ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিলেটের ডিসির বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড়
জামায়াত প্রার্থীর সাম্প্রদায়িক উসকানি,প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে ধর্মবিদ্বেষী বিক্ষোভ
নগরে আগুন লাগলে দেবালয় এড়ায় না’ – সংবাদপত্রের ওপর আক্রমণ ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
ডিগ্রি-সার্টিফিকেট কেড়ে নিলেও জ্ঞান কেড়ে নিতে পারবে না’: ছাত্রলীগকে শেখ হাসিনা
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তদবির–চাঁদাবাজির অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি, তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে কোটি টাকার বাণিজ্যের গুঞ্জন
এক রাষ্ট্রে দুই আইন, অপরাধের লাইসেন্স পেল জুলাই যোদ্ধারা, জুলাই ‘যোদ্ধা’ পরিচয়ে ধর্ষণ–খুনও অপরাধ নয়
রাষ্ট্র নাকি জামায়াতের প্রশাসনিক উপনিবেশ?
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী গ্রেফতার
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও নওগাঁ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর (গোয়েন্দা) পুলিশ।
ডিএমপির মিডিয়া সেল থেকে খুদেবার্তায় গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতির হাতেখড়ি হয় সাধন চন্দ্র মজুমদারের। একসময় ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। এরপর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
সাধন চন্দ্র মজুমদার ১৯৫০ সালের ১৭ জুলাই একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি চতুর্থ। বাবা ছিলেন ধান ব্যবসায়ী। নওগাঁ ডিগ্রি কলেজ থেকে স্নাতক পাস করে সাধন চন্দ্র মজুমদার ১৯৮৪ সালে হাজীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে
নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. ছালেক চৌধুরীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তিনি। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঐক্যফ্রন্টের মোস্তাফিজুর রহমানকে পরাজিত করে তৃতীয় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হন।
নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. ছালেক চৌধুরীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তিনি। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঐক্যফ্রন্টের মোস্তাফিজুর রহমানকে পরাজিত করে তৃতীয় এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হন।



