ্ধ করলেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মেসির একটি দূরপাল্লার ফ্রি-কিক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে না গেলে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকটিও পেয়ে যেতেন এই মহাতারকা।
তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রিয়া সমতায় ফেরার জন্য বেশ কিছু আক্রমণ চালায়। বিশেষ করে ৭০ মিনিটের পর ডেভিড আলাবা ও পল ওয়ানারকে তুলে নিয়ে মার্কো আরনাউতোভিচ ও আলেকজান্ডার প্রাসকে মাঠে নামালে অস্ট্রিয়ার আক্রমণের ধার কিছুটা বাড়ে। ৬৮ মিনিটে সাবিৎজারের ক্রস থেকে গ্রেগোরিচের হেড বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে নিশ্চিত সমতা ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া হয় ইউরোপের দলটির। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে লাউতারো মার্টিনেজ ও রদ্রিগো ডি পলকে তুলে হুলিয়ান আলভারেজ ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে মাঠে নামান। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে, যখন অস্ট্রিয়া অল-আউট আক্রমণে ব্যস্ত, তখন কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। ৯০+৭ মিনিটে আলভারেজের প্রথম শটটি অস্ট্রিয়ান গোলরক্ষক শ্লাগার ফিরিয়ে
দিলেও ফিরতি বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে নিজের পঞ্চম গোলটি পূর্ণ করলেন মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় নিজের অবস্থানকে আরও সুসংহত করলেন এবং বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি আরও সমৃদ্ধ করলেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মেসির একটি দূরপাল্লার ফ্রি-কিক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে না গেলে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকটিও পেয়ে যেতেন এই মহাতারকা।



