ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও শিশুর ৩ মৃত্যু, প্রাণ হারাচ্ছেন প্রাপ্তবয়ষ্করাও
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৭২
গণহারে পোলট্রি খামার ডেকে আনছে যে বিপদ!
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আগস্ট থেকে প্রকোপ বাড়ার শঙ্কা
হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
প্রতিদিন ঠিক কতটুকু রোদ পোহানো উচিত? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
আমাদের শরীরের সুস্থতার জন্য রোদ অত্যন্ত জরুরি, তবে অতিরিক্ত রোদ ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই পুরোপুরি এড়িয়ে না গিয়ে নিয়ম মেনে পরিমিতভাবে রোদ পোহানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূর্যের আলো গায়ে লাগলে শরীর ভিটামিন ডি তৈরি করে, যা হাড় ও পেশির শক্তি বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া প্রাকৃতিক আলো আমাদের শরীরের ভেতরের স্বাভাবিক ঘড়ি বা ঘুমকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে রাতে ভালো ঘুম হয় এবং সারাদিন শরীর চাঙ্গা থাকে।
ত্বকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি লাগলেই ভিটামিন ডি তৈরি হয়। তবে সবার শরীরে সমানভাবে এটি তৈরি হয় না। এটি নির্ভর করে মানুষের বয়স, ত্বকের রঙ, কোথায় বাস করছেন এবং
কোন ঋতু চলছে তার ওপর। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেবেকা মেসন জানান, ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই, বরং অল্প সময় রোদেই ভালো কাজ হয়। যাদের ত্বক একটু শ্যামলা বা কালো, তাদের ত্বকে প্রাকৃতিক সুরক্ষাকবচ বেশি থাকে, তাই তাদের ভিটামিন ডি তৈরি হতে একটু বেশি সময় লাগে। প্রাকৃতিক আলো আমাদের মনের মেজাজ ও ঘুমের ওপরও বড় প্রভাব ফেলে। সকালের রোদ মস্তিষ্ককে সজাগ করে তোলে এবং দিন-রাতের তফাত বুঝতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত আলো না পেলে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হতে পারে এবং মন খারাপ বা অবসাদ দেখা দিতে পারে। প্রতিদিন ঠিক কত মিনিট রোদে দাঁড়াতে হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট হিসাব নেই।
কারণ দেশ ও আবহাওয়া ভেদে সূর্যের তেজ বা ইউভি ইনডেক্স আলাদা হয়। রোদ ক্ষতিকর কিনা তা শুধু ঘড়ির কাঁটা দেখে বোঝা যায় না, এর জন্য ‘ইউভি ইনডেক্স’ বা সূর্যের ক্ষতিকর তেজ কতটুকু তা দেখতে হবে। যাদের ত্বক খুব ফর্সা বা সংবেদনশীল, তাদের অতিরিক্ত রোদ থেকে দূরে থাকতে হবে। যখন সূর্যের তেজ বেশি থাকে, তখন ত্বক ঢেকে রাখা বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। অতিরিক্ত রোদ গায়ে লাগালে শরীর আনলিমিটেড ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে না, বরং ক্ষতিকর দিকগুলোই জমতে থাকে। বেশি রোদ লাগলে ত্বকে পোড়া দাগ, বয়সের ছাপ, এমনকি ত্বকের ক্যানসারও হতে পারে। চোখেরও ক্ষতি হতে পারে, তাই খুবড়া রোদে বাইরে গেলে
ভালো সানগ্লাস পরা উচিত। আরও পড়ুন গণহারে পোলট্রি খামার ডেকে আনছে যে বিপদ! গণহারে পোলট্রি খামার ডেকে আনছে যে বিপদ! আবার যারা সারাদিন ঘরের ভেতর থাকেন বা রোদ পান না, তাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়। তবে রোদ ছাড়াও খাবার এবং সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়াও কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক জোয়ান ম্যানসন দীর্ঘ সময় রোদে থাকার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মূল কথা হলো—রোদকে ভয় পেয়ে এড়িয়ে না চলে, বরং পরিমিতভাবে রোদ পোহাতে হবে এবং অতিবেগুনি রশ্মির ঝুঁকি থেকে নিজেদের রক্ষা
করতে হবে। সূত্র: সামা টিভি।
কোন ঋতু চলছে তার ওপর। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেবেকা মেসন জানান, ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই, বরং অল্প সময় রোদেই ভালো কাজ হয়। যাদের ত্বক একটু শ্যামলা বা কালো, তাদের ত্বকে প্রাকৃতিক সুরক্ষাকবচ বেশি থাকে, তাই তাদের ভিটামিন ডি তৈরি হতে একটু বেশি সময় লাগে। প্রাকৃতিক আলো আমাদের মনের মেজাজ ও ঘুমের ওপরও বড় প্রভাব ফেলে। সকালের রোদ মস্তিষ্ককে সজাগ করে তোলে এবং দিন-রাতের তফাত বুঝতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত আলো না পেলে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হতে পারে এবং মন খারাপ বা অবসাদ দেখা দিতে পারে। প্রতিদিন ঠিক কত মিনিট রোদে দাঁড়াতে হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট হিসাব নেই।
কারণ দেশ ও আবহাওয়া ভেদে সূর্যের তেজ বা ইউভি ইনডেক্স আলাদা হয়। রোদ ক্ষতিকর কিনা তা শুধু ঘড়ির কাঁটা দেখে বোঝা যায় না, এর জন্য ‘ইউভি ইনডেক্স’ বা সূর্যের ক্ষতিকর তেজ কতটুকু তা দেখতে হবে। যাদের ত্বক খুব ফর্সা বা সংবেদনশীল, তাদের অতিরিক্ত রোদ থেকে দূরে থাকতে হবে। যখন সূর্যের তেজ বেশি থাকে, তখন ত্বক ঢেকে রাখা বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। অতিরিক্ত রোদ গায়ে লাগালে শরীর আনলিমিটেড ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে না, বরং ক্ষতিকর দিকগুলোই জমতে থাকে। বেশি রোদ লাগলে ত্বকে পোড়া দাগ, বয়সের ছাপ, এমনকি ত্বকের ক্যানসারও হতে পারে। চোখেরও ক্ষতি হতে পারে, তাই খুবড়া রোদে বাইরে গেলে
ভালো সানগ্লাস পরা উচিত। আরও পড়ুন গণহারে পোলট্রি খামার ডেকে আনছে যে বিপদ! গণহারে পোলট্রি খামার ডেকে আনছে যে বিপদ! আবার যারা সারাদিন ঘরের ভেতর থাকেন বা রোদ পান না, তাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়। তবে রোদ ছাড়াও খাবার এবং সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়াও কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক জোয়ান ম্যানসন দীর্ঘ সময় রোদে থাকার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মূল কথা হলো—রোদকে ভয় পেয়ে এড়িয়ে না চলে, বরং পরিমিতভাবে রোদ পোহাতে হবে এবং অতিবেগুনি রশ্মির ঝুঁকি থেকে নিজেদের রক্ষা
করতে হবে। সূত্র: সামা টিভি।



