ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ভুয়া ফটোকার্ড প্রথম কে আপলোড করেছে তা শনাক্ত সম্ভব’
১৩ লাখ টাকা দিলে পরীক্ষা ও পাস করা ছাড়াই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা!
খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২
রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা
খুনের মতো গুরুতর অপরাধ বেড়েছে
ইমো হ্যাকার গ্রুপের ৫ সদস্য গ্রেফতার
হাসপাতালে চাঁদাবাজি: সাবেক যুবদল নেতাসহ ৭ আসামির চারজন রিমান্ডে
রাজধানীর শ্যামলীতে খ্যাতনামা চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামের সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় গ্রেপ্তার সাত আসামির মধ্যে চার আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে এদিন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, মামলার এক নম্বর আসামি মঈন উদ্দিন ও তার ছয় সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার শ্যামলীতে কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে যুবদল নেতার পরিচয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে হাসপাতালটির অস্ত্রোপচারের কক্ষের ইনচার্জ আবু হানিফ
এ ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। চাঁদাবাজির ঘটনার খবর গণমাধ্যমে আসার পর যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সিকেডি হাসপাতালে যান। তারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। গত শনিবার বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। শুক্রবার রাতে তাঁরা ওই হাসপাতালে যান। মো. কামরুল ইসলাম শল্যচিকিৎসক। স্বল্প ব্যয়ে তিনি কিডনি প্রতিস্থাপন করেন। করোনা মহামারির সময় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার প্রায় বন্ধ থাকলেও কিডনি প্রতিস্থাপন বন্ধ রাখেননি তিনি। এক হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন তিনি।
এ ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। চাঁদাবাজির ঘটনার খবর গণমাধ্যমে আসার পর যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সিকেডি হাসপাতালে যান। তারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। গত শনিবার বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। শুক্রবার রাতে তাঁরা ওই হাসপাতালে যান। মো. কামরুল ইসলাম শল্যচিকিৎসক। স্বল্প ব্যয়ে তিনি কিডনি প্রতিস্থাপন করেন। করোনা মহামারির সময় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার প্রায় বন্ধ থাকলেও কিডনি প্রতিস্থাপন বন্ধ রাখেননি তিনি। এক হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন তিনি।



