ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়
সেনা সদস্য পরিচয়ে ৩৭তম বিয়ের চেষ্টা, দুই প্রতারক জেলহাজতে
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে সেনা সদস্য পরিচয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে ধরা পড়েছেন দুই প্রতারক।
২৫শে জুলাই, শুক্রবার সকালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটক দুই ব্যক্তি হলেন— গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিনাথপুর বিষপুকুর গ্রামের মনতাজ উদ্দিনের ছেলে সদরুল ইসলাম (৪১) এবং একই গ্রামের জালাল উদ্দীনের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে সদরুল ইসলাম নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ভুয়া আইডি কার্ডের মাধ্যমে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সাতিনালী গ্রামের এক নারীকে বিয়ে করেন। ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের পর তিন দিন শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন তিনি। এরপর ‘ক্যাম্পে ফিরে যাওয়ার’ কথা বলে আড়াই লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে
যান। পরে তার আর কোনো খোঁজ মেলেনি। সম্প্রতি একই কৌশলে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হোপ গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন সদরুল ও তার সহযোগী আব্দুর রহিম। তবে স্থানীয় ঘটক আমিরুল ইসলাম পূর্বপরিচয় থেকে সদরুলকে শনাক্ত করেন। বৃহস্পতিবার পাত্রী দেখতে পাঠানপাড়া বাজারে গেলে এলাকাবাসী তাদের আটক করে গণধোলাই দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। তদন্তে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে মোট ৩৬টি বিয়ে করেছেন সদরুল। ক্ষেতলাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন জানান, ‘প্রতারক সদরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে তিনটি মামলা রয়েছে। আরও একাধিক ভুক্তভোগী থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন।’ এ ঘটনায় সদরুল ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতের
মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে জানান ওসি (তদন্ত)।
যান। পরে তার আর কোনো খোঁজ মেলেনি। সম্প্রতি একই কৌশলে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হোপ গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন সদরুল ও তার সহযোগী আব্দুর রহিম। তবে স্থানীয় ঘটক আমিরুল ইসলাম পূর্বপরিচয় থেকে সদরুলকে শনাক্ত করেন। বৃহস্পতিবার পাত্রী দেখতে পাঠানপাড়া বাজারে গেলে এলাকাবাসী তাদের আটক করে গণধোলাই দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। তদন্তে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে মোট ৩৬টি বিয়ে করেছেন সদরুল। ক্ষেতলাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন জানান, ‘প্রতারক সদরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে তিনটি মামলা রয়েছে। আরও একাধিক ভুক্তভোগী থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন।’ এ ঘটনায় সদরুল ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতের
মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে জানান ওসি (তদন্ত)।



