ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন বেতন কাঠামোতে আরও যেসব সুবিধা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
কয়লা খনির ময়লা পানিতে জীবনের রঙিন স্বপ্ন
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
শেখ মুজিবের নামে প্রতিষ্ঠানে অনুদানে কর রেয়াত বাতিল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে গড়া প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে আর কর রেয়াত বা ছাড় পাওয়া যাবে না। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে দেওয়া অনুদানকে করের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এ জন্য আয়কর আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০২৩ সালের নতুন আয়কর আইন করে এনবিআর। নতুন আইনে, মোট ১৫টি খাতে বিনিয়োগ ও দানকে কর রেয়াতযোগ্য ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ‘জাতির পিতার স্মরণে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে করদাতার দেওয়া অনুদান হিসাবে প্রদত্ত যে কোনো পরিমাণের অর্থ' অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
আয়কর আইন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বছরে মোট আয়ের ২০ শতাংশ বিনিয়োগ বা অনুদান কর রেয়াতযোগ্য।
এ জন্য ১৫ শতাংশ কর রেয়াত বা ছাড় দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তির আয় বছরে একশ টাকা হলে ২০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ বা অনুদান অনুমোদনযোগ্য। নতুন সদ্ধিানে্তর ফলে, দাতব্য হাসপাতালে, প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে স্থাপিত সংগঠনে, সরকারি-বেমরকারি যাকাত তহবিলে চাঁদা দিলে, সরকার অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দিলে এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ স্মরণে জাতীয় পর্যায়ে যে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সারা দেশে শেখ মুজিবের নামে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে সচল রাখতে করাদাতারা যাতে স্বপ্রণোদিতভাবে অনুদান দেয়, সে জন্য কর রেয়াত দেওয়া
হয়। এ কাজে এনবিআরকে বাধ্য করা হয়। এখন সরকার মনে করছে এই বিধান প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। তাই আয়কর আইনের এই অংশ বাতিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যে কোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।
এ জন্য ১৫ শতাংশ কর রেয়াত বা ছাড় দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তির আয় বছরে একশ টাকা হলে ২০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ বা অনুদান অনুমোদনযোগ্য। নতুন সদ্ধিানে্তর ফলে, দাতব্য হাসপাতালে, প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে স্থাপিত সংগঠনে, সরকারি-বেমরকারি যাকাত তহবিলে চাঁদা দিলে, সরকার অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দিলে এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ স্মরণে জাতীয় পর্যায়ে যে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সারা দেশে শেখ মুজিবের নামে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে সচল রাখতে করাদাতারা যাতে স্বপ্রণোদিতভাবে অনুদান দেয়, সে জন্য কর রেয়াত দেওয়া
হয়। এ কাজে এনবিআরকে বাধ্য করা হয়। এখন সরকার মনে করছে এই বিধান প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। তাই আয়কর আইনের এই অংশ বাতিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যে কোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।



