হামে আক্রান্ত শিশু কোলে, মাথা চাপড়াচ্ছেন জুলাইযোদ্ধা মুশফিক
হামে আক্রান্ত শিশুসন্তানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দেন মুশফিকুর রহমান নামের এক জুলাইযোদ্ধা। তার পোস্টটি ইতোমধ্যে সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পাশাপাশি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে রাজপথে নানা সহিংসতায় যুক্ত হন এই জুলাইযোদ্ধা।
তার মত অনেকের সম্মিলিত সংঘাতে পতন ঘটে শেখ হাসিনার সরকার- যে সরকারের সময় সংক্রামক রোগের হার নেমে এসেছিল প্রায় শূন্যের ঘরে; যার সময় বিনামূল্যের টিকা পেয়েছিল শিশুরা। সেই শেখ হাসিনার সরকারের বিদায় ঘটিয়ে ক্ষমতায় বসানো হয় ড. ইউনূসকে। যিনি শেখ হাসিনার সরকারের সময়কার টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ায় আজ হাম, নিউমোনিয়াসহ সংক্রামক রোগে শিশুমৃত্যুর হার বেড়েছে, দেশজুড়ে স্বাস্থ্যখাতে দেখা দিয়েছে চরম বিপর্যয়।
যাদের কারণে
এই বিপর্যয়, তাদের একজন মুশফিক, যিনি আজ নিজের শিশুর রোগে আক্রান্ত হওয়ায় এমন আক্ষেপ করছেন; আর এ নিয়ে নেটিজেনরা তাকে তুলোধুনা করছেন। সরকার পতনের সাথে সাথে নিজের ও পরিবারের পাশাপাশি দেশের মানুষকে যে ঝুঁকিতে ফেলেছে জুলাইযোদ্ধারা, সে কথা তুলে ধরেছেন অনেকেই। তার পোস্টের সূত্রে অনেকেই লিখেছেন, রাষ্ট্র তোমার সন্তানকে হাম দেয়নি, তুমিই তোমার সন্তানের জন্য হামকে ডেকে এনেছো জুলাইর মাধ্যমে। মুশফিক তার পোস্টে সন্তানের অসুস্থতার বর্ণনা দিয়ে লিখেছেন, জন্মের পর থেকে শিশুটি ছিল শান্ত স্বভাবের এবং খুব কমই কান্না করত। তবে অসুস্থ হওয়ার পর থেকে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন দেখা যায় এবং সে দীর্ঘ সময় ধরে কান্না করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। মুশফিক জানান,
প্রথমে তার সন্তানের জ্বর দেখা দেয় এবং পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। পরবর্তীতে শিশুটির শরীরে হাম দেখা দেয়। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে। পোস্টে সংযুক্ত একটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি তার অসুস্থ সন্তানকে কোলে নিয়ে রাস্তায় হাঁটছেন। সন্তানের শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং কষ্টের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি গভীর আবেগ প্রকাশ করেন। মুশফিক বলেন, বিয়ের ছয় বছর পর আমাদের ছেলে হয়েছে। কী সুন্দর দেখতে আমার ছেলেটা। সেই সুন্দর শরীরের প্রতিটা জায়গায় এখন হাম। হাসি সে ভুলে গেছে, এখন তার ভাষাই হলো কান্না। আজ সারা দিন অনেক কেঁদেছি। ছেলের কাছে মাফ চেয়েছি বহুবার। এই দেশে তাকে জন্ম দেবার জন্য মাফ চেয়েছি। হাম মহামারি হয়ে আমার
সন্তানের শরীরে চলে এসেছে। সরি বাবা, আমি সত্যি অনেক সরি। উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশে হামের টিকার তীব্র ঘাটতির কারণেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘদিন হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি, যার ফলে প্রচণ্ড সংকট তৈরি হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ৯০-৯৫ শতাংশ টিকাদানের প্রয়োজন হলেও, ড. ইউনূসের সময়ে তা ৬০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল।
এই বিপর্যয়, তাদের একজন মুশফিক, যিনি আজ নিজের শিশুর রোগে আক্রান্ত হওয়ায় এমন আক্ষেপ করছেন; আর এ নিয়ে নেটিজেনরা তাকে তুলোধুনা করছেন। সরকার পতনের সাথে সাথে নিজের ও পরিবারের পাশাপাশি দেশের মানুষকে যে ঝুঁকিতে ফেলেছে জুলাইযোদ্ধারা, সে কথা তুলে ধরেছেন অনেকেই। তার পোস্টের সূত্রে অনেকেই লিখেছেন, রাষ্ট্র তোমার সন্তানকে হাম দেয়নি, তুমিই তোমার সন্তানের জন্য হামকে ডেকে এনেছো জুলাইর মাধ্যমে। মুশফিক তার পোস্টে সন্তানের অসুস্থতার বর্ণনা দিয়ে লিখেছেন, জন্মের পর থেকে শিশুটি ছিল শান্ত স্বভাবের এবং খুব কমই কান্না করত। তবে অসুস্থ হওয়ার পর থেকে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন দেখা যায় এবং সে দীর্ঘ সময় ধরে কান্না করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। মুশফিক জানান,
প্রথমে তার সন্তানের জ্বর দেখা দেয় এবং পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। পরবর্তীতে শিশুটির শরীরে হাম দেখা দেয়। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে। পোস্টে সংযুক্ত একটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি তার অসুস্থ সন্তানকে কোলে নিয়ে রাস্তায় হাঁটছেন। সন্তানের শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং কষ্টের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি গভীর আবেগ প্রকাশ করেন। মুশফিক বলেন, বিয়ের ছয় বছর পর আমাদের ছেলে হয়েছে। কী সুন্দর দেখতে আমার ছেলেটা। সেই সুন্দর শরীরের প্রতিটা জায়গায় এখন হাম। হাসি সে ভুলে গেছে, এখন তার ভাষাই হলো কান্না। আজ সারা দিন অনেক কেঁদেছি। ছেলের কাছে মাফ চেয়েছি বহুবার। এই দেশে তাকে জন্ম দেবার জন্য মাফ চেয়েছি। হাম মহামারি হয়ে আমার
সন্তানের শরীরে চলে এসেছে। সরি বাবা, আমি সত্যি অনেক সরি। উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশে হামের টিকার তীব্র ঘাটতির কারণেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘদিন হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি, যার ফলে প্রচণ্ড সংকট তৈরি হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ৯০-৯৫ শতাংশ টিকাদানের প্রয়োজন হলেও, ড. ইউনূসের সময়ে তা ৬০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল।



