ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে
স্ত্রী ও শাশুড়িকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন
পারিবারিক অশান্তির জেরে স্ত্রী ও শাশুড়িকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করেছে অভিযুক্ত ব্যক্তি। এরপর দু’টি দেহ টেনে হিঁচড়ে বাড়ির লেবু বাগানে নিয়ে যায়। তুমুল বৃষ্টি ও অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মাটি খুঁড়ে দেহগুলি সেখানেই পুঁতে দেয়। সন্দেহ এড়াতে তার উপর কলাগাছের চারা বসিয়ে দেয় সে।
শুধু তাই নয়, অপরাধ ঢাকতে অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে নিখোঁজ ডায়েরি করে। যদিও শেষ পর্যন্ত অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া যায়নি। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বাগানে মাটি খুঁড়ে দু’টি পচাগলা দেহ উদ্ধার করেছে। দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দেবাশিস পাত্রের সঙ্গে অশান্তির জেরে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী ২৩ বছরের সোনালি দালাল।
গত ১২ জুলাই মিটমাটের লক্ষ্যে মেয়ে সোনালিকে নিয়ে তার মা সুমতী দালাল দেবাশিসের বাড়িতে আসেন। কিন্তু ১৯ জুলাই ফের অশান্তি হয়। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করে দেহ বাগানে পুঁতে দেয় অভিযুক্ত। থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরিও করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। কিন্তু বাড়ির বাগানে কলাগাছের চারার আশপাশে মাটি আলগা দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তারা পুলিশকে জানান। পুলিশের জেরার মুখে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। পরে দু’টি পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গত ১২ জুলাই মিটমাটের লক্ষ্যে মেয়ে সোনালিকে নিয়ে তার মা সুমতী দালাল দেবাশিসের বাড়িতে আসেন। কিন্তু ১৯ জুলাই ফের অশান্তি হয়। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করে দেহ বাগানে পুঁতে দেয় অভিযুক্ত। থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরিও করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। কিন্তু বাড়ির বাগানে কলাগাছের চারার আশপাশে মাটি আলগা দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তারা পুলিশকে জানান। পুলিশের জেরার মুখে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। পরে দু’টি পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।



