হামের টিকা সংকটে শতাধিক শিশুমৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

হামের টিকা সংকটে শতাধিক শিশুমৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ |
হামের টিকা সংকটে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তর দাবি জানিয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। তিনি বলেন, শুধু সংকট মোকাবিলায় অপারেশনাল সহায়তা দিলেই চলবে না, এই পরিস্থিতিতে কীভাবে এসেছে তা জানা জরুরি। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখা পোষ্টে জানান, গতকাল সরকারের অনুরোধে ব্র্যাক জরুরি ভিত্তিতে হাম প্রতিরোধ টিকা প্রচারাভিযানে ১৫ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জ কেনার এবং ভ্যাকসিনেটর সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু আসিফ সালেহ বলেন, এটি যথেষ্ট নয়। তিনি উল্লেখ করেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৮,০০০-এরও বেশি সন্দেহজনক হামের কেস শনাক্ত হয়েছে। ৫৮টি জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ১৭০-এরও বেশি সন্দেহজনক মৃত্যু ঘটেছে, যার প্রায় সবই পাঁচ বছরের

কম বয়সী শিশু। মৃত শিশুদের মধ্যে ৬৪ শতাংশ কোনো টিকাই পায়নি এবং ২১ শতাংশ দুটির পরিবর্তে মাত্র একটি টিকা পেয়েছে। এমন একটি রোগে তারা মারা গেছে যা টিকা দিলে সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য। বাংলাদেশে এ বছরই হাম ও রুবেলা নির্মূল করার লক্ষ্যে ছিল। কিন্তু বর্তমানে মহামারী মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর চিকিৎসা খরচ মেটাতে চরম বেহাল অবস্থা। আসিফ সালেহ বলেন, এই ছেদ ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের জন্য অশনি সংকেত। তিনি আরও বলেন, এটি হঠাৎ করে হয়নি। ২০২৫ সালে স্বাস্থ্যকর্মীরা তিনবার বেতনের দাবিতে ধর্মঘট করেছেন, যার ফলে নিয়মিত টিকাদান ব্যাহত হয়। ভ্যাকসিন সংগ্রহে বিলম্ব, অপারেশনাল প্ল্যান বাতিলসহ একের পর এক সিদ্ধান্ত শিশুদের অরক্ষিত করে রেখেছে। বাংলাদেশ

চার দশকে বিশ্বমানের টিকাদান ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ১৯৭৯ সালে মাত্র ২ শতাংশ শিশু সম্পূর্ণ টিকা পেত, যা বিগত এক দশকের মধ্যে ৯০ শতাংশের উপরে উন্নীত করা হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ শিশুর জীবন বেঁচেছিল এই কর্মসূচির কারণে। আসিফ সালেহ বলেন, “সেই অর্জনকে আমরা এহেন অবহেলায় ধ্বংস হতে দিতে পারি না।” স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দোষারোপ নয়, প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা দরকার। কখন থেকে ব্যবস্থাটি ভাঙতে শুরু করল? কে জানত? কী করা উচিত ছিল কিন্তু করা হয়নি? সরকারিভাবে না হলে বেসরকারিভাবে এই তদন্ত হওয়া দরকার।” “শিশুরা প্রতিরোধযোগ্য রোগে মারা যাচ্ছে শুধু কিছু মানুষের গাফিলতির জন্য। এই জবাবদিহি কে দেবে? এটা কি মানা যায়?” — প্রশ্ন

রেখে আসিফ সালেহ তার ফেসবুক পোস্টে এই দাবি জানান। বর্তমানে দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিভিন্ন সূত্র অনুসারে, সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা দু’শতাধিক কাছাকাছি পৌছে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করা জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের গভীর শোক প্রকাশ গাঁজা সেবন না করলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন আগামী বছর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানালো মন্ত্রণালয় কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করলো সরকার রণক্ষেত্র সুনামগঞ্জ, নিহত বিএনপি কর্মী–আহত ৪০ নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন ইরানে ৯ বার ভূমিকম্প! নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে ‘গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২ নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য বেতন গ্রেড প্রকাশ মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত যৌতুক মামলায় আত্মসমর্পন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাহির ‘কনট্রাক্ট ম্যারেজ’র সেন্সর বাতিল রাজধানীতে বিকালেই রাতের অন্ধকার হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু চীনা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে নতুন নামে ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফরে রুবিও কুয়েতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ৪ সদস্য আটক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বাড়ি ফিরলেন সোনিয়া গান্ধী সশস্ত্র হামলায় মণিপুরে ৩ চার্চ নেতা নিহত আ.লীগ নেত্রী জাহানারা গ্রেফতার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল