২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশ ছাড়লেন, তখন বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯.২৩ লক্ষ কোটি টাকা। মাত্র আঠারো মাসে ইউনূস সেই ঋণ বাড়িয়ে দাঁড় করিয়েছেন ২১.৪৯ লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ নতুন ঋণ নেওয়া হয়েছে ২.২৬ লক্ষ কোটি টাকা। এই বিশাল অংকের টাকা নিয়ে কী করা হলো? কোনো মেগা প্রজেক্ট হয়নি। কোনো সেতু বা সড়ক তৈরি হয়নি। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়নি। কোনো শিল্পকারখানা গড়ে ওঠেনি। তাহলে এই দুই লাখ ছাব্বিশ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়? ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটা প্রচারণা চালানো হয়েছিল যে শেখ হাসিনার আমলে নাকি প্রতি বছর পনেরো বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। এই হিসাবটা যদি সত্যি হতো,

তাহলে ইউনূসের আমলে যখন কোনো পাচার হচ্ছে না, তখন ফরেন রিজার্ভ তো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কথা। শেখ হাসিনা রেখে গিয়েছিলেন ২০.৫ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ। আঠারো মাসে যদি পনেরো বিলিয়ন ডলার পাচার না হয়ে দেশেই থাকে, তাহলে রিজার্ভ দাঁড়ানোর কথা ছিল কমপক্ষে বিয়াল্লিশ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। কিন্তু বাস্তবে এখন রিজার্ভ আছে মাত্র ঊনত্রিশ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার। তেরো বিলিয়ন ডলার কোথায় গেল? এই বিশাল অঙ্কের ডলার কি বাতাসে মিলিয়ে গেল নাকি সুপরিকল্পিতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে? যে সরকার আগের সরকারকে পাচারকারী বলে গালাগাল করত, সেই সরকারের আমলেই রিজার্ভ কমে গেল প্রায় নয় বিলিয়ন ডলার। এর চেয়ে বড় পাচার আর কী হতে পারে? সবচেয়ে

হাস্যকর বিষয় হলো, এই বিশাল পরিমাণ নতুন ঋণ নিয়ে কোনো কাজই হয়নি। শেখ হাসিনার আমলে ঋণ নিয়ে পদ্মা সেতু হয়েছে, মেট্রোরেল হয়েছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। ইউনূসের আমলে কী হয়েছে? শুধু ঋণের বোঝা বেড়েছে, আর রিজার্ভ কমেছে। এটাকে কী বলা যায়? দুর্নীতি, লুটপাট, নাকি সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক সন্ত্রাস? ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাস্তায় রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হলো। বিদেশি টাকা, ইসলামি জঙ্গিদের সহায়তা আর সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় একটা অবৈধ সরকার ক্ষমতায় বসল। সেই সরকার দেশের মানুষকে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে যা করেছে তা হলো দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো এখন

এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে যে আগামী দশ বছরে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। যে সরকার আসবে তারা পাবে একটা নিঃস্ব রাষ্ট্রকোষ, বিশাল ঋণের বোঝা আর শূন্য রিজার্ভ। এই অবস্থা থেকে বের হতে কত বছর লাগবে, কত প্রজন্মের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, তার কোনো হিসাব নেই। ইউনূস আর তার দলবল এখন চলে যাচ্ছেন। কিন্তু রেখে যাচ্ছেন একটা ধ্বংসস্তূপ। যাদের হাতে এই লুটপাট হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে এই টাকার হিসাব আদায় করতে হবে। প্রতিটা পয়সার খোঁজ নিতে হবে। নইলে এই দেশ কখনো আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বৈশাখী সাজে সাত ছবিতে চমক ইরানের দাবি- জব্দ অর্থ ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র, অস্বীকার ওয়াশিংটনের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের ১০ দফা, কী চাইছে তেহরান শাহবাজ শরিফ ও জেডি ভ্যান্স বৈঠকে বসেছেন ন্যায্য অধিকারকে স্বীকৃতি দিলে চুক্তির জন্য প্রস্তুত তেহরান কোন কোন বিষয়ে আলোচনা, ফলাফল কী হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক আলোচনা ইসলামাবাদে শুরুর অপেক্ষা ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প চাঁদে অভিযান শেষ করে পৃথিবীতে ফিরলেন আর্টেমিস-২-এর নভোচারীরা সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু পিএসএল শেষ পারভেজ ইমনের, দেশে ফিরছেন আজই ঠাকুরগাঁও বার নির্বাচনে আ’লীগ পন্থী প্রার্থীদের বড় চমক ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল: একাত্তরের এ দিনে গঠিত হয়েছিল মুজিবনগর সরকার চাঁদপুর ও মাদারীপুরে মিড ডে মিলের নিম্নমানের খাবারে প্রাথমিক শিশুরা অসুস্থ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মাখামাখির ফল: বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দেয়নি ইরান নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন: বিপাকে সাধারণ মানুষ, প্রকাশ্যেই ঝাড়ছেন ক্ষোভ ড. মামুনুর রশীদ: জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ২.৮%-তে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ অ্যাটলেটিকোর কাছে হারের পর উয়েফার কাছে বার্সেলোনার নালিশ