ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ বদলে যাচ্ছে ‘জুলাই কোটা’-তেঃ বিমানে জুলাই যোদ্ধাদের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ঘোষণা
রাঙামাটিতে ডিবিসির প্রতিনিধি সৈকত রঞ্জনকে সাদা পোশাকধারী ব্যাক্তিদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ
৫০ লাখ চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে গুলি: চট্টগ্রামে শিবির সাজ্জাদ গ্যাংয়ের নতুন আতঙ্ক
সুবর্ণচরে মাদক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের শপথ
নিজেদের মনোনীত রাষ্ট্রপতিকে ভোট না দিলে, ‘সদস্যপদ’ বাতিলের হুঁশিয়ারি বিএনপি’র চিফ হুইপের
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন: তথ্য উপদেষ্টা
আদালতে সামনে উঠে আসছে কাল্পনিক মামলা ও চার্জশিট গঠনের চিত্র
নেত্রকোণায় ৭৯ শতাংশ লোডশেডিং, নিরাপত্তা চেয়ে পল্লী বিদ্যুতের চিঠি — বিদ্যুৎ না পেয়ে ক্ষুব্ধ জনতার হামলার ইতিহাস কি ফিরছে?
নেত্রকোণায় বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে দিন-রাত মিলিয়ে ৭২ থেকে ৭৯ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানিয়েছে নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও হামলার আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, লোডশেডিং কমিয়ে আনতে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
পুরনো এক সংকটের প্রতিচ্ছবি
নেত্রকোণার এই চিত্র নতুন কিছু নয় বলেই মনে করিয়ে দিচ্ছে রাজনীতি সচেতন ব্যাক্তিরা। ২০০১-২০০৫ সময়কালে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে প্রায়
একই ধরনের প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল। সে সময়ের একটি পত্রিকার প্রথম পাতায় “দায় শুধুই বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যার সঙ্গে ছিল বিদ্যুতের খুঁটি হাতে হ্যারিকেন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তৎকালীন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর একটি ব্যঙ্গচিত্র। একই পত্রিকার অন্য একটি সংখ্যায় “বিদ্যুৎ না পেয়ে বিভিন্ন জেলায় ক্ষুব্ধ মানুষের বিক্ষোভ, ভাংচুর” শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয়, যেখানে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষুব্ধ জনতার সড়ক অবরোধ ও বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুরের খবর তুলে ধরা হয়েছিল। দৈনিক যুগান্তরের একটি পুরনো সংখ্যায় আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায় সেই সময়ের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চিত্র। “বিদ্যুৎ বিদ্রোহের মুখে প্রতিমন্ত্রী অপসারিত” শিরোনামের প্রধান প্রতিবেদনের পাশাপাশি “বিদ্যুতের দাবিতে অশান্ত জনপদ” এবং “বিদ্যুতের দাবিতে উত্তাল উত্তরা” শীর্ষক আরও
দুটি প্রতিবেদন একই পাতায় ছাপা হয়েছিল। প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা একটি ছবিতে দেখা যায়, রাস্তায় গাড়িতে আগুন জ্বলছে এবং আশপাশে মানুষজন জড়ো হয়ে আছে—বিদ্যুৎ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে সৃষ্ট বিক্ষোভের একটি দৃশ্য। সেই সময়ও দেশজুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল এবং শেষ পর্যন্ত জনরোষের মুখে দায়িত্বরত প্রতিমন্ত্রীকে অপসারণ করা হয়েছিল। দুই দশক পর নেত্রকোণার মতো এলাকায় ফের ৭০ শতাংশের বেশি লোডশেডিং এবং সম্ভাব্য গ্রাহক-বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়ার ঘটনা দেখে অনেকের কাছেই তা মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই পুরনো সংকটকালের কথা—যখন বিদ্যুৎ না থাকার ক্ষোভ রাস্তায় গড়িয়েছিল এবং তার মাশুল গুনতে হয়েছিল
দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের।
একই ধরনের প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল। সে সময়ের একটি পত্রিকার প্রথম পাতায় “দায় শুধুই বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যার সঙ্গে ছিল বিদ্যুতের খুঁটি হাতে হ্যারিকেন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তৎকালীন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর একটি ব্যঙ্গচিত্র। একই পত্রিকার অন্য একটি সংখ্যায় “বিদ্যুৎ না পেয়ে বিভিন্ন জেলায় ক্ষুব্ধ মানুষের বিক্ষোভ, ভাংচুর” শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয়, যেখানে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষুব্ধ জনতার সড়ক অবরোধ ও বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুরের খবর তুলে ধরা হয়েছিল। দৈনিক যুগান্তরের একটি পুরনো সংখ্যায় আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায় সেই সময়ের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চিত্র। “বিদ্যুৎ বিদ্রোহের মুখে প্রতিমন্ত্রী অপসারিত” শিরোনামের প্রধান প্রতিবেদনের পাশাপাশি “বিদ্যুতের দাবিতে অশান্ত জনপদ” এবং “বিদ্যুতের দাবিতে উত্তাল উত্তরা” শীর্ষক আরও
দুটি প্রতিবেদন একই পাতায় ছাপা হয়েছিল। প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা একটি ছবিতে দেখা যায়, রাস্তায় গাড়িতে আগুন জ্বলছে এবং আশপাশে মানুষজন জড়ো হয়ে আছে—বিদ্যুৎ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে সৃষ্ট বিক্ষোভের একটি দৃশ্য। সেই সময়ও দেশজুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল এবং শেষ পর্যন্ত জনরোষের মুখে দায়িত্বরত প্রতিমন্ত্রীকে অপসারণ করা হয়েছিল। দুই দশক পর নেত্রকোণার মতো এলাকায় ফের ৭০ শতাংশের বেশি লোডশেডিং এবং সম্ভাব্য গ্রাহক-বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়ার ঘটনা দেখে অনেকের কাছেই তা মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই পুরনো সংকটকালের কথা—যখন বিদ্যুৎ না থাকার ক্ষোভ রাস্তায় গড়িয়েছিল এবং তার মাশুল গুনতে হয়েছিল
দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের।



