ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী
২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব
শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন
উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী
এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও
তথ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে স্ক্রল আকারে সংবাদ প্রকাশের সমালোচনায় সাংবাদিক সায়ের
হাইকোর্টের রুলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গ্রামীণফোনকে ৬ হাজার কোটি টাকার তরঙ্গ দেয়ার নজিরবিহীন তোড়জোড়!
দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা এবং আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে গ্রামীণফোনকে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার তরঙ্গ (স্পেকট্রাম) পাইয়ে দেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র ও তোড়জোড় শুরু হয়েছে। নিলামের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও নতুন কোনো বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে রাষ্ট্রীয় এই সম্পদ একটি বিশেষ কোম্পানিকে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘নজিরবিহীন অনিয়ম’ বলে আখ্যায়িত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ উঠেছে, এ সংক্রান্ত একটি রুল বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। অথচ সেই রুল ‘পেন্ডিং’ থাকা অবস্থায় আদালতের প্রতি সম্মান না দেখিয়েই পর্দার আড়ালে গ্রামীণফোনকে এই সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার অপচেষ্টা চলছে। আইনজ্ঞরা বলছেন, বিচারাধীন বিষয়ে এমন
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারে নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল। নিয়ম অনুযায়ী, তরঙ্গ বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক। জানা গেছে, পূর্বের নিলামের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় নতুন করে নিলাম বিজ্ঞপ্তি জারি করাই বিধান। কিন্তু বিস্ময়করভাবে কোনো নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই, পুরনো নিলামের সূত্র ধরে সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে গ্রামীণফোনকে এই বিশাল অঙ্কের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার পায়তারা চলছে। প্রশ্ন উঠেছে, নতুন নিলাম ডাকলে যেখানে রাষ্ট্র আরও বেশি রাজস্ব পেতে পারত, সেখানে কার স্বার্থে এই গোপনীয়তা? রাষ্ট্রের ৬ হাজার কোটি টাকার স্বার্থ ঝুঁকিতে টেলিযোগাযোগ খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৬ হাজার কোটি টাকা কোনো সামান্য অংক নয়। তড়িঘড়ি করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে রাষ্ট্র বড়
ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। স্বচ্ছ প্রতিযোগিতা বা নিলাম ছাড়া এই বরাদ্দ দেওয়া হলে তা হবে সরাসরি জনগণের সম্পদের লুটপাট। আইনি জটিলতা এবং হাইকোর্টের রুল ঝুলে থাকা অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন তাড়াহুড়ো নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন দানা বাঁধছে। কার অদৃশ্য ইশারায় এবং কীসের বিনিময়ে আইনের চোখে ধুলো দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে? এই ‘এক্সক্ট্রোম’ বা তরঙ্গ হস্তান্তরের পেছনে বড় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ছক রয়েছে কি না, তা অবিলম্বে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারে নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল। নিয়ম অনুযায়ী, তরঙ্গ বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক। জানা গেছে, পূর্বের নিলামের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় নতুন করে নিলাম বিজ্ঞপ্তি জারি করাই বিধান। কিন্তু বিস্ময়করভাবে কোনো নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই, পুরনো নিলামের সূত্র ধরে সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে গ্রামীণফোনকে এই বিশাল অঙ্কের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার পায়তারা চলছে। প্রশ্ন উঠেছে, নতুন নিলাম ডাকলে যেখানে রাষ্ট্র আরও বেশি রাজস্ব পেতে পারত, সেখানে কার স্বার্থে এই গোপনীয়তা? রাষ্ট্রের ৬ হাজার কোটি টাকার স্বার্থ ঝুঁকিতে টেলিযোগাযোগ খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৬ হাজার কোটি টাকা কোনো সামান্য অংক নয়। তড়িঘড়ি করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে রাষ্ট্র বড়
ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। স্বচ্ছ প্রতিযোগিতা বা নিলাম ছাড়া এই বরাদ্দ দেওয়া হলে তা হবে সরাসরি জনগণের সম্পদের লুটপাট। আইনি জটিলতা এবং হাইকোর্টের রুল ঝুলে থাকা অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন তাড়াহুড়ো নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন দানা বাঁধছে। কার অদৃশ্য ইশারায় এবং কীসের বিনিময়ে আইনের চোখে ধুলো দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে? এই ‘এক্সক্ট্রোম’ বা তরঙ্গ হস্তান্তরের পেছনে বড় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ছক রয়েছে কি না, তা অবিলম্বে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।



