ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
সিঙ্গেল সিটের দাবিতে গভীর রাতেও হলের বাইরে ছাত্রীরা
শতভাগ সিঙ্গেল সিটের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সুলতানা রাজিয়া হলের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা গভীর রাতেও হলের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শিক্ষার্থীরা এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
দ্বিতীয় বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি, ‘প্রত্যেককে শতভাগ সিঙ্গেল সিট নিশ্চিতকরণ করতে হবে’। এসময় শিক্ষার্থীরা ‘টু-টু পার করেছি, ডাবলিং পার করি না’ এবং ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, প্রশাসন গেলো কই’ স্লোগান দিতে থাকেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাত ১টায়ও তারা হলের বাইরে অবস্থান করছেন।
এ বিষয়ে এক লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, সুলতানা রাজিয়া হলের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীদের সম্মিলিত দাবি, প্রত্যেককে শতভাগ সিঙ্গেল সিট নিশ্চিতকরণ করতে হবে।
সিট খালি সাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষের প্রত্যেক ছাত্রীর সিট নিশ্চায়ন না হওয়া পর্যন্ত হলের মেইন ব্লক এবং ই-ব্লকে নতুন কোনো ছাত্রী উঠানো যাবে না। হলের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, দুই বছর ধরে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা দুইজন করে একটি বেডে শেয়ারিং করে থাকছেন। এ সমস্যা নিয়ে বারবার হল প্রশাসনের কাছে যাওয়ার পরও তারা আবাসন সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। এমতাবস্থায় রাত থেকে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চায়। হল প্রশাসন ও প্রক্টর এসে শিক্ষার্থীদের দাবি শুনেন। তারা আমাদের দাবিকে যৌক্তিক বললেও লিখিত স্টেটমেন্টে স্বাক্ষর করতে রাজি হননি। প্রশাসনের লিখিত স্টেটমেন্ট না দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখনো হলের বাইরে অবস্থান
করছেন। বাকৃবির সুলতানা রাজিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন বলেন, হলে তিনস্তরে সিট দেওয়া হয়। একটি হলো গণরুম, তারপর এক সিটে দুইজন এবং সর্বশেষ প্রতিজনকে একটি করে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের মেয়েরা সিঙ্গেল সিটের জন্য আন্দোলন করছেন, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। বর্তমানে তারা ৭৬ জন রয়েছেন, সিঙ্গেল সিট বরাদ্দ দিতে গেলে অতিরিক্ত ৩৮টি সিটের প্রয়োজন কিন্তু হলে কোনো সিট খালি নেই। তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে, হয়তো আগামীকাল এক নোটিশ জারির মাধ্যমে তাদের সমস্যার সমাধান করা হবে, সিট ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে।
সিট খালি সাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষের প্রত্যেক ছাত্রীর সিট নিশ্চায়ন না হওয়া পর্যন্ত হলের মেইন ব্লক এবং ই-ব্লকে নতুন কোনো ছাত্রী উঠানো যাবে না। হলের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, দুই বছর ধরে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা দুইজন করে একটি বেডে শেয়ারিং করে থাকছেন। এ সমস্যা নিয়ে বারবার হল প্রশাসনের কাছে যাওয়ার পরও তারা আবাসন সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। এমতাবস্থায় রাত থেকে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চায়। হল প্রশাসন ও প্রক্টর এসে শিক্ষার্থীদের দাবি শুনেন। তারা আমাদের দাবিকে যৌক্তিক বললেও লিখিত স্টেটমেন্টে স্বাক্ষর করতে রাজি হননি। প্রশাসনের লিখিত স্টেটমেন্ট না দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখনো হলের বাইরে অবস্থান
করছেন। বাকৃবির সুলতানা রাজিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন বলেন, হলে তিনস্তরে সিট দেওয়া হয়। একটি হলো গণরুম, তারপর এক সিটে দুইজন এবং সর্বশেষ প্রতিজনকে একটি করে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের মেয়েরা সিঙ্গেল সিটের জন্য আন্দোলন করছেন, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। বর্তমানে তারা ৭৬ জন রয়েছেন, সিঙ্গেল সিট বরাদ্দ দিতে গেলে অতিরিক্ত ৩৮টি সিটের প্রয়োজন কিন্তু হলে কোনো সিট খালি নেই। তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে, হয়তো আগামীকাল এক নোটিশ জারির মাধ্যমে তাদের সমস্যার সমাধান করা হবে, সিট ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে।



