রাষ্ট্র রক্ষার দায় ও বিচারবিভাগীয় তদন্ত বন্ধের রহস্য: শেখ হাসিনার ভাষণের দুটি মৌলিক প্রশ্ন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ আগস্ট, ২০২৬

রাষ্ট্র রক্ষার দায় ও বিচারবিভাগীয় তদন্ত বন্ধের রহস্য: শেখ হাসিনার ভাষণের দুটি মৌলিক প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ আগস্ট, ২০২৬ |
গত ৫ আগস্ট দক্ষিণ এশিয়ার বৈদেশিক সংবাদদাতা ক্লাবের আয়োজনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পর দেওয়া এই ভাষণ নিছক একটি রাজনৈতিক বিবৃতি নয়, বরং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দুটি সুনির্দিষ্ট ও অমীমাংসিত প্রশ্নের অবতারণা। প্রথম প্রশ্নটি হলো, থানা পুড়িয়ে দেওয়া, সরকারি ভবনে হামলা, জনগণের সম্পদ ধ্বংস, কর্মকর্তা হত্যা ও অস্ত্র লুটের মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব কী, রাষ্ট্রের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার কোনো দায়িত্ব কি তাদের নেই? দ্বিতীয় প্রশ্নটি হলো, প্রাণহানির প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনকে কেন কাজ করতে দেওয়া হলো না, ক্ষমতা পরিবর্তনের পর কেন সেই

তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হলো। এই দুটি প্রশ্নের আলোকেই ভাষণের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। আন্দোলনের রূপান্তরঃ শান্তিপূর্ণ দাবি থেকে সংগঠিত সহিংসতায় ২০১৮ সালে ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল হয়েছিল। ২০২৪ সালে আদালত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করলে সরকার আপিল করে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপের উদ্যোগ নেয়। গণভবনে আমন্ত্রণ, তিনজন মন্ত্রীর মাধ্যমে আলোচনা এবং যুক্তিসঙ্গত দাবি মেনে নেওয়ার প্রক্রিয়া প্রমাণ করে যে সরকার শুরু থেকেই সংলাপ ও ধৈর্যের পথ বেছে নিয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনের কোনো দৃশ্যমান নেতৃত্ব ছিল না, এবং আলোচনা এগিয়ে গেলেই নতুন নির্দেশনায় দাবি বদলে যেত। কোটা সংস্কারের দাবি ক্রমে পদত্যাগের একদফা দাবিতে রূপান্তরিত হয়। এই রূপান্তরের সবচেয়ে বড়

প্রমাণ আসে খোদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের নিজের বক্তব্য থেকে, যেখানে তিনি এই আন্দোলনকে একজন মাস্টারমাইন্ডের নেতৃত্বে সুপরিকল্পিতভাবে সাজানো বলে বর্ণনা করেছিলেন। এই স্বীকারোক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে, আন্দোলনটি সত্যিই স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন হলে একে সুপরিকল্পিত বলার প্রয়োজন পড়ত কেন। ১৫ জুলাইয়ের পর দেশজুড়ে যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, তার মাত্রা ছিল নজিরবিহীন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মেট্রো রেল স্টেশন, ফ্লাইওভার, বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র, হাসপাতাল, কারাগারসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। প্রায় ৪৬০টি থানা ও ফাঁড়িতে আগুন দেওয়া হয়, অস্ত্র লুট করা হয় এবং কর্মকর্তাদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতিত পুলিশ সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী অন্তত

তিন হাজার সদস্য নিহত, আক্রান্ত বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। প্রায় পঞ্চাশটি সংবাদমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা হয়েছে এবং একাধিক সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। এনসিপির এক নেতা ও সিরাজগঞ্জের এক বিএনপি নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য থেকেও জানা যায়, থানায় আগুন ও পুলিশ হত্যা ছাড়া আন্দোলন সফল হতো না বলে তাঁরা মনে করতেন। এই স্বীকারোক্তিগুলো একত্রে বিবেচনা করলে স্পষ্ট হয়, ঘটনাপ্রবাহ নিছক স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র বিক্ষোভ ছিল না, বরং রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত আক্রমণে রূপ নিয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটেই প্রথম প্রশ্নটির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রথম প্রশ্নঃ রাষ্ট্র রক্ষার দায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড শেখ হাসিনার প্রথম প্রশ্নটি ছিল সরল অথচ মৌলিক, এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব কী। এই প্রশ্নের

উত্তর কোনো একক দেশের প্রেক্ষাপটে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর আইনি কাঠামোতেও স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ভারতের ফৌজদারি কার্যবিধিতে পুলিশ গ্রেপ্তারে বাধাপ্রাপ্ত হলে বা গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগের অধিকার রাখে, তবে তা সবসময় আত্মরক্ষা ও ন্যূনতম ক্ষতিসাধনের নীতির অধীন। যুক্তরাষ্ট্রে টেনেসি বনাম গার্নার এবং গ্রাহাম বনাম কনর মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত নীতি অনুযায়ী, জীবনের প্রতি গুরুতর হুমকি থাকলে পুলিশ যুক্তিসঙ্গত বলপ্রয়োগ করতে পারে। যুক্তরাজ্যে কমন ল ও নির্দিষ্ট আইনের অধীনে পরিস্থিতির সাপেক্ষে সমানুপাতিক বলপ্রয়োগের অনুমতি রয়েছে। তিনটি দেশেই মূলনীতি একই, প্রয়োজনীয়তা ও সমানুপাতিকতা মেনে রাষ্ট্র, নাগরিক ও নিজেদের জীবন রক্ষা করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব, অপরাধ নয়। এই তুলনামূলক প্রেক্ষাপট থেকে

দেখলে, বাংলাদেশে যা ঘটেছিল তা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং রাষ্ট্র রক্ষার প্রশ্নে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত একটি দায়িত্বের প্রতিফলন হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন। দ্বিতীয় প্রশ্নঃ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন কেন কাজ করতে পারল না দ্বিতীয় প্রশ্নটি প্রথমটির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। সহিংসতা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই, ১৮ জুলাই, তৎকালীন সরকার একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে, যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল প্রতিটি প্রাণহানির প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং প্রতিটি পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা। উক্ত তদন্ত কমিশনের প্রধান নিযুক্ত করা হয় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামান। ২৪ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতির ব্যাপকতা বিবেচনায় ১ আগস্ট এই

কমিশনকে তিন সদস্যবিশিষ্ট করে আরও বিস্তৃত, বিশ্বাসযোগ্য ও সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পূর্বের কমিশন প্রধান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামান এর সাথে সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী-কে সরকারি গেজেটে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, নিহতদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন, সহিংসতার জন্য দায়ীদের চিহ্নিতকরণ এবং সরকারি বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করাই ছিল কমিশনের নির্দিষ্ট কার্যপরিধি। কমিশনকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, যা প্রমাণ করে সরকার দ্রুত ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সত্য উন্মোচন চেয়েছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর ক্ষমতা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই এই তদন্ত প্রক্রিয়া থেমে যায়। কমিশন তার নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে পারেনি। এখানেই শেখ হাসিনার প্রশ্নটি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, ন্যায়বিচার যদি প্রকৃত লক্ষ্য হতো, তবে ইতিমধ্যে গঠিত ও কার্যক্রম শুরু করা একটি নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় কমিশনকে বন্ধ করে নতুন কোনো প্রক্রিয়ার প্রয়োজন পড়ল কেন। যে কমিশন প্রতিটি মৃত্যুর কারণ ও দায় নির্ধারণের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যপরিধি নিয়ে কাজ শুরু করেছিল, তাকে কাজ চালিয়ে যেতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করে, তদন্তের ফলাফল নিয়ে আপত্তি ছিল, নাকি তদন্তের প্রক্রিয়া ও নিরপেক্ষতা নিয়ে। এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর আজও দেশবাসীর সামনে হাজির করা হয়নি। উন্নয়নের ভিত্তি এবং বর্তমান বাস্তবতা এই দুটি প্রশ্নকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হলে গত দেড় দশকের অর্জনের প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ও কর্ণফুলী টানেলের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থনীতি সত্তর বিলিয়ন ডলার থেকে সাড়ে চারশো বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছিল। মাথাপিছু আয় ৪৮২ ডলার থেকে বেড়ে ২,৭৮৪ ডলারে পৌঁছেছিল, দারিদ্র্যের হার ৪১ শতাংশ থেকে নেমে এসেছিল ১৮.৭ শতাংশে। চৌদ্দ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় আট গুণ বৃদ্ধির মতো সামাজিক অর্জনও এই সময়ের সাক্ষ্য বহন করে। তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতিতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ২.২২ শতাংশে, দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬.৮ শতাংশে এবং শিল্প খাত ৫৪ বছরে প্রথমবারের মতো ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির মুখোমুখি হয়েছে। এই তীব্র বৈপরীত্য থেকে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে, রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা ভেঙে যাওয়ার প্রকৃত মূল্য কারা দিচ্ছেন? জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচারের পথ শেখ হাসিনার ভাষণের মূল সুর প্রতিহিংসা নয়, বরং জবাবদিহিতা ও পুনর্মিলনের আহ্বান। তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, পুনর্মিলনের অর্থ দায়মুক্তি হতে পারে না, বরং প্রকৃত অপরাধীদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রতিহিংসার হাতিয়ার নয় বরং জনগণের সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি নিছক একটি দলের স্বার্থ নয়, বরং একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র বিনির্মাণের পূর্বশর্ত। ভাষণে তোলা দুটি প্রশ্নই আসলে একই সুতোয় গাঁথা, রাষ্ট্র যখন আক্রান্ত হয় তখন তাকে রক্ষা করা যেমন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব, তেমনি সেই সংকটকালে সংঘটিত প্রতিটি মৃত্যুর প্রকৃত সত্য উদঘাটন করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রথম দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, দ্বিতীয় দায়িত্ব থেকে সরে আসাও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে। এই দুই প্রশ্নের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ উত্তর ছাড়া বাংলাদেশের সামনে টেকসই সমাধানের পথ খোলা নেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর পথ চলার আশ্বাস তারেক রহমানের চিংড়ি রপ্তানি কমেছে ৬২ শতাংশ, বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়া যশোরে দিনে ১৪ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ, খামারে মরছে হাজার হাজার মুরগি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণঘাতী ক্যান্সার পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন: পুলিশে থাকা ‘লীগের দোসর ও গুপ্তরা’ বাহিনীর মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করছে পুলিশে কর্মরত গোপালগঞ্জবাসীদের ‘গোপালী’ আখ্যা দিয়ে তাদের চিহ্নিত ও তালিকা তৈরির নির্দেশ নারায়ণগঞ্জের এমপির বিদেশি ত্রাণের লোভে ৯ বছর ধরে রোহিঙ্গা সেজে নিবন্ধিত হাজার হাজার বাংলাদেশি ফেঁসে গেলেন এনআইডি-পাসপোর্ট করতে গিয়ে এক সপ্তাহে ডিমের দাম বাড়ল দেড়গুণ, ডজন ঠেকল ১৮০ টাকায়: সিন্ডিকেট ভাঙবে কে? ১০০ কোটি টাকার জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র অচল: অথচ সচল যন্ত্র ‘নষ্ট’ দেখিয়ে লোপাট অর্ধকোটি টাকা সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ১০ নেতাকর্মীকে পিটুনি দিয়ে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রলীগ ত্রুটিপূর্ণ আইনে কাজী জেসিনকে বিটিভির ডিজি নিয়োগ, সমালোচনার মুখে সংশোধনের চেষ্টা সরকারের রাষ্ট্র রক্ষার দায় ও বিচারবিভাগীয় তদন্ত বন্ধের রহস্য: শেখ হাসিনার ভাষণের দুটি মৌলিক প্রশ্ন মাতারবাড়ীতে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নযজ্ঞ দেখে বিস্মিত তারেক রহমান পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণের অভিযোগে সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশি আটক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুটি মনোনয়ন ফরম নিল বিএনপি সিলেটে হামের উপসর্গে আরও শিশুর ৩ মৃত্যু, প্রাণ হারাচ্ছেন প্রাপ্তবয়ষ্করাও শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাড়ির মালিককে খুনের অভিযোগ পুলিশ হেফাজতে মৃত কর্মীর বাড়িতে মমতা, তারপরই উত্তপ্ত ২৪ পরগণা দল নির্বাচনে সম্পৃক্ত হই না আলিয়া মাদ্রাসায় হল দখল নিয়ে ফের মুখোমুখি ছাত্রদল-শিবির