ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাষ্ট্র রক্ষার দায় ও বিচারবিভাগীয় তদন্ত বন্ধের রহস্য: শেখ হাসিনার ভাষণের দুটি মৌলিক প্রশ্ন
খোদ চাঁদপুরেই মধ্যবিত্তের নাগালের অনেক বাইরে সাধের ইলিশ, ডিমের কেজিও ৬ হাজার
এনসিটিবিতে দুর্নীতির পাহাড়: এক বছরে ২৭১১ কোটি টাকার মহালুটপাট
ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর……
তিনগুণ মূল্যে গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব পেট্রোনাসের
২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে ৫০০ শতাংশ, ২০২৪ সালেই মৃত্যু ১৪ হাজার
সারাদেশে ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ডঃ বন্ধ ৪১ বিদ্যুতকেন্দ্র
সারাদেশে ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ড হয়েছে। সোমবার রাত ১টায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল এবং রোববার বেলা ৩টায় সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮০১ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি অনেক এলাকায় দিন-রাতে মোট ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে গ্রাহকদের। সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রামের মানুষ।
জানা গেছে, ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে লোডশেডিং ভোগান্তি। সম্প্রতি টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফেরেনি।
জ্বালানি সংকটে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াট থেকে নেমেছে সাড়ে ৩ হাজারের ঘরে। এছাড়া ভারতের ঝাড়খন্ডের আদানি কেন্দ্র থেকেও ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমেছে বিদ্যুৎ
সরবরাহ। ফার্নেসওয়েল নির্ভর কেন্দ্রগুলো থেকেও কমেছে বিদ্যুৎ। পাওয়ারগ্রিডের দেওয়া তথ্য মতে, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল চাহিদার তুলনায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াট কম। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতের এই রেকর্ডের আগে গত ৩ আগস্ট রাত ১টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট। এর আগে এত বেশি লোডশেডিংয়ের নজির ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধপরবর্তি সময়ে ২০২৩ সালের ২৭ জুন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট, যা এতদিন পর্যন্ত ছিল একটি বড় রেকর্ড। অর্থাৎ চলতি আগস্ট মাসের এই ধারাবাহিক
রেকর্ড লোডশেডিং ২০২৩ সালের সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে দেখা গেছে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছিল এ বছরই। সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট, গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে। এর আগের সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা হয়েছিল ২৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে। অর্থাৎ সক্ষমতার বিচারে দেশ সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড উৎপাদনও করেছে, কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রকৃত উৎপাদন সেই সক্ষমতার তুলনায় অনেক নিচে নেমে গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের কম, ফলে সক্ষমতা থাকা
সত্ত্বেও জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতির কারণে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এই তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সংকট মূলত উৎপাদন সক্ষমতার অভাবে নয়, বরং জ্বালানি (গ্যাস, এলএনজি, ফার্নেস অয়েল) সরবরাহ ঘাটতি ও আমদানি নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সরবরাহ। ফার্নেসওয়েল নির্ভর কেন্দ্রগুলো থেকেও কমেছে বিদ্যুৎ। পাওয়ারগ্রিডের দেওয়া তথ্য মতে, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল চাহিদার তুলনায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াট কম। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতের এই রেকর্ডের আগে গত ৩ আগস্ট রাত ১টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট। এর আগে এত বেশি লোডশেডিংয়ের নজির ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধপরবর্তি সময়ে ২০২৩ সালের ২৭ জুন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট, যা এতদিন পর্যন্ত ছিল একটি বড় রেকর্ড। অর্থাৎ চলতি আগস্ট মাসের এই ধারাবাহিক
রেকর্ড লোডশেডিং ২০২৩ সালের সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে দেখা গেছে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছিল এ বছরই। সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট, গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে। এর আগের সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা হয়েছিল ২৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে। অর্থাৎ সক্ষমতার বিচারে দেশ সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড উৎপাদনও করেছে, কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রকৃত উৎপাদন সেই সক্ষমতার তুলনায় অনেক নিচে নেমে গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের কম, ফলে সক্ষমতা থাকা
সত্ত্বেও জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতির কারণে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এই তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সংকট মূলত উৎপাদন সক্ষমতার অভাবে নয়, বরং জ্বালানি (গ্যাস, এলএনজি, ফার্নেস অয়েল) সরবরাহ ঘাটতি ও আমদানি নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



