ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শুরু
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
শান্তিতে নোবেলজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন।স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে জিমি কার্টার সেন্টার।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর।জিমি কার্টার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রেসিডেন্ট। গত অক্টোবর মাসে ১০০তম জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি।
ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর জর্জিয়ার স্থানীয় এবং একজন ডেমোক্র্যাট হিসেবে রিপাবলিকান জেরাল্ড ফোর্ডকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত জিমি কার্টার ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।তিনি এক মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ার প্লেইন্সে তার বাড়িতে ‘হসপিস কেয়ার’-এ ছিলেন। সেখানে তিনি তার স্ত্রী রোজালিন কার্টারের সঙ্গে থাকতেন।২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর মারা
যান তার স্ত্রী। জিমি কার্টার চার সন্তান ও ১১ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। এনবিসি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানায়- জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন। জিমি কার্টার বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার বিষয়ক কাজের জন্য ২০০২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছেই নন; যারা শান্তি, মানবাধিকার এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন- এমন সবার কাছেই।’
যান তার স্ত্রী। জিমি কার্টার চার সন্তান ও ১১ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। এনবিসি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানায়- জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন। জিমি কার্টার বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার বিষয়ক কাজের জন্য ২০০২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছেই নন; যারা শান্তি, মানবাধিকার এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন- এমন সবার কাছেই।’



