ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্কটল্যান্ডে কমনওয়েলথ গেমসে গিয়ে পালিয়েছেন পাকিস্তান ও উগান্ডার অ্যাথলেট
প্রতিশ্রুতি দিয়েও অর্থ দিচ্ছে না ফিফা, বিশ্বকাপ আয়োজক শহরগুলোর ক্ষোভ
পেশাদারত্ব বাড়লেও ক্রিকেটে মদ্যপানের সংস্কৃতি থেকে গেছে: স্টোকস
ভিনিসিউসের আর্সেনালে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে ‘কথা বলবেন না’ আর্তেতা
ভারতের মডেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন করতে চান তামিম
শ্রীলঙ্কা সিরিজে অনিশ্চিত জাসপ্রীত বুমরাহ
ফিফা সভাপতির পদ ছাড়ার চাপে ইনফান্তিনো
সংকট কাটাতে মরক্কোয় ইনফান্তিনোর জরুরি বৈঠক
বিশ্বকাপ ফুটবলের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর নিজের পদ ধরে রাখতে মরক্কোয় ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে বসেছেন জিয়ানি ইনফান্তিনো। বুধবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ফিফা সভাপতি তার অবস্থান শক্ত করার পথ খুঁজছেন।
গত সপ্তাহে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের কাছে নতুন বাণিজ্যিক স্বত্ব প্রদানকারী একটি সংস্থার প্রস্তাব তোলেন ইনফান্তিনো। তবে প্রস্তাবটি সামনে আসার পর থেকেই তীব্র সমালোচনা এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে পড়েছেন তিনি।
প্রস্তাবে এই নতুন সংস্থার ২০ শতাংশ শেয়ার একটি বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে ৪.২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। তা ছাড়া, এই পরিকল্পনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত একটি প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে
আসায় চারদিক থেকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবস্থা বেগতিক দেখে গত শুক্রবার ইনফান্তিনো পিছু হঠলেও বিরোধীদের ক্ষোভ কমেনি। বিশেষ করে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা সরাসরি অভিযোগ করেছে যে, ফুটবলের আত্মাকে বিক্রি করে দেয়ার চেষ্টা করেছেন ইনফান্তিনো। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফিফা সভাপতির ওপর তাদের আর কোনো আস্থা নেই। এই নতুন ঘটনার ফলে আগামী মার্চে মরক্কোয় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসে চতুর্থবারের মতো ইনফান্তিনোর পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে এসেছে। অথচ মাত্র দুই মাস আগেও ‘তার’ জয় ছিল সময়ের ব্যাপার। ইতোমধ্যেই ইউরোপের কয়েকটি ফুটবল ফেডারেশন ইনফান্তিনোর ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে। তবে এর চেয়েও বড় ধাক্কা এসেছে স্বয়ং ফিফার ভেতরের কর্মকর্তাদের দিক থেকে। রয়টার্সকে দুটি
সূত্র জানিয়েছে, ফিফা মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম কর্মীদের কাছে পাঠানো এক অভ্যন্তরীণ বার্তায় ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনাপ্রবাহ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি লেখেন, এই কারণেই প্রকল্পটি ‘চিরতরে বাতিল’ করতে হয়েছে। সুইডেনের এই কর্মকর্তা সেই বার্তায় আরও লেখেন, ‘ব্যক্তি, অস্থির সময় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত অধ্যায় আসবে আর যাবে। কিন্তু প্রতিষ্ঠান, তার লক্ষ্য এবং বিশ্ব ফুটবলের প্রতি দায়বদ্ধতা একই থাকবে…।’ উল্লেখ্য, এই চিঠিতে তিনি সরাসরি ইনফান্তিনোর নাম নেননি। এর আগে ফিফার চিফ অপারেটিং অফিসার কেভিন লামুরও একই রকম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি বলেন, সংস্থাটির কর্মীদের ‘প্রতারিত’ করা হয়েছে এবং এই প্রস্তাবটি কেবল ‘একজনের প্রকল্প’ ছিল। এই বাণিজ্যিক প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানিয়ে ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো
গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেছেন। আর গত মঙ্গলবার আর্সেনালের সাবেক ম্যানেজার আরসেন ভেঙ্গারও এই বিষয় থেকে দূরত্ব বজায় রাখার কথা নিশ্চিত করেছেন। ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে থাকা ভেঙ্গার জানান, এই পরিকল্পনার প্রাথমিক খসড়া তৈরিতে তিনি যুক্ত ছিলেন না। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেয়াকে ‘একদম প্রয়োজনীয়’ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইনফান্তিনো গত এক সপ্তাহ ধরে মরক্কোয় অবস্থান করছেন। উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি ২০৩০ সালের যৌথ বিশ্বকাপ আয়োজক এবং সেখানকার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে ফিফা সভাপতির প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। মরক্কোর রাজধানী রাবাতের পাশেই সালে শহরে অবস্থিত ফিফার আফ্রিকা কার্যালয়ে বুধবারের এই বৈঠকে প্রধান লক্ষ্যই হলো—আগামী সাত মাস পর নির্বাচন
পর্যন্ত ইনফান্তিনোর চেয়ার কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায়। নিয়ম অনুযায়ী, ৪৩টি বা তার বেশি সদস্য দেশ যদি লিখিত অনুরোধ জানায়, তবে একটি জরুরি বিশেষ কংগ্রেস আহ্বান করা যেতে পারে। লন্ডনের ‘দ্য টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উয়েফা, কনকাকাফ (উত্তর-মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল) এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) যৌথভাবে ইনফান্তিনোকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজনে ফিফার কাজ অচল করে দেয়া এমনকি নিজস্ব টুর্নামেন্ট শুরুর মাধ্যমে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করতে চায় তারা। এই প্রতিবেদনের বিষয়ে কনকাকাফ, এএফসি এবং ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উয়েফাও এ নিয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি। তবে নিজ নিজ কনফেডারেশনের পথ ধরে ইউরোপের বাইরেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যদিও
প্রতিটি জাতীয় সংস্থা মূল কনফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুসরণ নাও করতে পারে। যেমন এএফসির অবস্থানের বিপরীতে হেঁটে কাতার, কুয়েত, লেবানন, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়া সরাসরি ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেছে। প্রথাগত শক্তিশালী ফুটবল দেশগুলোর বাইরে ইনফান্তিনো সবসময়ই বড় আকারের সমর্থন পেয়ে এসেছেন, যেখানে অনুন্নত দেশের ফুটবল সংস্থাগুলো তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনার জন্য ফিফার অনুদানের ওপর নির্ভর করে। মূলত এই ধরনের দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোকেই লক্ষ্য করে ইনফান্তিনো তার পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন, যেখানে প্রস্তাব সমর্থনের বিনিময়ে আগামী বছরের শুরুতেই প্রতিটি দেশকে ২০ থেকে ৪০ মিলিয়ন ডলারের বিশেষ অনুদান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।
আসায় চারদিক থেকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবস্থা বেগতিক দেখে গত শুক্রবার ইনফান্তিনো পিছু হঠলেও বিরোধীদের ক্ষোভ কমেনি। বিশেষ করে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা সরাসরি অভিযোগ করেছে যে, ফুটবলের আত্মাকে বিক্রি করে দেয়ার চেষ্টা করেছেন ইনফান্তিনো। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফিফা সভাপতির ওপর তাদের আর কোনো আস্থা নেই। এই নতুন ঘটনার ফলে আগামী মার্চে মরক্কোয় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসে চতুর্থবারের মতো ইনফান্তিনোর পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে এসেছে। অথচ মাত্র দুই মাস আগেও ‘তার’ জয় ছিল সময়ের ব্যাপার। ইতোমধ্যেই ইউরোপের কয়েকটি ফুটবল ফেডারেশন ইনফান্তিনোর ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে। তবে এর চেয়েও বড় ধাক্কা এসেছে স্বয়ং ফিফার ভেতরের কর্মকর্তাদের দিক থেকে। রয়টার্সকে দুটি
সূত্র জানিয়েছে, ফিফা মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম কর্মীদের কাছে পাঠানো এক অভ্যন্তরীণ বার্তায় ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনাপ্রবাহ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি লেখেন, এই কারণেই প্রকল্পটি ‘চিরতরে বাতিল’ করতে হয়েছে। সুইডেনের এই কর্মকর্তা সেই বার্তায় আরও লেখেন, ‘ব্যক্তি, অস্থির সময় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত অধ্যায় আসবে আর যাবে। কিন্তু প্রতিষ্ঠান, তার লক্ষ্য এবং বিশ্ব ফুটবলের প্রতি দায়বদ্ধতা একই থাকবে…।’ উল্লেখ্য, এই চিঠিতে তিনি সরাসরি ইনফান্তিনোর নাম নেননি। এর আগে ফিফার চিফ অপারেটিং অফিসার কেভিন লামুরও একই রকম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি বলেন, সংস্থাটির কর্মীদের ‘প্রতারিত’ করা হয়েছে এবং এই প্রস্তাবটি কেবল ‘একজনের প্রকল্প’ ছিল। এই বাণিজ্যিক প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানিয়ে ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো
গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেছেন। আর গত মঙ্গলবার আর্সেনালের সাবেক ম্যানেজার আরসেন ভেঙ্গারও এই বিষয় থেকে দূরত্ব বজায় রাখার কথা নিশ্চিত করেছেন। ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে থাকা ভেঙ্গার জানান, এই পরিকল্পনার প্রাথমিক খসড়া তৈরিতে তিনি যুক্ত ছিলেন না। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেয়াকে ‘একদম প্রয়োজনীয়’ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইনফান্তিনো গত এক সপ্তাহ ধরে মরক্কোয় অবস্থান করছেন। উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি ২০৩০ সালের যৌথ বিশ্বকাপ আয়োজক এবং সেখানকার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে ফিফা সভাপতির প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। মরক্কোর রাজধানী রাবাতের পাশেই সালে শহরে অবস্থিত ফিফার আফ্রিকা কার্যালয়ে বুধবারের এই বৈঠকে প্রধান লক্ষ্যই হলো—আগামী সাত মাস পর নির্বাচন
পর্যন্ত ইনফান্তিনোর চেয়ার কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায়। নিয়ম অনুযায়ী, ৪৩টি বা তার বেশি সদস্য দেশ যদি লিখিত অনুরোধ জানায়, তবে একটি জরুরি বিশেষ কংগ্রেস আহ্বান করা যেতে পারে। লন্ডনের ‘দ্য টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উয়েফা, কনকাকাফ (উত্তর-মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল) এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) যৌথভাবে ইনফান্তিনোকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজনে ফিফার কাজ অচল করে দেয়া এমনকি নিজস্ব টুর্নামেন্ট শুরুর মাধ্যমে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করতে চায় তারা। এই প্রতিবেদনের বিষয়ে কনকাকাফ, এএফসি এবং ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উয়েফাও এ নিয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি। তবে নিজ নিজ কনফেডারেশনের পথ ধরে ইউরোপের বাইরেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যদিও
প্রতিটি জাতীয় সংস্থা মূল কনফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুসরণ নাও করতে পারে। যেমন এএফসির অবস্থানের বিপরীতে হেঁটে কাতার, কুয়েত, লেবানন, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়া সরাসরি ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেছে। প্রথাগত শক্তিশালী ফুটবল দেশগুলোর বাইরে ইনফান্তিনো সবসময়ই বড় আকারের সমর্থন পেয়ে এসেছেন, যেখানে অনুন্নত দেশের ফুটবল সংস্থাগুলো তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনার জন্য ফিফার অনুদানের ওপর নির্ভর করে। মূলত এই ধরনের দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোকেই লক্ষ্য করে ইনফান্তিনো তার পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন, যেখানে প্রস্তাব সমর্থনের বিনিময়ে আগামী বছরের শুরুতেই প্রতিটি দেশকে ২০ থেকে ৪০ মিলিয়ন ডলারের বিশেষ অনুদান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।



