১০ কাঠার প্লটে যাবজ্জীবন হলে ৪৪৬৭ কাঠার দায়ে সাজা হবে কত হাজার বছর? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
     ২:১০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

১০ কাঠার প্লটে যাবজ্জীবন হলে ৪৪৬৭ কাঠার দায়ে সাজা হবে কত হাজার বছর?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ | ২:১০ 55 ভিউ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ নেয়াকে কেন্দ্র করে যখন কঠোর সাজার গুঞ্জন—এমনকি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে—তখন জনমনে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে বড় ধরণের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। দেশের আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের মাপকাঠি কি সবার জন্য সমান, নাকি এটি কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার? বিশেষ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম জড়িয়ে হাজার হাজার কাঠা জমি বরাদ্দের তথ্য যখন সামনে আসছে, তখন এই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে উঠছে। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, শেখ হাসিনা পূর্বাচলে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন। দেশের একজন পাঁচ বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এমন বরাদ্দ খুবই নগণ্য বিষয়

হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অথচ, এই সামান্য জমির জন্য রাষ্ট্রদোহিতা বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ শাস্তির আলাপ তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন সূত্রে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিয়ন্ত্রণাধীন বা তার সংশ্লিষ্টতায় পূর্বাচলে প্রায় ৪ হাজার ৮০ কাঠা, উত্তরায় ৩০০ কাঠা এবং চট্টগ্রামে ৮৭ কাঠা জমি বরাদ্দের অভিযোগ রয়েছে। যদিও এই জমিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে, তবুও ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে এই বিপুল পরিমাণ জমির সংস্থান এবং ১০ কাঠার সাথে তার তুলনা—ন্যায়বিচারের দ্বিমুখী নীতিকেই সামনে আনে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ১০ কাঠা জমির জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়, তবে গাণিতিক এবং আইনি যুক্তিতে ৪ হাজার ৪৬৭ কাঠা (৪০৮০+৩০০+৮৭) জমির অনিয়ম বা বরাদ্দের জন্য

সাজার মেয়াদ কত বছর হওয়া উচিত? সেই হিসেবে তো কয়েক হাজার বছরের সাজাও কম হয়ে যায়। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অবকাঠামগত উন্নয়নে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন এবং দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করেছেন, তার তুলনায় অবসরের পর বা বসবাসের জন্য ১০ কাঠার একটি প্লট রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সামান্য উপহার বা অধিকার মাত্র। এটিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং সর্বোচ্চ শাস্তির কথা বলা মূলত তাকে জনসম্মক্ষে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং রাজনীতি থেকে মাইনাস করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তবে কথিত দুর্নীতির অভিযোগ তোলার আগে বর্তমান প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলোও একই পাল্লায় মাপা উচিত। শেখ হাসিনার সমর্থকরা মনে করছেন,

১০ কাঠার প্লট ইস্যুটি মূলত একটি ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা, যাতে করে বর্তমান সময়ের বড় বড় অব্যবস্থাপনা বা অন্যদের বিপুল সম্পত্তি অর্জনের বিষয়টি আড়াল করা যায়। বিশ্লেষণে এটি স্পষ্ট যে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনীত এই অভিযোগ যতটা না আইনি, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক। ১০ কাঠা জমির বরাদ্দের বিপরীতে হাজার কাঠা জমির মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি যদি তদন্তের বাইরে থাকে, তবে তা হবে ইতিহাসের অন্যতম বড় আইনি বৈষম্য। জনগণ মনে করে, কেবল রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে শেখ হাসিনাকে আইনি প্যাঁচে ফেলা হচ্ছে। যেখানে হাজার হাজার কাঠা জমি বরাদ্দের হিসাব মেলানো হচ্ছে না, সেখানে ১০ কাঠার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আলোচনা কেবল হাস্যকরই নয়, বরং এটি প্রতিহিংসপরায়ণ

রাজনীতির এক নিকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে ইতিহাসে থেকে যাবে। শেখ হাসিনার মতো একজন রাষ্ট্রনায়কের বিরুদ্ধে এমন লঘু অভিযোগে গুরুদণ্ড দেয়ার চেষ্টা তার জনপ্রিয়তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারবে না বলেই তার অনুসারীরা বিশ্বাস করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?