ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুড়িগ্রাম-১ এ ভোটার নেই, তবু ভোট ১০০% পূর্ণ
শপথ নিয়ে নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন, সাংবিধানিক সঙ্কটের আশঙ্কা
যুধিষ্ঠির কে? : উপদেষ্টা রেজওয়ানা বনাম আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ
ভোট নিয়ে ইউনূসের জালিয়াতি ফাঁস করে দিল টিআইবি
২.২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন : বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
রংপুরে ড. ওয়াজেদ মিয়ার ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে যুবলীগের শ্রদ্ধা
‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করেন’: মাহফুজ আলম
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাঞ্চল্যকর গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, খলিলুর রহমানের মন্ত্রী হওয়া প্রমাণ করে যে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারে থাকাকালে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বড় ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে বলেও দাবি করেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, শপথের ঠিক আগে সমঝোতার উদ্দেশ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নাহিদ ইসলাম ও জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমানের বাসভবনে যান।
তবে সেই আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় বিএনপি শেষ মুহূর্তে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন করে সাংবিধানিক সংকট ও অস্থিরতা সৃষ্টির একটি ‘মেটিকুলাস নকশা’ বা সূক্ষ্ম ছক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেও বিএনপির এই পরিষদ বয়কট করার সিদ্ধান্ত জুলাই চার্টার ও গণভোটের ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশকে গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এই জটিল পরিস্থিতির নেপথ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা কাজ করেছে বলে বিভিন্ন সূত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তার গঠিত ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ জুলাই চার্টারের
মাধ্যমে ৮০টিরও বেশি সংস্কার প্রস্তাব এনেছিল। ২০২৫ সালের গণভোটে এর প্রতি জনসমর্থন পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতির আদেশে সংস্কার পরিষদ গঠনের পথ প্রশস্ত হয়, যদিও বর্তমান সংবিধানে এমন কোনো পরিষদের স্পষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচিত দল যদি এই পরিষদে অংশ না নেয়, তবে পুরো সংস্কার প্রক্রিয়া অচল হয়ে পড়বে এবং জনরায় অস্বীকারের অজুহাতে রাজপথে অস্থিরতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যেই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি শপথ নেওয়ায় সংসদে দুই ধরনের সদস্যের বিভাজন তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জ এবং সিইসির এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। সমালোচকদের ধারণা, ড. ইউনূস এমন একটি ভঙ্গুর কাঠামো রেখে গেছেন যা নির্বাচিত সরকারকে শুরু থেকেই দুর্বল করে
রাখবে এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করবে। বিএনপির অবস্থানকে সাংবিধানিক যুক্তিতে দেখা হলেও একে জনবিরোধী হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা চলছে। ফলে রাজপথে নতুন আন্দোলনের ঢেউ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংবিধানিক শূন্যতার শঙ্কা ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এই জটিলতা কি নিছক রাজনৈতিক সংকট নাকি ড. ইউনূসের পরিকল্পিত কোনো নকশা, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে সেই আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় বিএনপি শেষ মুহূর্তে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন করে সাংবিধানিক সংকট ও অস্থিরতা সৃষ্টির একটি ‘মেটিকুলাস নকশা’ বা সূক্ষ্ম ছক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেও বিএনপির এই পরিষদ বয়কট করার সিদ্ধান্ত জুলাই চার্টার ও গণভোটের ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশকে গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এই জটিল পরিস্থিতির নেপথ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা কাজ করেছে বলে বিভিন্ন সূত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তার গঠিত ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ জুলাই চার্টারের
মাধ্যমে ৮০টিরও বেশি সংস্কার প্রস্তাব এনেছিল। ২০২৫ সালের গণভোটে এর প্রতি জনসমর্থন পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতির আদেশে সংস্কার পরিষদ গঠনের পথ প্রশস্ত হয়, যদিও বর্তমান সংবিধানে এমন কোনো পরিষদের স্পষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচিত দল যদি এই পরিষদে অংশ না নেয়, তবে পুরো সংস্কার প্রক্রিয়া অচল হয়ে পড়বে এবং জনরায় অস্বীকারের অজুহাতে রাজপথে অস্থিরতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যেই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি শপথ নেওয়ায় সংসদে দুই ধরনের সদস্যের বিভাজন তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জ এবং সিইসির এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। সমালোচকদের ধারণা, ড. ইউনূস এমন একটি ভঙ্গুর কাঠামো রেখে গেছেন যা নির্বাচিত সরকারকে শুরু থেকেই দুর্বল করে
রাখবে এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করবে। বিএনপির অবস্থানকে সাংবিধানিক যুক্তিতে দেখা হলেও একে জনবিরোধী হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা চলছে। ফলে রাজপথে নতুন আন্দোলনের ঢেউ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংবিধানিক শূন্যতার শঙ্কা ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এই জটিলতা কি নিছক রাজনৈতিক সংকট নাকি ড. ইউনূসের পরিকল্পিত কোনো নকশা, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।



