ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রেমিট্যান্স ইতিহাসে নতুন রেকর্ড
পুঁজিবাজারে টানা ধস, আস্থার সংকটে বিনিয়োগকারীরা
সিগারেটের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের
৩১ মার্চ : আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
মালয়েশিয়া থেকে এলো ৩০ হাজার টন ডিজেল
ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা
ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর
সরকারের গম কিনতে বাড়তি ব্যয় ৫৪ কোটি টাকা
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি যখন টালমাটাল, তখন গমের বিশাল এই আমদানি খরচ সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬০ হাজার টন গম আমদানির সিদ্ধান্তের একটি চাঞ্চল্যকর চিত্র সামনে এসেছে।
অভিযোগ উঠেছে, বাজার দরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে এই আমদানি সাধারণ জনগণের পকেট কাটছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত এই গমের প্রতি টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩০৫ মার্কিন ডলার। অথচ একই মানের গম রাশিয়া বা ইউক্রেন থেকে বর্তমানে ২৩০ ডলারে কেনা সম্ভব। অর্থাৎ প্রতি টনে বাড়তি খরচ হচ্ছে ৭৫ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার টাকার সমান।
হিসাব বলছে, কেবল এই একটি চালানেই সরকার বাড়তি
ব্যয় করছে ৫৪ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কোনো উন্নয়নমূলক কাজ বা জনকল্যাণে ব্যয় না হয়ে স্রেফ একটি নির্দিষ্ট দেশকে ‘তুষ্ট’ করতে খরচ করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। এই চুক্তির নেপথ্যে কেবল কৃষি পণ্যই নয়, বরং গভীর রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করছে বলে সমালোচকরা দাবি করছেন। দেশের ১৮ কোটি মানুষের ট্যাক্সের টাকায় এই ‘পলিটিক্যাল প্রিমিয়াম’ দেওয়া হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে তৃতীয় একটি দেশের অনুমতির অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে জ্বালানি বা খাদ্য নিরাপত্তার সিদ্ধান্তে আমরা কতটুকু স্বাধীন? বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যখন আকাশছোঁয়া, তখন সরকারের এমন বিলাসবহুল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আমদানি
সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা—সর্বত্রই এখন একটিই প্রশ্ন ক্ষমতা ধরে রাখতে কি তবে বিদেশি শক্তির তোষণই এখন মূল লক্ষ্য? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত আঠারো কোটি মানুষের কাঁধেই পড়বে। যদি একের পর এক চালানে এভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা গচ্চা দেওয়া হয়। তবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে, যার খেসারত দিতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।
ব্যয় করছে ৫৪ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কোনো উন্নয়নমূলক কাজ বা জনকল্যাণে ব্যয় না হয়ে স্রেফ একটি নির্দিষ্ট দেশকে ‘তুষ্ট’ করতে খরচ করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। এই চুক্তির নেপথ্যে কেবল কৃষি পণ্যই নয়, বরং গভীর রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করছে বলে সমালোচকরা দাবি করছেন। দেশের ১৮ কোটি মানুষের ট্যাক্সের টাকায় এই ‘পলিটিক্যাল প্রিমিয়াম’ দেওয়া হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে তৃতীয় একটি দেশের অনুমতির অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে জ্বালানি বা খাদ্য নিরাপত্তার সিদ্ধান্তে আমরা কতটুকু স্বাধীন? বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যখন আকাশছোঁয়া, তখন সরকারের এমন বিলাসবহুল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আমদানি
সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা—সর্বত্রই এখন একটিই প্রশ্ন ক্ষমতা ধরে রাখতে কি তবে বিদেশি শক্তির তোষণই এখন মূল লক্ষ্য? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত আঠারো কোটি মানুষের কাঁধেই পড়বে। যদি একের পর এক চালানে এভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা গচ্চা দেওয়া হয়। তবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে, যার খেসারত দিতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।



