ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের অবসান ঘটলেও কমেনি প্রভাব; ‘বিদেশি স্বার্থ রক্ষায়’ বহাল থাকছে বিতর্কিত সব চুক্তি: সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার দাবি
“আমি শেখ মুজিবের মেয়ে, দেশের স্বার্থ কখনো বেচি নাই। ক্ষমতার লোভ আমি করি না।” — শেখ হাসিনা
সড়কে চাঁদাবাজির ‘বৈধতা’ দিলেন হত্যা মামলার আসামি মন্ত্রী রবিউল
নতুন সরকার গঠন ‘প্রহসন ও সমঝোতার’ ফল, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি সাদ্দামের
সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: দরপত্র ছাড়াই ১১১ কোটির কাজ, ফারুকীর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ
ঢাকা-ওয়াশিংটন গোপন চুক্তির ফাঁস
সাবেক সরকারের দুই প্রেস সচিবের নতুন চাকরি: এমজিএইচ গ্রুপের কর্ণধারের দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন
সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার দ্রুততম সময়ে চাকরিতে যোগদান নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বিলুপ্তির মাত্র একদিন পরই সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। তাদের এই নতুন ঠিকানা হলো বাজারে আসতে যাওয়া ইংরেজি দৈনিক ‘ডেইলি ওয়াদা’ (Daily Wada)। তবে পত্রিকাটির সম্ভাব্য মালিকানা প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহীর একটি দুর্নীতি মামলা সদ্য বিলুপ্ত সরকারের আমলেই প্রত্যাহার হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে স্বার্থের সংঘাত ও ‘লেনদেনের’ প্রশ্ন উঠেছে।
লেখক ও বিশ্লেষক কবির য়াহমেদ এক নিবন্ধে এই নিয়োগ এবং এমজিএইচ গ্রুপের কর্ণধারের মামলা প্রত্যাহারের যোগসূত্র নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন।
জানা গেছে,
‘ডেইলি ওয়াদা’ নামের কোনো পত্রিকার অস্তিত্ব এর আগে দেশের মিডিয়া জগতে ছিল না। পত্রিকাটির অর্থায়নে রয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপ। এই গ্রুপের গ্লোবাল সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। বাংলাদেশেও তাদের নানাবিধ ব্যবসা রয়েছে। গণমাধ্যমে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ নতুন কিছু না হলেও, এখানে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু অন্য জায়গায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে থাকা শত কোটি টাকার একটি দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহার করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ১৩৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিল।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ দুদক তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলেরও অনুমোদন দেয়। সে সময় দুদক জানিয়েছিল, ১৩৬ কোটি টাকার মধ্যে ১১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার আয়ের গ্রহণযোগ্য উৎস পাওয়া গেলেও বাকি ১৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৯ টাকার কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। তবে আশ্চর্যজনকভাবে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর সরকার আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। সে সময় ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আশ-শামস জগলুল হোসেন মামলা প্রত্যাহারের আদেশ দেন। তখন বলা হয়, মামলাটি চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাওয়া যায়নি। কবির য়াহমেদ তার নিবন্ধে প্রশ্ন তুলেছেন, "আনিস আহমেদ
গোর্কির বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই মামলা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া কি বিধিসম্মত ছিল? এর সঙ্গে কি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জড়িত ছিল?" তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের বিলুপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা যখন সেই একই ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন সংবাদপত্রে মোটা বেতনে কাজ শুরু করেন, তখন এই মামলা প্রত্যাহারের পেছনে কোনো ‘লেনদেন’ বা স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না—সেই প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সংশ্লিষ্টদের মতে, সদ্য বিলুপ্ত সরকারের প্রভাবশালী পদে থাকা ব্যক্তিরা সরকারি দায়িত্ব ছাড়ার পরপরই এমন একটি প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন, যেই প্রতিষ্ঠানটি তাদের মেয়াদকালেই বড় ধরনের আইনি সুবিধা পেয়েছে। এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার বড়
ধরনের লঙ্ঘন হতে পারে। এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কির দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহারে কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না এবং তাতে সদ্য বিলুপ্ত সরকারের কারা জড়িত ছিলেন—তা জরুরি ভিত্তিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
‘ডেইলি ওয়াদা’ নামের কোনো পত্রিকার অস্তিত্ব এর আগে দেশের মিডিয়া জগতে ছিল না। পত্রিকাটির অর্থায়নে রয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপ। এই গ্রুপের গ্লোবাল সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। বাংলাদেশেও তাদের নানাবিধ ব্যবসা রয়েছে। গণমাধ্যমে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ নতুন কিছু না হলেও, এখানে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু অন্য জায়গায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কির বিরুদ্ধে থাকা শত কোটি টাকার একটি দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহার করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ১৩৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিল।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ দুদক তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলেরও অনুমোদন দেয়। সে সময় দুদক জানিয়েছিল, ১৩৬ কোটি টাকার মধ্যে ১১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার আয়ের গ্রহণযোগ্য উৎস পাওয়া গেলেও বাকি ১৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৯ টাকার কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। তবে আশ্চর্যজনকভাবে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর সরকার আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। সে সময় ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আশ-শামস জগলুল হোসেন মামলা প্রত্যাহারের আদেশ দেন। তখন বলা হয়, মামলাটি চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাওয়া যায়নি। কবির য়াহমেদ তার নিবন্ধে প্রশ্ন তুলেছেন, "আনিস আহমেদ
গোর্কির বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই মামলা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া কি বিধিসম্মত ছিল? এর সঙ্গে কি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জড়িত ছিল?" তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের বিলুপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা যখন সেই একই ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন সংবাদপত্রে মোটা বেতনে কাজ শুরু করেন, তখন এই মামলা প্রত্যাহারের পেছনে কোনো ‘লেনদেন’ বা স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না—সেই প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সংশ্লিষ্টদের মতে, সদ্য বিলুপ্ত সরকারের প্রভাবশালী পদে থাকা ব্যক্তিরা সরকারি দায়িত্ব ছাড়ার পরপরই এমন একটি প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন, যেই প্রতিষ্ঠানটি তাদের মেয়াদকালেই বড় ধরনের আইনি সুবিধা পেয়েছে। এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার বড়
ধরনের লঙ্ঘন হতে পারে। এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কির দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহারে কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না এবং তাতে সদ্য বিলুপ্ত সরকারের কারা জড়িত ছিলেন—তা জরুরি ভিত্তিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।



