শেখ হাসিনা মাসে ৮ হাজার কোটি , ইউনুস মাসে ২৩ হাজার কোটি ঋণ নিয়েছে। – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত

“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল

‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি

স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ

শেখ হাসিনা মাসে ৮ হাজার কোটি , ইউনুস মাসে ২৩ হাজার কোটি ঋণ নিয়েছে।

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
বিগত দেড় দশকে দেশের ঋণের বোঝা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ছিল তুঙ্গে। কিন্তু গত ১৭ মাসের (আগস্ট ২০২৪ - ডিসেম্বর ২০২৫) পরিসংখ্যান সেই বিতর্ককে নতুন মোড় দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, শেখ হাসিনা সরকারের ১৫ বছরে প্রতি মাসে গড়ে ঋণের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার কোটি টাকার ঘরে। অথচ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই অংক লাফিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকায়। দৃশ্যমান কোনো মেগা প্রকল্প বা বড় অবকাঠামো যুক্ত না হওয়ার পরেও ঋণের এই ‘অস্বাভাবিক উল্লম্ফন’ অর্থনীতিবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, মাসিক ঋণের রেকর্ড: শেখ হাসিনার ১৫ বছরে মাসিক গড় ঋণ ছিল ৮,৮০০ কোটি

টাকা। ইউনুস সরকারের ১৭ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২,৯০০ কোটি টাকায়। গতির তুলনা: বিগত সরকারের চেয়ে বর্তমান সরকারের ঋণ নেওয়ার গতি প্রায় ৩ গুণ বেশি। ১৭ মাসের হিসাব: মাত্র ১৭ মাসেই সরকার ঋণ নিয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা বিগত সরকারের প্রায় ৪ বছরের মোট ঋণের সমান। দৃশ্যমান উন্নয়ন: হাসিনার আমলে ঋণের টাকায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও টানেল হলেও গত দেড় বছরে দৃশ্যমান কোনো অবকাঠামো হয়নি। রাজস্ব ঘাটতি: উন্নয়ন স্তব্ধ থাকার পরেও ঋণের এই উল্লম্ফনের মূল কারণ হিসেবে ‘রাজস্ব আদায়ে চরম ব্যর্থতা’ ও ‘প্রশাসনিক অদক্ষতা’কে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিস্তারিত প্রতিবেদন ঋণের গতি ৩ গুণ, উন্নয়ন শূন্য ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে

দেশের মোট ঋণের স্থিতি বেড়েছিল প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা। দীর্ঘ ১৫ বছরের এই সময়ে গড়ে প্রতি বছর ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ঋণের বিপরীতে দেশজুড়ে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী যোগাযোগ অবকাঠামো, যা জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত—এই ১৭ মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঋণ নিয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, মাসে গড়ে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা। কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন ছাড়াই ঋণের এই পাহাড়সম বোঝা সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপছে। ‘বিনিয়োগ’ বনাম ‘ভোগ’ অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঋণের ধরণ ও ব্যবহারে বড় পার্থক্য রয়েছে। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) একজন জ্যেষ্ঠ গবেষক নাম প্রকাশ

না করার শর্তে বলেন, “হাসিনার আমলের ঋণ ছিল ‘ইনভেস্টমেন্ট’ বা বিনিয়োগ। কারণ, সেই টাকা দিয়ে ব্রিজ-কালভার্ট ও বিদ্যুৎকেন্দ্র হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার যে হারে ঋণ নিচ্ছে, তা মূলত ‘কনজাম্পশন’ বা ভোগের জন্য। অর্থাৎ, বেতন-ভাতা দেওয়া, ভর্তুকি টানা এবং দৈনন্দিন খরচ মেটাতেই এই টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এটি অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ অশনিসংকেত।” টাকা যাচ্ছে কোথায়? বিগত সরকারের শেষ সময়ে (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ১১ মাসে ঋণ নেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। তখন চলমান ছিল দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম সব প্রকল্প। কিন্তু বর্তমান সরকারের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ’২৫) ৬৫ হাজার কোটি টাকা এবং আগের ১১ মাস মিলিয়ে যে বিশাল ঋণ নেওয়া হয়েছে,

তার কোনো সুনির্দিষ্ট গন্তব্য সাধারণ মানুষের চোখে পড়ছে না। সিরাজগঞ্জের এক ঠিকাদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আগে ঋণ নিত, কাজও হতো। এখন ঋণ নিচ্ছে ৩ গুণ বেশি, কিন্তু আমাদের বিল দিচ্ছে না। রাস্তায় এক ঝুড়ি মাটিও ফেলা হচ্ছে না। এই টাকা কি হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে?” ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায় ২০২৬ সালের শুরুতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। রাজস্ব আয় না বাড়লে এবং ঋণের টাকা উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় না করলে, এই বিপুল ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করতে গিয়ে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে? স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত বিএনপি ও জামায়াত ভেতরে ভেতরে এক, মাঠে তারা কৃত্রিম দ্বন্দ্ব দেখাচ্ছে।” শামীম হায়দার পাটোয়ারী, মহাসচিব, জাতীয় পার্টি। “রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল ‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি: মুক্তিকামী জনতার একচ্ছত্র কমান্ড ও স্বাধীনতার পদধ্বনি রাজারবাগ ও পিলখানা—প্রথম প্রতিরোধের অগ্নিশিখা ও রক্তক্ষয়ী রাত শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে তৈরি সেই পাইপলাইনই এখন বিএনপির ভরসা বাংলাদেশ, তুমি কোথায় যাচ্ছ?: ‘৭১ এর ঘাতক, ২০২৬ এর শহীদ! চুকনগর গণহত্যা ১৯৭১ঃ ৪ ঘন্টায় প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা আরও কমলো স্বর্ণের দাম