১০০ কোটি টাকার জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র অচল: অথচ সচল যন্ত্র ‘নষ্ট’ দেখিয়ে লোপাট অর্ধকোটি টাকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ আগস্ট, ২০২৬

আরও খবর

হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর পথ চলার আশ্বাস তারেক রহমানের

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন: পুলিশে থাকা ‘লীগের দোসর ও গুপ্তরা’ বাহিনীর মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করছে

পুলিশে কর্মরত গোপালগঞ্জবাসীদের ‘গোপালী’ আখ্যা দিয়ে তাদের চিহ্নিত ও তালিকা তৈরির নির্দেশ নারায়ণগঞ্জের এমপির

ত্রুটিপূর্ণ আইনে কাজী জেসিনকে বিটিভির ডিজি নিয়োগ, সমালোচনার মুখে সংশোধনের চেষ্টা সরকারের

মাতারবাড়ীতে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নযজ্ঞ দেখে বিস্মিত তারেক রহমান

পুলিশ হেফাজতে মৃত কর্মীর বাড়িতে মমতা, তারপরই উত্তপ্ত ২৪ পরগণা

শেখ হাসিনা সরকারের গড়া মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর ও কয়লা বিদ্যুতকেন্দ্র ঘুরে ঘুরে দেখলেন তারেক রহমান

১০০ কোটি টাকার জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র অচল: অথচ সচল যন্ত্র ‘নষ্ট’ দেখিয়ে লোপাট অর্ধকোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ আগস্ট, ২০২৬ |
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সচল যন্ত্রপাতিকে বিকল দেখিয়ে মেরামতের নামে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা। এই জালিয়াতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে হাসপাতালের সাবেক পরিচালক, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এবং এক স্টোরকিপারের বিরুদ্ধে। অথচ একই হাসপাতালে প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের তিন শতাধিক জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র বছরের পর বছর ধরে পড়ে আছে অচল অবস্থায়। রাজধানীসহ সারাদেশের অসংখ্য নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ চিকিৎসাসেবার জন্য নির্ভর করেন এই হাসপাতালের ওপর। কিন্তু ৩২০টি অতি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে বিকল থাকায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম। এমন পরিস্থিতিতেই সচল যন্ত্রকে নষ্ট দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সামনে এসেছে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা.

মো. শফিউর রহমান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নন্দ দুলাল সাহা এবং স্টোরকিপার মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যন্ত্র মেরামতের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪০ লাখ টাকা, যার বিপরীতে খরচ দেখানো হয় ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা। এরপর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯৫ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে খরচ দেখানো হয় ১৫ লাখ ২১ হাজার টাকা—পেশেন্ট মনিটর, ইসিজি মেশিন, ওটি টেবিল ও ডায়াথার্মি মেশিন মেরামতের অজুহাতে সাতটি কোটেশনের মাধ্যমে তোলা হয় এই অর্থ। দুই অর্থবছর মিলিয়ে মেরামতের নামে সর্বমোট তোলা হয়েছে ৪৭ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতিটি বিলে সই ছিল

তৎকালীন পরিচালক ডা. মো. শফিউর রহমানের, কিন্তু এতে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারদের কোনো সম্মতিই ছিল না বলে জানা গেছে। বিষয়টি জেনে বিস্ময় প্রকাশ করেন হাসপাতালের প্রধান বায়োমেডিকেল প্রকৌশলী মোহাম্মদ তৌহিদুদ জামান। তার ভাষ্য, ‘এসব যন্ত্র তো নষ্টই হয়নি, মেরামত হবে কীভাবে? নষ্ট হলে সবার আগে আমাদের বায়োমেডিকেল টিমের জানার কথা। আমরা কিছুই জানি না, অথচ কাগজপত্রে নাকি মেরামত সম্পন্ন করে বিলও তোলা শেষ! পুরোটাই ভুয়া কোটেশন বানিয়ে ভাগ-বাঁটোয়ারা করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘বিষয়টি সম্প্রতি জানতে পেরেছি। এটি নিয়ে তৎকালীন পরিচালক শফিউর রহমানের বিরুদ্ধে অডিট আপত্তিও এসেছে। তিনি কয়েক দিন পরপর মীমাংসার জন্য হাসপাতালে আসেন। এই টাকা স্টোরকিপার রফিক ও পরিচালক সিন্ডিকেটের পেটে গেছে।’ হাসপাতালের বিভিন্ন

মেরামত ও মালামাল সরবরাহের কার্যাদেশ পেয়ে আসছে ‘এম/এস এস.আর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যার ঠিকানা দরপত্রে দেখানো হয়েছে মিরপুরের পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ৩১৪-৩১৫ নম্বর বাসা (ফ্ল্যাট ৪/বি)। কিন্তু সেই ঠিকানায় গিয়ে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. শফিউর রহমান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নন্দ দুলাল সাহা এবং স্টোরকিপার মো. রফিকুল ইসলাম (বাঁ থেকে) ওই ভবনের বাসিন্দা ও স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবনটি সম্পূর্ণ আবাসিক—সেখানে কোনো অফিস বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বই নেই। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, প্রকৃতপক্ষে এই প্রতিষ্ঠানটি স্টোরকিপার রফিকুল ইসলামের স্ত্রীর নামে খোলা একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান মাত্র। সরকারি চাকরিতে থেকে স্ত্রীর নামে এমন কাল্পনিক প্রতিষ্ঠান খুলে জালিয়াতির প্রসঙ্গে

জিজ্ঞাসা করা হলে রফিক জবাব দেন, ‘স্ত্রী স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারেন।’ বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারদের সই ছাড়া ও মালামাল না বুঝে পেয়েও কীভাবে বিল পাস হলো—এই প্রশ্নের মুখে নামাজের অজুহাত দিয়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তিনি। ভালো যন্ত্র নষ্ট দেখিয়ে ভুয়া বিল করে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে অবশ্য তার ব্যাখ্যা, ‘ক্যাশ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হয়েছিল। সেই টাকা সমন্বয়ের জন্য পরিচালকের নির্দেশে বিল করা হয়েছে।’ আরও উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে অনুসন্ধানে—অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত সার্জিক্যাল প্রসিডিউর গ্লাভস নতুন করে প্যাকেটজাত করে হাসপাতালের স্টোরে সরবরাহ করতেন খোদ স্টোরকিপার রফিক নিজেই। জালিয়াতি ধরা পড়া এড়াতে নার্সদের প্রতি তার নির্দেশ ছিল, ব্যবহৃত গ্লাভস যেন কেটে ফেলা না হয়। উল্লেখ্য, হাসপাতালটিতে বছরে

অন্তত ১০ হাজার জোড়া সার্জিক্যাল গ্লাভসের প্রয়োজন হয়, যার প্রতি জোড়ার দাম অন্তত ১৫০ টাকা—অর্থাৎ বছরে শুধু গ্লাভসের পেছনেই খরচ হয় প্রায় ১৫ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নার্স ক্ষোভের সঙ্গে জানান, সংক্রমিত গ্লাভস পুনরায় অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহার করা রোগীর জীবন নিয়ে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। এমন গ্লাভস সরবরাহ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তাদের, পরে চিকিৎসকদের আপত্তির মুখে গত বছর থেকে উন্নতমানের গ্লাভস সরবরাহ শুরু হয়। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও স্টোরকিপার রফিকের রয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি ও চালক। ১৯৯২ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়া রফিক আগারগাঁওয়ে সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার (বি-১৪, জি-১০) বরাদ্দ পেলেও অনেক বছর ধরে নিজে না থেকে অন্যকে ভাড়া

দিয়ে আদায় করেছেন ৮১ লাখ টাকার বেশি। সিরাজগঞ্জে বাড়ি রফিকের। হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, বিভিন্ন প্রভাবশালীর নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মে যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে তার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা পেতেন অনেকেই, তাই তার বিরুদ্ধে কখনো কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। একদিকে সচল যন্ত্রের ভুয়া মেরামত দেখিয়ে চলছে লাখ লাখ টাকার লোপাট, অন্যদিকে অতি জরুরি তিন শতাধিক জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম বছরের পর বছর পড়ে আছে ব্যবহারের বাইরে। এর আগে ২০২২ সালে হাসপাতাল থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকার অক্সিজেন পাইপলাইন চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদনই প্রকাশ পায়নি, ফলে জড়িতদের কারও গায়ে আঁচড়ও লাগেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্টোরকিপার রফিক বলেন, ‘এই চুরি সম্পর্কে ওয়ার্ড মাস্টাররা জানে, আমি কিছু জানি না।’ নষ্ট যন্ত্রপাতির তালিকায় রয়েছে ভেন্টিলেটর, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্সরে, এন্ডোস্কপি, কলোনোস্কোপি, পেশেন্ট মনিটর, আল্ট্রাসাউন্ড ও অক্সিজেন জেনারেটরের মতো অতি জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী নানা সরঞ্জাম, যেগুলোর মোট মূল্য অন্তত ১০০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে ১৮ কোটি টাকায় কেনা হাসপাতালের একমাত্র এমআরআই যন্ত্রটি মাত্র দুই বছরের মধ্যেই বিকল হয়ে পড়ে, এরপর সেটি আর কখনো মেরামত করা হয়নি—ফলে প্রতি মাসে বঞ্চিত হচ্ছেন শত শত রোগী। দুটি সিটি স্ক্যানের একটি নষ্ট পড়ে আছে পাঁচ বছর ধরে, চার কোটি টাকা মূল্যের এই যন্ত্রটি সচল করার কোনো উদ্যোগও নেই। এছাড়া প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ৪০টি ভেন্টিলেটর অচল অবস্থায় পড়ে আছে, যার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। আরও পড়ে আছে ছয় কোটি টাকা মূল্যের পূর্ণাঙ্গ সেটআপসহ দুটি পোর্টেবল এক্সরে মেশিন, এক কোটি টাকা মূল্যমানের সাতটি এন্ডোস্কপি ও কোলনোস্কোপি যন্ত্র (মোট প্রায় সাত কোটি টাকা), দেড় কোটি টাকা মূল্যের ৩০টির বেশি পেশেন্ট মনিটর, ৭ কোটি ২ লাখ টাকার ১৪টি আল্ট্রাসাউন্ড, ৮০ লাখ টাকার দুটি ইকো মেশিন, এক কোটি টাকার একটি এক্সরে ম্যামোগ্রাফি এবং চার কোটি টাকার দুটি অক্সিজেন ও দুটি এয়ার জেনারেটর। বিকলের তালিকায় রয়েছে ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ১০টি ল্যাপারোস্কোপিও, যার সম্মিলিত মূল্য প্রায় আট কোটি টাকা। সব মিলিয়ে হাসপাতালটিতে অচল অবস্থায় পড়ে আছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি। এদিকে রোগ নির্ণয় ফি, ওষুধ বিক্রি ও বেড ভাড়াসহ হাসপাতালের বিভিন্ন খাতের রাজস্ব আয়ে স্বচ্ছতা আনতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে অটোমেশন চালু করেন সম্প্রতি পরিচালক পদ থেকে ওএসডি হওয়া ডা. সেহাব উদ্দিন। এর ফলে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দুই কোটি টাকা বেশি আয় হয়েছে হাসপাতালের—যা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, এতদিন এই বাড়তি রাজস্ব যেত কোথায়। তথ্য বলছে, অটোমেশন চালুর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে হাসপাতালের রাজস্ব আয় ছিল পাঁচ কোটি ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৫ টাকা। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (২৬ জুন পর্যন্ত) আয় বেড়ে দাঁড়ায় ছয় কোটি ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৫০ টাকায়—অর্থাৎ ছয় মাসের ব্যবধানে বাড়তি আয় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৫ টাকা। একাধিক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, এই পুরো অর্থই আগে চলে যেত নন্দ দুলাল ও রফিকের পকেটে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাসপাতালে পরিচালক পদে পরিবর্তন এলেও উপপরিচালক নন্দ দুলাল সাহা এখনো বহাল আছেন স্বপদে। তিনি ও স্টোরকিপার রফিক—দুজনেই প্রতিষ্ঠানের সব কেনাকাটার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নন্দ দুলাল সাহা প্রথমে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পরামর্শ দেন। পরে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তার সংক্ষিপ্ত জবাব, ‘সবকিছু নিয়ম মেনেই হয়েছে।’ অভিযোগ প্রসঙ্গে সাবেক পরিচালক ডা. শফিউর রহমান বলেন, ‘এই বিষয়ে কোনো কথা হবে না। ওখানে দেখার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আছে। সরকারের আরও দেখার অনেক বিভাগ আছে, তারা সবাই দেখছে। আমার আমলে কোনো কাগজপত্রে কোথাও কোনো গরমিল নেই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম হলো, একটা মেশিন নষ্ট হলে ডিপার্টমেন্ট থেকে রিকুইজিশন দেয়। বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা যাচাই-বাছাই করে কোটেশনের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি কেনে। যার মেশিন ঠিক হয়েছে, ব্যবহারকারীরা সঠিক বললে তবেই বিল স্টোর অ্যাকাউন্টস হয়ে আমার কাছে আসে। এখানে দুই নম্বরি করার সুযোগ নেই। তৌহিদ এবং বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে দলাদলি থাকার কারণে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করে পরিচালকের পেছনে লাগে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমী জানান, বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্যে, ‘সরকারি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠান খুলে একই প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদারির সুযোগ নেই। তাই বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কমিটি দিয়ে তদন্ত করা হবে। তাতেও না হলে অধিদপ্তর করবে। সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সবশেষে বলেন, ‘বিষয়টি আমার সময়ের না, তবে তদন্ত করে দেখা হবে। অনিয়মের বিষয়টি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর পথ চলার আশ্বাস তারেক রহমানের চিংড়ি রপ্তানি কমেছে ৬২ শতাংশ, বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়া যশোরে দিনে ১৪ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ, খামারে মরছে হাজার হাজার মুরগি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণঘাতী ক্যান্সার পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন: পুলিশে থাকা ‘লীগের দোসর ও গুপ্তরা’ বাহিনীর মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করছে পুলিশে কর্মরত গোপালগঞ্জবাসীদের ‘গোপালী’ আখ্যা দিয়ে তাদের চিহ্নিত ও তালিকা তৈরির নির্দেশ নারায়ণগঞ্জের এমপির বিদেশি ত্রাণের লোভে ৯ বছর ধরে রোহিঙ্গা সেজে নিবন্ধিত হাজার হাজার বাংলাদেশি ফেঁসে গেলেন এনআইডি-পাসপোর্ট করতে গিয়ে এক সপ্তাহে ডিমের দাম বাড়ল দেড়গুণ, ডজন ঠেকল ১৮০ টাকায়: সিন্ডিকেট ভাঙবে কে? ১০০ কোটি টাকার জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র অচল: অথচ সচল যন্ত্র ‘নষ্ট’ দেখিয়ে লোপাট অর্ধকোটি টাকা সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ১০ নেতাকর্মীকে পিটুনি দিয়ে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রলীগ ত্রুটিপূর্ণ আইনে কাজী জেসিনকে বিটিভির ডিজি নিয়োগ, সমালোচনার মুখে সংশোধনের চেষ্টা সরকারের রাষ্ট্র রক্ষার দায় ও বিচারবিভাগীয় তদন্ত বন্ধের রহস্য: শেখ হাসিনার ভাষণের দুটি মৌলিক প্রশ্ন মাতারবাড়ীতে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নযজ্ঞ দেখে বিস্মিত তারেক রহমান পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণের অভিযোগে সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশি আটক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুটি মনোনয়ন ফরম নিল বিএনপি সিলেটে হামের উপসর্গে আরও শিশুর ৩ মৃত্যু, প্রাণ হারাচ্ছেন প্রাপ্তবয়ষ্করাও শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাড়ির মালিককে খুনের অভিযোগ পুলিশ হেফাজতে মৃত কর্মীর বাড়িতে মমতা, তারপরই উত্তপ্ত ২৪ পরগণা দল নির্বাচনে সম্পৃক্ত হই না আলিয়া মাদ্রাসায় হল দখল নিয়ে ফের মুখোমুখি ছাত্রদল-শিবির