ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিজেদের মনোনীত রাষ্ট্রপতিকে ভোট না দিলে, ‘সদস্যপদ’ বাতিলের হুঁশিয়ারি বিএনপি’র চিফ হুইপের
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন: তথ্য উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার পাশে রঙ করলেও অপর পাশ মলিন, ক্ষুব্ধ চট্টগ্রামবাসী
দিনেশ ত্রিবেদী: ভালো সম্পর্ক হলে উভয় দেশের জন্য হবে ‘উইন-উইন সিচুয়েশন’
১০ ঘণ্টার ব্যবধানে লোডশেডিংয়ের নতুন জাতীয় রেকর্ড
বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ
‘সম্পর্ক উন্নয়নে’ চীন সফরের পর ‘র’ প্রধান এখন বাংলাদেশে
আদালতে সামনে উঠে আসছে কাল্পনিক মামলা ও চার্জশিট গঠনের চিত্র
গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় রাজধানীর ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নিয়ে ওই থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাকে কারণ ব্যাখ্যা করতে বলেছে আদালত।
সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে সাদিকুল হকের আইনজীবী বলেন, গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলেও বছরখানেক আগের ওই ঘটনার সময় সাদিকুল হক কারাগারে ছিলেন।
এরপর আদালত জানতে চায়, কারাগারে থেকে কীভাবে মামলার ঘটনার সঙ্গে আসামি জড়িত।
বিষয়টি নিয়ে ভাটারা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. চাঁদ আলীকে আগামী ১৬ অগাস্ট ব্যাখ্যা দিতে বলেছে আদালত। সেদিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের
এসআই কামাল হোসেন। ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর বসুন্ধরা এলাকায় একটি প্রাইভেট কার পোড়ানোর মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখাতে গত ৭ অগাস্ট আবেদন করেন এসআই চাঁদ আলী। আদালত শুনানির দিন রেখেছিল সোমবার। মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ভাটারা থানার বিটুমিন গেইটের সামনে প্রাইভেট কার রেখে বাসায় গিয়েছিলেন মনির হোসেন নামে একজন। পরে গাড়িটিতে আগুন লাগার খবরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস গিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনির হোসেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৩ নভেম্বরের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ব্যাপারে জানতে পারেন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তখন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ভাটারা
থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন তিনি। মামলায় নির্দিষ্ট কারো নাম উল্লেখ না করে ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলাতেই সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবেক মেজর সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, যা নিয়ে সোমবার আদালতে প্রশ্ন ওঠে এবং সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
এসআই কামাল হোসেন। ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর বসুন্ধরা এলাকায় একটি প্রাইভেট কার পোড়ানোর মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখাতে গত ৭ অগাস্ট আবেদন করেন এসআই চাঁদ আলী। আদালত শুনানির দিন রেখেছিল সোমবার। মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ভাটারা থানার বিটুমিন গেইটের সামনে প্রাইভেট কার রেখে বাসায় গিয়েছিলেন মনির হোসেন নামে একজন। পরে গাড়িটিতে আগুন লাগার খবরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস গিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনির হোসেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৩ নভেম্বরের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ব্যাপারে জানতে পারেন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তখন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ভাটারা
থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন তিনি। মামলায় নির্দিষ্ট কারো নাম উল্লেখ না করে ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলাতেই সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবেক মেজর সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, যা নিয়ে সোমবার আদালতে প্রশ্ন ওঠে এবং সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।



