ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত
ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পর আগের বছরের বৃত্তি পরীক্ষা: পুরোনো সিলেবাসে নতুন চাপ, বিপাকে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
পাঠ্যবই দুর্নীতি : ইউনুসের সংস্কার, সিন্ডিকেটের উৎসব
বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে বড় সুখবর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানিদের হানা, রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বিদ্যার প্রাঙ্গণ
সেহরি থেকে তুলে নিয়ে মারধর, জঙ্গিদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীদের মাথায় হাত
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আর ২৮ বা ৩০ নম্বর পেলে ‘সহানুভূতি’ দেখিয়ে ৩৩ করে পাস করিয়ে দেওয়া হবে না। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত এ অলিখিত প্রথা থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবার থেকে অপ্রাসঙ্গিক উত্তর লিখলেও আর নম্বর মিলবে না। খাতা মূল্যায়নে বাস্তব ও সঠিক মান যাচাইকে গুরুত্ব দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক ধরে পাবলিক পরীক্ষায় সৃজনশীল পদ্ধতির নামে খাতা মূল্যায়নে উদার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছিল। কোনো উত্তর না বুঝলেও বা ভুল তথ্য দিয়েও শিক্ষার্থীরা নম্বর পেয়ে যেতেন। পরীক্ষকদের মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হতো—খাতায় কিছু থাকলেই যেন নম্বর দেওয়া হয়। এতে পাসের হার এবং জিপিএ
৫-এর সংখ্যা কৃত্রিমভাবে বেড়ে যায়, কিন্তু শিক্ষার মান নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন উঠতে থাকে। এ প্রসঙ্গে এক প্রধান পরীক্ষক বলেন, এমনও দেখা গেছে—এক শিক্ষার্থী ‘হাজী মুহম্মদ মুহসীনকে কেন দানবীর বলা হয়?’ প্রশ্নের উত্তরে লিখেছে, “তিনি দানব ও বীর ছিলেন, তাই তাকে দানবীর বলা হয়।” অথচ এ ধরনের উত্তরেও পরীক্ষক নম্বর দিয়েছেন। শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, দেরিতে হলেও শিক্ষার মানোন্নয়নে বাস্তবসম্মত মূল্যায়নের পথে হাঁটা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এতে ফলাফল কিছুটা কমলেও শিক্ষার্থীদের প্রকৃত জ্ঞান যাচাই করা সম্ভব হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বলেন, “একজন শিক্ষার্থী যদি জিপিএ ৫ পেয়েও ভালো মানের কলেজে ভর্তির সুযোগ না পায়, তবে সে ফলের
কোনো অর্থ থাকে না। আমরা এখন গুণগত মানে গুরুত্ব দিচ্ছি, সংখ্যায় নয়।” আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, “আমরা খাতা মূল্যায়নে কোনো ‘উদারনীতি’ বা ‘কঠোরনীতি’ নয়, বরং বাস্তবসম্মত ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো—ভালো মানের শিক্ষার্থী তুলে আনা, শুধু বেশি পাস দেখানো নয়।” এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে চলতি বছর থেকেই এসএসসি ও এইচএসসিতে পাসের হার এবং জিপিএ ৫-এর সংখ্যা কিছুটা কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৫-এর সংখ্যা কৃত্রিমভাবে বেড়ে যায়, কিন্তু শিক্ষার মান নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন উঠতে থাকে। এ প্রসঙ্গে এক প্রধান পরীক্ষক বলেন, এমনও দেখা গেছে—এক শিক্ষার্থী ‘হাজী মুহম্মদ মুহসীনকে কেন দানবীর বলা হয়?’ প্রশ্নের উত্তরে লিখেছে, “তিনি দানব ও বীর ছিলেন, তাই তাকে দানবীর বলা হয়।” অথচ এ ধরনের উত্তরেও পরীক্ষক নম্বর দিয়েছেন। শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, দেরিতে হলেও শিক্ষার মানোন্নয়নে বাস্তবসম্মত মূল্যায়নের পথে হাঁটা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এতে ফলাফল কিছুটা কমলেও শিক্ষার্থীদের প্রকৃত জ্ঞান যাচাই করা সম্ভব হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বলেন, “একজন শিক্ষার্থী যদি জিপিএ ৫ পেয়েও ভালো মানের কলেজে ভর্তির সুযোগ না পায়, তবে সে ফলের
কোনো অর্থ থাকে না। আমরা এখন গুণগত মানে গুরুত্ব দিচ্ছি, সংখ্যায় নয়।” আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, “আমরা খাতা মূল্যায়নে কোনো ‘উদারনীতি’ বা ‘কঠোরনীতি’ নয়, বরং বাস্তবসম্মত ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো—ভালো মানের শিক্ষার্থী তুলে আনা, শুধু বেশি পাস দেখানো নয়।” এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে চলতি বছর থেকেই এসএসসি ও এইচএসসিতে পাসের হার এবং জিপিএ ৫-এর সংখ্যা কিছুটা কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



